স্থানীয় সংবাদ

খুমেকের সামনে আধুনিক পাবলিক টয়লেট প্রস্তুত : চালু না হওয়ায় ভোগান্তি রোগী-স্বজনের

খুমেক প্রতিনিধি : খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রতিদিন চিকিৎসা নিতে আসেন বিপুলসংখ্যক রোগী ও তাদের স্বজন। ঘণ্টার পর ঘণ্টা হাসপাতালে অবস্থান করলেও প্রয়োজনের সময় ব্যবহার উপযোগী টয়লেট না থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়তে হচ্ছে তাদের। রোগী ও স্বজনদের এই দুর্ভোগ কমাতে হাসপাতালের আউটডোরের সামনে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ২২ মোড়ের উন্নয়ন প্রকল্পের আওতায় নির্মাণ করা হয়েছে আধুনিক পাবলিক টয়লেট। এতে রয়েছে টয়লেটের পাশাপাশি গোসল ও ওজুর সুবিধা। কিন্তু নির্মাণকাজ শেষ হলেও এখনো চালু হয়নি এটি। ভুক্তভোগী রোগীর স্বজন জাহিদ হাসান বলেন, যশোর থেকে বাবাকে চিকিৎসার জন্য খুলনা মেডিকেলে নিয়ে এসেছেন তিনি। হাসপাতালের ভেতরের টয়লেটগুলো অনেক নোংরা ও অপরিচ্ছন্ন, অনেক সময় পানিও থাকে না। বাইরে এসে আধুনিক টয়লেটটি দেখলেও সেটি বন্ধ থাকায় ব্যবহার করতে পারছেন না তারা। দ্রুত টয়লেটটি চালুর দাবি জানান তিনি। আরেক রোগীর স্বজন মো. আনাস হোসেন বলেন, সকাল থেকে ছেলেকে নিয়ে হাসপাতালে অবস্থান করছেন। দীর্ঘ সময় হাসপাতালে থাকায় টয়লেটের প্রয়োজন হলেও ভালো কোনো ব্যবস্থা পাচ্ছেন না তারা। হাসপাতালের সামনের চা বিক্রেতা সুমন বলেন, এই টয়লেটটি চালু হলে রোগী-স্বজনের পাশাপাশি সাধারণ মানুষও উপকৃত হবেন। আশপাশে পর্যাপ্ত পাবলিক টয়লেট না থাকায় অনেকেই হাসপাতালের টয়লেট ব্যবহার করছেন। এতে হাসপাতালের টয়লেটগুলোর ওপরও অতিরিক্ত চাপ পড়ছে। তাই দ্রুত এটি খুলে দেওয়ার দাবি তার। রোগী ও স্বজনদের ভাষ্য, চিকিৎসার জন্য হাসপাতালে এসে ঘণ্টার পর ঘণ্টা অবস্থান করতে হয়। এ সময় ব্যবহার উপযোগী একটি টয়লেটের ব্যবস্থা থাকা অত্যন্ত জরুরি। বিশেষ করে নারী, শিশু, বয়স্ক ও অসুস্থ রোগীদের জন্য বিষয়টি আরও গুরুত্বপূর্ণ। এ বিষয়ে খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সম্পত্তি কর্মকর্তা গাজী সালাহউদ্দিন জানান, পাবলিক টয়লেটটির নির্মাণকাজ শেষ হয়েছে। প্রয়োজনীয় প্রক্রিয়া শেষে টেন্ডারের মাধ্যমে দ্রুত এটি চালু করা হবে।
প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান বলেন, রোগী, স্বজন ও সাধারণ মানুষের সুবিধার কথা বিবেচনা করেই টয়লেটটি নির্মাণ করা হয়েছে। প্রয়োজনীয় আনুষ্ঠানিকতা শেষ করে দ্রুততম সময়ের মধ্যে এটি চালু করা হবে। নির্মাণ শেষ হওয়ার পরও বন্ধ রয়েছে আধুনিক এই পাবলিক টয়লেট। ফলে রোগী, স্বজন ও সাধারণ মানুষের ভোগান্তি থেকেই যাচ্ছে। তাদের দাবি, আর দেরি না করে দ্রুত টয়লেটটি উন্মুক্ত করে দেওয়া হোক।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button