সবজি ও মাছের বাজার অস্থিরতা থামছেনা চাপে সাধরণ ক্রেতা

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ গুড়িগুড়ি কখনও অতি ভারী বর্ষণে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের সবজির ক্ষেত পানির নীচে আর এতে করে বাজারে সব ধরনের সবজি ও মাছের দামে বেড়েছে অস্থিরতা। এ দিকে সবজির বাজারে এমন অস্থিরতার চাপে সাধারণ ক্রেতারা। ব্যবসায়িরা বলছেন এমন বৈরী আবহাওয়া চলমান থাকলে দাম আরও বাড়তে পারে । আমরা আড়তে সবজি পাচ্ছিনা। টাকা হলেও মিলছেনা সরবরাহ খুব কম। প্রায় সব ধরনের সবজির দাম উল্লেখজনক হারে বেড়েছে। বিশেষ করে বেগুন, কাঁচাঝাল, ঢেঁড়স করলা, বরবটির দাম কেজি প্রতি ৫০ টাকা থেকে ৯০ টাকা পর্যন্ত বেড়েছে । গতকাল নগরীর বেশ বয়েকটা বাজার ঘুরে দেখা গেছে কাঁচাঝাল বরজ প্রতিকেজি ৩২০ টাকা কাকরোল ৯০ টাকা, পটল ৮০ টাকা, ঝিঙে ৮০-৯০ টাকা । বেগুন ১২০ টাকা, উস্তে ৮০ টাকা কেজি, লাউ প্রতি পিস ৫০-৬০ টাকা, পেঁপে ৬০ টাকা, কুশি ৮০ টাকা, চাল কুমড়া ৯০ টাকা, মাংসের বাজার গরুর মাংস বিক্রি হয়েছে ৭৫০ টাকায় ও খাশির মাংস সাড়ে ১ হাজার ৫০ টাকা থেকে ১১শ টাকা, মুরগী ব্রয়লার প্রতিকেজি ১৮০ টাকা, সোনালী ২২০ টাকা, দেশি ৫৫০ টাকা, লেয়ার লাল ৩৮০ টাকা কেজি, লেয়ার সাদা ৩২০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হয়েছে। মাছ বাজার ঘুরে দেখা ছোট জাটকা সাইজের ইলিশ ২শ গ্রামের সাইজে ছোট মাছ বিক্রি হচ্ছে ১হাজার টাকা প্রতি কেজি। ৮শ গ্রামের সাইজের মাছ বিক্রি হচ্ছে২২শ টাকায়। এছাড়া পারসে মাছ প্রতি কেজি ৬শ’ টাকা,চিংড়ি মাছ ৮শ টাকা থেকে এক হাজার টাকা, রুই মাঝারী ৪শ’ টাকা কেজি, কাতলা মাঝারী ৩৫০ টাকা কেজি, রুই বড় ৫০০ টাকা কেজি, তবে পাঙ্গাস মাছ আর তেলাপিয়া মাছের দাম আগের মত কিছুটা নাগালে পাঙ্গাস বিক্রি হচ্ছে প্রতি কেজি ২২০ টাকা দরে ও তেলাপিয়া মাছ বিক্রি হচ্ছে ১৮০ টাকা দরে, যা গেল এক মাস আগেও দাম ছিল নাগালে। এতে করে বাজারে এসে বিপাকে পড়েছেন সাধারণ ক্রেতারা। এ বিষয়ে কথা কথা হয় ক্রেতা তৌহিদুর রহমানের সাথে তিনি বলেন, হঠাৎ করে চাল, সবজি, মাছের দাম বেশ বেড়েছে। বাজারে গেলে এখন ৫শ টাকার সবজিতে ব্যাগ ভরেনা। এক্ই কথা বলেন ক্রেতা হালিম মোল্লা তিনি বলেন, আমরা চাকুরীজীবি, আমাদের নির্ধারিত উপার্জন। আর হিসাব করে চলতে হয়। কি বাবদ কি খরচ করে মাস উঠানো যায়। বিশেষ করে মাছের বাজার সবজিসহ চাল সব কিছু । আগের বছরের তুলনায় দাম যে খুব বেড়েছে। তবে দাম কিছুটা লাগাম টেনে ধরা উচিত বা এর ভিতর কোন সিন্ডিকেট আছে কিনা সেই বিষয়টা দেখতে হবে। এ বিষয়ে সবজি বিক্রেতা গাজী আলামিন বলেন, গেল কয়েকদিনের বৈরী আবহাওয়ার কারণে সবজির বাজারে প্রভাব পড়েছে । এছাড়া কাচামালের আড়তে সরারাহ কমেছে । অতিবৃষ্টি আর বন্যায় ফসলী জমি সবজির আবাদ পানিতে ডুবে গেছে। যার প্রভাব পড়েছে বাজারে। চিত্রালী বাজারে মাছ বিক্রেতা মোঃ মান্নান হোসেন বলেন, মাছের পাইকাড়ী আড়তে মাছ সরবরাহ কম। চাহিদার তুলনায় কম মাছ সরবরাহ থাকায় মাছের বাজারে স্বাভাবিকের তুলনায় দাম বেশি। এছাড়া বর্তমানে ইলিশের মৌসুম চলছে। তারপরও আড়তে পর্যাপ্ত ইলিশ নেই। অধিকাংশ মাছ বরগুনা, বরিশাল থেকে আসছে।



