বিভাগীয় সমাবেশে আসার পথে নেতাকর্মীদের উপর হামলায় খুলনা অঞ্চল জামায়াত নেতৃবৃন্দ তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাগেরহাট থেকে ইজিবাইকযোগে খুলনা সার্কিট হাউজ ময়দানে ১১ দলীয় ঐক্যের সমাবেশে আসার পথে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের উপর হামলার ঘটনায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা অঞ্চল নেতৃবৃন্দ।
বিবৃতিদাতারা হলেন-বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় নির্বাহী পরিষদ সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালক অধ্যক্ষ মো. ইজ্জত উল্লাহ এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও অঞ্চল টিম সদস্য মুহাদ্দিস আব্দুল খালেক এমপি, কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও অঞ্চল টিম সদস্য মাওলানা আবুল কালাম আজাদ এমপি, টিম সদস্য মাওলানা মশিউর রহমান খান এমপি, মাস্টার শফিকুল আলম ও হাফেজ রবিউল বাশার এমপি, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান ও সেক্রেটারি এডভোকেট শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন এমপি, খুলনা জেলা আমীর মাওলানা এমরান হুসাইন ও সেক্রেটারি মুন্সি মিজানুর রহমান, বাগেরহাট জেলা আমীর মাওলানা রেজাউল করীম ও সেক্রেটারি শেখ মো. ইউনুস, সাতক্ষীরা জেলা আমীর উপাধ্যক্ষ মো. শহীদুল ইসলাম মুকুল ও সেক্রেটারি মাওলানা আজিজুর রহমান।
বিবৃতিতে নেতৃবৃন্দ বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে আসার পথে বাগেরহাটের বারুইপাড়া ইউনিয়নের পার-কুরশাইল এলাকায় জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের ওপর এক ন্যাক্কারজনক ও কাপুরুষোচিত হামলা চালানো হয়েছে। রাজনৈতিক সমাবেশে যোগ দেওয়ার মতো মৌলিক ও গণতান্ত্রিক অধিকারে বাধা দিয়ে এভাবে অতর্কিত হামলা ও নেতাকর্মীদের রক্তাক্ত করার ঘটনা কোনোভাবেই বরদাশত করা হবে না। নেতৃবৃন্দ বলেন, এ দেশ আর কখনো কোনো নব্য জালিমদের আবাসস্থল হবে না। অতীতে যারা মজলুম ছিলেন আজ তারা সুযোগ পেয়ে নিজেরা জালিম হয়ে উঠবেন না। বারুইপাড়া ইউনিয়নের এই সহিংসতার সাথে জড়িত প্রতিটি অপরাধীকে অবিলম্বে গ্রেফতার করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দিতে হবে।
উল্লেখ্য, শনিবার (২০ জুন) দুপুরের দিকে ১১ দলীয় ঐক্যের খুলনা বিভাগীয় সমাবেশে আসার পথে বাগেরহাট সদর উপজেলার বারুইপাড়া ইউনিয়নের পারকুরশাইল এলাকায় ২০/২২ জন লোক দেশীয় অস্ত্র-শস্ত্র নিয়ে জামায়াতে ইসলামীর নেতাকর্মীদের উপর হামলা চালায়। এতে চিতলমারী উপজেলার শিবপুর ইউনিয়নের ৪ নং ওয়ার্ড জামায়াতের সভাপতি ইস্রাফিল মোল্লা, জামায়াত কর্মী সাইফুল কাজী, ফেরদৌস শেখ, বাদশা চৌধুরী, সামাদ মোল্লা ও ইজিবাইক চালক শহীদ শেখ আহত হয়। আহতদের মধ্যে গুরুতর অবস্থায় সাইফুল কাজী ও ফেরদৌস শেখকে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। অন্যরা স্থানীয় হাসপাতালে চিকিৎসা নিয়েছেন।



