গভীর রাতে পত্রিকা অফিসে হামলা সাধারণ কোন ঘটনা নয়, স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর চরম আঘাত

দৈনিক প্রবাহ অফিসে সকল হামলাকারীদের গ্রেফতার ও মাদকের আঁখড়া উচ্ছেদের দাবিতে অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে বক্তারা
স্টাফ রিপোর্টার : দৈনিক প্রবাহ অফিসে হামলাকারীদের গ্রেফতার ও কঠোর শাস্তির দাবিতে বুধবার (১২ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর শিববাড়ী মোড়ের অদূরে টাইগার গার্টেন হোটেল সংলগ্ন প্রবাহ ভবনের সামনে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ কর্মসূচি পালিত হয়েছে। প্রবাহ পাঠক ফোরামের উদ্যোগে এ কর্মসূচির আয়োজন করা হয়।
এ কর্মসূচিতে অংশ নিয়ে বক্তারা বলেন, গভীর রাতে পত্রিকা অফিসে হামলা সাধারণ কোন ঘটনা নয়, এটি স্বাধীন গণমাধ্যমের ওপর চরম আঘাত। প্রবাহ অফিসে হামলা এবং স্টাফকে মারধরের ঘটনায় দায়েরকৃত সকল আসামিকে অবিলম্বে গ্রেফতার করতে হবে। অন্যথায় সাংবাদিকরা কঠোর কর্মসূচি ঘোষণা করতে বাধ্য হবে।
বক্তারা আরও বলেন, একের পর এক খুন ও গুলির ঘটনায় খুলনা অনিরাপদ হয়ে উঠেছে। মাদক ব্যবসায়ী ও কিশোর গ্যাং বেপরোয়া হয়ে উঠেছে। এমনকি কয়েকদিন আগে নগরীর জাতিসংঘ শিশু পার্ক এলাকায় ৪জন সাংবাদিককে লক্ষ্য করে গুলির ঘটনা ঘটলেও কোন আসামি ধরা না পড়ায় সর্বশেষ প্রবাহ অফিসে হামলার ঘটনা ঘটেছে। বক্তারা অবিলম্বে প্রবাহ ভবনের পিছনের বস্তি উচ্ছেদ করে মাদক ও সন্ত্রাসীদের বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করতে খুলনার পুলিশ প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানান।
মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সমাবেশে সভাপতিত্ব করেন দৈনিক প্রবাহ পাঠক ফোরাম ও বৃহত্তর খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির সভাপতি শেখ আশরাফ-উজ-জামান।
প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বিশেষ অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগর আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান, প্রবাহের সম্পাদক ও প্রকাশক আশরাফ-উল-হক, নির্বাহী সম্পাদক (সিইও) এনামুল হক সাহেদ, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা সদর থানার সভাপতি হাফিজুর রহমান, বাংলাদেশ জার্নালিস্ট প্রোটেক কমিটির সাধারণ সম্পাদক আনিসুর রহমান কবির, সময় টিভি রিপোটার তানজিম আহম্মেদ, সংযোগ প্রতিদিনের নির্বাহী সম্পাদক মিশারুল ইসলাম মনির, খুলনা উন্নয়ন সংগ্রাম সমন্বয় কমিটির আবুল বাশার, বাংলাদেশ ফেডারেল সাংবাদিক ইউনিয়ন-বিএফইউজের সহকারী মহাসচিব ও দৈনিক আমার দেশ’র ব্যুরো প্রধান এহতেশামুল হক শাওন, সুশাসনের জন্য নাগরিক-সুজন’র খুলনা জেলা সভাপতি অ্যাডভোকেট কুদরত-এ-খুদা, খুলনা প্রেসক্লাবের সভাপতি ও দৈনিক প্রবর্তন সম্পাদক মো. মোস্তফা সরোয়ার, সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সময়ের খবর’র সম্পাদক তরিকুল ইসলাম, খুলনা সংবাদপত্র পরিষদের সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক খুলনাঞ্চল সম্পাদক মিজানুর রহমান মিল্টন, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে’র) খুলনা সভাপতি ও দৈনিক মানবজমিনের ব্যুরো প্রধান মো. রাশিদুল ইসলাম ও খুলনা সাংবাদিক ইউনিয়নের (কেইউজে) সভাপতি দৈনিক পূর্বাঞ্চলের সিনিয়র ফটো সাংবাদিক আনোয়ারুল ইসলাম কাজল। প্রধান অতিথির বক্তব্যে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক ও সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, আমরা সকলে খুবই উদ্বিগ্ন। খুলনার সবচেয়ে পুরাতন স্থানীয় পত্রিকা দৈনিক প্রবাহ অফিসের মধ্যে হামলা হয়েছে। সম্পাদক ও প্রকাশক আশরাফ-উল-হক ৫৫ বছর ধরে এ পত্রিকার সাথে জড়িত। সেই পত্রিকা অফিসে গভীর রাতে হামলার ঘটনায় উনি হতবাক হয়েছেন। আমরাও অবাক হয়েছি। তিনি বলেন, আগে শুনতাম সাংবাদিকদের উপর হামলা হতো, আর এখন পত্রিকা অফিসেই হামলা, এটি আমাদের জন্য অনাকাঙ্খিত। এর আগে জাতিসংঘ শিশু পার্কের পাশে কয়েকজন সাংবাদিক বসে চা পানরত অবস্থায় গুলি করা হয়েছে। সেই ঘটনায় এখন কেউ গ্রেফতার হননি। এটা আমাদের জন্য আরও বেদনাদায়ক এবং আমরা চিন্তিত। কেন একজন গুলিবর্ষণকারী ধরা পড়বে না।পত্রিকা অফিসে হামলার ঘটনায় একজন গ্রেফতার হয়েছে, বাকী আসামীদের গ্রেফতার এবং এই ঘটনার পেছনে রহস্য কি, কারনকি এটি খুঁজে বের করা বক্তাদের দাবি। তিনি আরও বলেন, খুলনাতে আমরা জানি কি পরিস্থিতির মধ্যে বসবাস করছি। আমাদের প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ইতিমধ্যে কাজ শুরু করেছেন। সরকারের বয়স মাত্র ৫ মাস। জুলাই অভ্যুথানের পরে পুলিশের নিষ্ক্রিয়তার কারনেই এ শহরে খুনিরা প্রবেশ করেছে। মাদক ব্যবসায়ীরা প্রবেশ করেছে। এখন খুলনা মাদক ব্যবসায়ীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। আমরা এ অবস্থা দেখতে চাই না। আমরা চাই একটি নিরাপদ শহর। নিরাপদ শহরের জন্যই বিগত নির্বাচনে মানুষ আমাদের ভোট দিয়েছে। নতুন পুলিশ কমিশনার এসেছেন আমি তার প্রতি আহবান জানাবো- সাংবাদিকদের সাথে বসুন, তাদের বক্তব্য শুনুন, কারন উদঘাটন করে দ্রুত ব্যবস্থা গ্রহণ করুন। তিনি বলেন, খুলনায় অবৈধ অস্ত্র প্রবেশে গত দেড় দুই বছরে এ শহরের শতাধিক মানুষ খুন হয়েছে। প্রত্যেকটির তদন্ত হওয়া দরকার। যে কোন মূল্যে মাদক রোধ করতে হবে। কিশোর গ্যাংয়ের অপতৎপরতা বন্ধ করার জন্য কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে। আমরা চাই সত্য প্রকাশের স্বাধীনতা, মত প্রকাশের স্বাধীনতা। সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে খুলনার সঠিক চিত্র জাতির সামনে তুলে ধরবে। তিনি সাংবাদিকদের অফিস, ঘর-বাড়ি ও নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিতে প্রশাসনকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালনের আহবান জানান। বিশেষ অতিথির বক্তব্যে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগর আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেন, ইতিমধ্যে আমরা অবগত হয়েছি, প্রবাহ অফিসে হামলা করা হয়েছে। নিচ থেকে পাঁচজন উঠে গিয়ে হামলা করেছে। পাশে বস্তির কথা বলা হচ্ছে, সন্ত্রাসীদের অবস্থানের ব্যাপারে বলা হচ্ছে। তিনি বলেন, আমাদের খুলনার সাংবাদিকরা এবং সংবাদপত্রের মাধ্যমের সাথে যারা জড়িত, তারা কেউ নিরাপদ নয়। তারা সত্য এবং বস্তুনিষ্ঠ সংবাদ পরিবেশনের জন্য আজ সন্ত্রাসীদের আক্রমণের শিকার হচ্ছে। এ পর্যন্ত চারজন সাংবাদিক শহীদ হয়েছেন, নিহত হয়েছেন- হুমায়ুন কবির বালু, মানিক সাহা, হারুন অর রশীদ এবং শহীদ শেখ বেলাল উদ্দীন। যারা সত্য এবং ন্যায়ের পক্ষে থাকার কারণে তাদের উপরে ওই সন্ত্রাসীরা হামলা চালিয়েছে। তিনি আরও বলেন, মানুষের দাবি-দাওয়া, মানুষের সমস্যাগুলো তুলে ধরার কারণে যদি পত্রিকা অফিসে হামলা করা হয়, সাংবাদিকদের উপরে হামলা করা হয়, সাধারণ মানুষের উপরে হামলা করা হয়- তাহলে আমরা নিরাপত্তা কোথায় খুঁজে পাব? আজ খুলনা বসবাসের জন্য একটি অযোগ্য, সন্ত্রাসীদের অভয়ারণ্যে পরিণত হয়েছে। এই কোম্পানি, সেই কোম্পানি, চাঁদাবাজিতে মনে হয় যেন বাংলাদেশে কোনো সরকার নেই! তিনি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনাদের থেকেও কি সন্ত্রাসীরা বেশি শক্তিশালী? তা যদি না হয়ে থাকে, তাহলে আজ যারা গোটা খুলনাকে মাদকের একটা অভয়ারণ্যে পরিণত করেছে, সন্ত্রাসীদের আড্ডাখানায় পরিণত করেছে, যারা মানুষের উপরে হামলা চালাচ্ছে, এ পর্যন্ত খুলনায় প্রায় ৯১টি হত্যাকা-ের ঘটনা ঘটেছে, আজ মানুষের স্বস্তিতে বসবাস করার কোনো উপায় নেই। এমতাবস্থায় আপনারা যারা আইনশৃঙ্খলার সাথে জড়িত আছেন, তারা অবিলম্বে এই সন্ত্রাসীদের গ্রেফতার করুন। চাঁদাবাজি বন্ধ করুন, সন্ত্রাসীদেরকে জেলে পুরুন। আর তা না হলে একথা আমাদের বলতে হয়, সরকার থেকে যদি কেউ শক্তিশালী হয়, তাহলে তা সরকারের ব্যর্থতা ছাড়া আর কিছু নয়। দৈনিক প্রবাহের সম্পাদক ও প্রকাশক আশরাফ-উল-হক বলেন, আজকে আমার মনে হচ্ছে যে, ৫৫ বছরের কর্মজীবনের সার্থকতার দিন। কারণ আজকে দল-মত নির্বিশেষে প্রতিটি সাংবাদিক আমাদের সাথে সহমর্মিতা প্রকাশ করে এখানে এসেছেন। রাজনৈতিক দলগুলো তাদের সমস্ত ভুল-বোঝাবুঝি দূরে রেখে আজকে এই প্রতিবাদ সভায় এসেছেন, সবাইকে আমি শুভেচ্ছা জানাই। সাথে সাথে আমি জানাতে চাই যে ‘প্রবাহ’ পত্রিকার সঙ্গে আমার এই কর্মজীবন ৫৫ বছরের। এই কর্মজীবনে আজ পর্যন্ত যে জিনিস ঘটে নাই, এবার সেটা ঘটে গেল। পত্রিকা অফিসের ভেতরে ঢুকে হামলা- এটি একটি ন্যাক্কারজনক ঘটনা, এটি একটি চরম ঔদ্ধত্যতা, যা ইতিপূর্বে আমরা কোনোদিন দেখিনি। আমরা এর শুধু প্রতিবাদ নয়, এর প্রতিকারও চাই।
তিনি বলেন, আজকে আমি আক্রান্ত হয়েছি, আমার সাংবাদিকরা আক্রান্ত হয়েছে, আগামীকাল এই দুষ্কৃতকারীদের দ্বারা আপনারা আক্রান্ত হবেন। প্রবাহ ভবনের পেছনেই একটি অবৈধ বস্তি আছে। বস্তি শুধু না, তিনটি ঘর, যার মালিক এই জায়গাটি অপকর্মের জন্য ভাড়া দিয়েছে। সেখানে মাদকের ব্যবসা, ভাঙাড়ি, যত চোরাই শহরের মাল এখানে ভাঙা হয়, বিদ্যুতের তার চুরি হয়, সব এখানে পোড়ানো হয়, তার বের করা হয়। এদেরকে শুধু পুলিশে ধরলে হবে না। তিনি আরও বলেন, ইতিমধ্যে আমার কানে এসেছে, আমার এক সাংবাদিকের সামনে তারা বলেছে- অত্যন্ত ঔদ্ধত্যতা প্রকাশ করে, ‘একজনকে ধরলে কী হবে? খুন করলেও আমরা তিন মাসের ভেতরে বেরিয়ে আসি।’ এদের ঔদ্ধত্য শুধু জেলখানায় বন্দি করা না, এদেরকে এখান থেকে সমূলে উৎখাত করতে হবে। প্রশাসন যদি না করে, আমরা আপনাদেরকে সাথে নিয়ে এই দুষ্কৃতকারীদের এই খুলনার প্রাণকেন্দ্র থেকে তাদের উৎখাত করে দেব, ইনশাআল্লাহ। এছাড়া এদেরকে প্রতিরোধ করার দ্বিতীয় কোনো পথ নেই। প্রশাসন যদি না করে, আমরা সমস্ত সাংবাদিক ভাই, রাজনৈতিক দলের নেতা, জনগণ, সাধারণ সবাইকে সাথে নিয়ে এদের উৎখাত করতে হবে। এছাড়া আমাদের সামনে আর বিকল্প কিছু নেই।
তিনি বলেন, খুলনা সিটির প্রাণকেন্দ্র। এখানে ব্যাংক পাড়া আছে, সবচাইতে ব্যবসার কেন্দ্র এটি। এটাকে বন্ধ করে দেওয়ার একটা চরম চক্রান্ত করা হচ্ছে। এদেরকে অবশ্যই উৎখাত করতে হবে। এদের উৎখাত করতে হবে এবং যথাযথভাবে শাস্তি প্রদান করতে হবে।
নিরাপত্তাহীনতার কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, আমরা চরমভাবে নিরাপত্তাহীনতায় আছি। কারণ আমরা রাত-বিরাতে এখানে আসি, পত্রিকার কাজ শেষ করে যাই… আমরা কিন্তু চরম অনিরাপত্তার ভেতরে আছি। কারণ যারা বলতে পারে- খুন করলে তিন মাসের ভেতরে বেরিয়ে আসি’, এই লোকগুলো কিন্তু সহজে চুপ থাকবে না। সুতরাং আপনারা সতর্ক থাকেন। এদেরকে এলাকা থেকে উৎখাত করা ছাড়া দ্বিতীয় কোনো বিকল্প আর আমাদের হাতে নেই।
তিনি কেসিসি প্রশাসককে উদ্দেশ্য করে বলেন, আপনি জানেন- শহরকে কীভাবে এরা ধ্বংস করার চেষ্টা করছে। এদের প্রতিরোধে আমাদের সাথে আপনি থাকবেন। আমরা সাধারণ জনগণ এবং সাংবাদিক সমাজ সবাই মিলে এদের প্রতিরোধ এবং এদের এখান থেকে উৎখাত করতে হবে।
দৈনিক প্রবাহের চিফ রিপোর্টার মুহাম্মদ নূরুজ্জামানের পরিচালনায় স্বাগত বক্তব্য রাখেন দৈনিক প্রবাহের বার্তা সম্পাদক মেহেদী মাসুদ খান। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন ইউএনবি’র খুলনা প্রতিনিধি শেখ দিদারুল আলম, এনটিভি’র ব্যুরো প্রধান আলহ্জ্ব আবু তৈয়ব মুন্সি, শিল্পপতি এস এম আরিফুর রহমান মিঠু, মেট্রোপলিটন সাংবাদিক ইউনিয়ন (এমইউজে) খুলনার সাধারণ সম্পাদক ও দৈনিক সংগ্রামের ব্যুরো প্রধান আব্দুর রাজ্জাক রানা, কেইউজে’র সাধারণ সম্পাদক ও খুলনা প্রেস ক্লাবের ট্রেজারার বিমল সাহা, খুলনা প্রেস ক্লাবের সাবেক সাধারণ সম্পাদক হাসান আহমেদ মোল্লা, দৈনিক প্রবর্তনের নির্বাহী সম্পাদক কে এম জিয়াউস সাদাত, দৈনিক দিনকালের ব্যুরো প্রধান সোহরাব হোসেন, দৈনিক সমকালের ব্যুরো প্রধান আবুল হাসান হিমালয়, জামায়াতে ইসলামীর খুলনা মহানগর প্রচার ও মিডিয়া সম্পাদক মো. আব্দুল গফুর, ইসলামী আন্দোলনের মহানগর সহ-সভাপতি শেখ মো. নাসির উদ্দিন, ছায়াবৃক্ষের নির্বাহী পরিচালক মাহবুব আলম বাদশা, বাংলাদেশ পোল্ট্রি এসোসিয়েশনের মহাসচিব এস এম সোহরাব হোসেন, কেইউজের সাবেক আহবায়ক রকিব উদ্দিন পান্নু, বাংলাদেশ ফটো জার্নালিস্ট এ্যাসোসিয়েশনের সাবেক সভাপতি বাপ্পি খান, প্রবাহের সহকারী সম্পাদক মো. খালিদ হোসেন, সিনিয়র ফটো সাংবাদিক কামরুল আহসান, নিউজ ২৪’র প্রতিনিধি মো. মাকসুদুর রহমান মাকসুদ, সিনিয়র সাংবাদিক শামিম আশরাফ শেলী, চ্যালেন ২৪’র ব্যুরো প্রধান বেল্লাল হোসেন সজল, খুলনা টাইমস’র বার্তা সম্পাদক নুর হাসান জনি, দৈনিক খুলনাঞ্চলের মুজাহিদুর রহমান, আজকের সংবাদের এস এম হারুনার রশিদ, প্রবাহের সিনিয়র রিপোর্টার খলিলুর রহমান সুমন, কামরুল হোসেন মনি, ফেরদৌসুর রহমান, সিনিয়র ফটো সাংবাদিক এম এম মিন্টু, স্টাফ রিপোর্টার এম এ আজিম, রায়হান মোল্লা, এস. সাইফুল ইসলাম, কায়কোবাদ বুলবুল, শাহরিয়ার রাব্বি, মেহেদী হাসান, মো. আশিকুর রহমান, এম. রুহুল আমিন, সাইফুল্লাহ তারেক, শেখ মো. জাকির হোসেন, এনটিভির ক্যামেরা পার্সন আজিজুল ইসলাম, বিজনেস বাংলাদেশের ব্যুরো প্রধান মামুন রেজা, বিএনপি নেতা শামসুজ্জামান চঞ্চল, জামায়াত নেতা জাহিদুর রহমান নাঈম, জি এম মঈন উদ্দিন, ফুলতলা প্রেস ক্লাবের সভাপতি মো. মোস্তাফিজুর রহমান, প্রবাহের ফুলবাড়ীগেট প্রতিনিধি শেখ বদর উদ্দীন, দিঘলিয়া প্রতিনিধি মো. জাহিদুজ্জামান, মোল্লাহাট প্রতিনিধি শরিফুল ইসলাম দিদার, কালিয়া প্রতিনিধি মোল্লা রাসেল, বটিয়াঘাটা প্রতিনিধি মনিরুজ্জামান শেখ, রূপসা প্রতিনিধি বেনজির হোসেন, মো. নাসিমসহ দৈনিক প্রবাহের খুলনা বিভাগের বিভিন্ন উপজেলার প্রতিনিধিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও পেশাজীবি সংগঠনের নেতৃবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন। উল্লেখ্য, গত রোববার (৯ আগস্ট) দিনগত গভীর রাতে নগরীর ৩ কেডিএ এভিনিউস্থ প্রবাহ ভবনের পঞ্চম তলায় হামলা চালায় সন্ত্রাসী ও মাদক ব্যবসায়ীরা। এ সময় তারা ফয়সাল আহমেদ (৪৯) নামে পত্রিকার একজন স্টাফকে মারধর করে এবং সাংবাদিকদের খুঁজতে থাকে। না পেয়ে অফিসের কাচের দরজাও ভাঙ্গচুরের চেষ্টা করে। এ ঘটনায় দায়েরকৃত মামলায় পুলিশ প্রধান আসামি রফিকুল ইসলামকে মঙ্গলবার গ্রেফতার করে।



