স্থানীয় সংবাদ

৫ আগস্ট খুলনা প্রেসক্লাবে জমি এবং মৎস্য ঘের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ ৫ই আগস্ট খুলনা প্রেসক্লাবে জমি এবং মৎস্য ঘের নিয়ে সুধাংশু শেখর ঢালীর মিথ্যাচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। মঙ্গলবার খুলনা প্রেসক্লাবে অনুষ্ঠিত সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন দিপক রায়। লিখিত বক্তব্য পাঠকালে তিনি জানান, বটিয়াঘাটা থানার হালিয়া গ্রামের ভূমিহীনদের শত্রু সুধাংশু শেখর ঢালী গত ৫ই আগস্ট খুলনা প্রেসক্লাবে জমি এবং মৎস্য ঘের নিয়ে মিথ্যা সংবাদ সম্মেলন করে আমরা হালিয়া বরণ পাড়া ভূমিহীন সদস্যরা এর তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি। ১৯৮০ সালে কাজী বাছা নদী ভরাট হয়ে সরকারি জমির উদ্ভব হয় তখন বিরাট গ্রামে তৈবুর রহমান গংরা তৎকালীন জেলা প্রশাসন ও উপজেলা প্রশাসনকে বিবাদী বানাইয়া কবুলিয়াত বুনিয়াদে নিজেদের জমি বলিয়া জাল জালিয়াতি ৮০/৮১ নামক একটা দেওয়ানি মামলা দায়ের করে এর পরিপ্রেক্ষিতে তখন হালিয়া বরণ পাড়া গ্রামে স্থানীয় সমাজ সেবকরা স্থানীয় প্রকৃত ভূমিহীনদের নিয়ে ১১০ সদস্য বিশিষ্টে হালিয়া বরণ পাড়া ভূমিহীন সমবায় সমিতি তৈরি করে যাহার সভাপতি ছিলেন বাবু মহানন্দ রায় ও সাধারণ সম্পাদক ছিলেন বাবু ক্ষীরোদ রঞ্জন বিশ্বাস তখন ওই সমিতি তৎকালীন জেলা প্রশাসনের কাছে ভূমিহীনদের নামে সরকারি খাস জমি পাইবার জন্য আবেদন করেন তার পরিপ্রেক্ষিতে তৎকালীন জেলা প্রশাসন হালিয়া বরণ পাড়া ভূমিহীন সমবায় সমিতিদের সরকারি রাজস্ব আদাইপূর্বক বা ডিসিআর কাটিয়া ও যেহেতু উক্ত জমিতে মামলার উদ্ভব হয়েছে বলে উক্ত মামলার সম্পূর্ণ ব্যায় ভার উক্ত সমিতিকে চালাইতে হইবে শর্তে অনুমতি প্রদান করেন যেটা মহামান্য হাইকোর্ট পর্যন্ত মামলাটি গড়িয়েছে এমত অবস্থায় ভূমিহীনদের পক্ষে এত ব্যয়বহুল খরচ করা সম্ভব না বিধায় তখন উক্ত ভূমিহীন সমিতি খুলনার বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী হোসেন ইমাম চৌধুরী পল্টু সাহেব কে নিয়ে এসে উক্ত সরকারি খাস জমির সরকারি রাজস্ব আদাইপূর্বক ও দেওয়ানী মামলার ও মহামান্ন হাই কোর্টের সম্পূর্ণ খরচ চালানো সহ এবং উক্ত সরকারি জমিতে ধান উৎপাদনের নিমেত্ত রিং ভেরিবাধ নিমার্ণ এর সম্পুন খরচ সহ উক্ত সরকারি ক্ষাস জমি ভূমি দুশ্যদের হাত হতে রক্ষা করিবার জন্য সমিতির বাই লজ অনুযায়ী হোসেন ইমাম পটুকে প্রধান উপদেষ্টা হিসাবে নিয়োগ দেন। ইতিমধ্যে দেওয়ানি ৮০/৮১ মামলাটি ২০০৫ সালে খারিজ হইয়া যায় এরপর থেকে উক্ত সরকারি খাস জমি স্থায়ী বন্দোবস্তের জন্য হালিয়া বরণ পাড়া ভূমিহীন সমিতিরা স্থায়ীভাবে দলিল পাইবার জন্য জেলা প্রশাসনে আবেদন করিলে ২০১১-১২ সালে ৮৫ জন ভূমিহীনদের নামে স্থায়ীভাবে দলিল জেলা প্রশাসন উপজেলা প্রশাসনের মাধ্যমে সম্পন্ন করে দেন। তিনি আরও বলেন, এই জোয়ার ভাটার মৎস্য ঘেরের প্রথম ম্যানেজার মিথ্যাবাদী সুধাংশুশেখর ঢালী তার চুরি অপকর্ম ভূমিহীনদের ভেতর বিভেদ সৃষ্টির কারণে তাকে ম্যানেজার পদ হইতে অপসরণের পর তার গাত্রদাহ শুরু হইয়াছে। সে সবসময় বিভিন্ন অপকর্মে লিপ্ত থাকে বিধায় রামপালের পহেলার জনৈক মঞ্জু শেখের ২০২৫ সালে বটিয়াঘাটা থানায় ফৌজদারী কেসে জেল পর্যন্ত খাঁটি আছে এবং কয়েক মাস আগে কেএমপি সোনাডাঙ্গা থানা কর্তৃক গ্রেপ্তার হইয়া কোর্টে চালান হইয়াছে, ফৌজদারী কেসগুলো এখনো চলমান রয়েছে এই সুধাংশু শেখর ঢালী এমন কোন সরকারি রাজনীতিবিদ নাই এমনকি খুলনা জেলা প্রশাসন বটিয়াঘাটা উপজেলা প্রশাসন ও যৌথ বাহিনী এর কাছে বিভিন্ন সময় এইসব মিথ্যা অভিযোগ দায়ের করেছে কিন্তু সেগুলো মিথ্যা প্রমাণিত হওয়ায় কোন প্রতিকার পায়নি। অতএব এখানে আমাদের ধান চাষ ও জোয়ার ভাটাতে মৎস্য ঝেরে কোনদিনও সুধাংশুশেখর ঢালীকে কোন ভূমিহীন সদস্য পরিচালনার দায়িত্ব দেয় নাই ও সে কোন সমিতির নিতি নির্ধারক নহে। দিপক রায় আরও বলেন, এই ভূমিহীন এর নামে কলঙ্ক মামলাবাজ ও ক্রিমিনাল সুধাংশুশেখর ঢালীর বারবার মিথ্যাচারের বিষয়ে আমরা হালিয়া বরণ পাড়া ভূমিহীন সদস্যরা তীব্র প্রতিবাদ জানাচ্ছি ও উপজেলা প্রশাসনের কাছে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা তার বিরুদ্ধে নেওয়ার জন্য জোড় অনুরোধ জানাচ্ছি। হালিয়া বরণ পাড়া ভূমিহী দের পক্ষে বাবু ভবনাথ ব্যাপারী, দিপক রায়, গৌঈরপদ রায়, শাহাদাত হালদার, পরিমল বরকনন্দাজ, জয়দেব, গোলক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button