পরিবেশ অধিদপ্তরের বিসিআরএল প্রকল্প’র কর্মশালা অনুষ্টিত

স্টাফ রিপোর্টার : পরিবেশ অধিদপ্তরের বিসিআরএল প্রকল্প’র বাংলাদেশের ঝুঁকিপূর্ণ ভূখ-ে জলবায়ু সহনশীল জীবিকা নির্মাণে ‘আন্তঃখাত পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ অগ্রাধিকার প্রক্রিয়া বিষয়ক উপ-জাতীয় কর্মশালা’ কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালকের কার্যালয় এর সম্মেলন কক্ষে সোমবার (৫ অক্টোবর) সকাল সাড়ে ১০টায় অনুষ্ঠিত হয়।কর্মশালায় সভাপতিত্ব করেন ডিএই খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক মোঃ হাসান ওয়ারিসুল কবির।স্বাগত বক্তব্য উপস্থাপন বিসিআরএল প্রকল্পের উপ-পরিচালক মোঃ মারুফ মোহাইমেন।”আন্তঃখাত পরিকল্পনা এবং বিনিয়োগ অগ্রাধিকার প্রক্রিয়া” বিষয়ে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন। ঢাকা শেরে বাংলা কৃষি বিশ্ববিদ্যালয় কৃষি অর্থ ও ব্যবস্থাপনা বিভাগের অধ্যাপক ডঃ শাহ মোঃ জোহির রায়হান।বিশেষ অতিথি ছিলেন ডিএই খুলনার উপ পরিচালক মো: নজরুল ইসলাম, ড.এম. লোকমান হোসেন মজুমদার, বিসিআরএল প্রকল্প কম্পোনেন্ট ডিরেক্টর (ডিএই),দৌলতপুর এটিআই’র প্রাক্তন অধ্যক্ষ এস এম ফেরদৌস।কর্মশালার সঞ্চলনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিসিআরএল প্রকল্পের জলাবায়ু পরিবর্তন অভিযোজন সমন্বয়কারী মোঃ রফিকুল ইসলাম।এ সময় আরো উপস্থিত ছিলেন ও আলোচনা করেন পরিবেশ অধিদপ্তরের বিসিআরএল প্রকল্পের খুলনা অঞ্চলের সমন্বয়কারী মোঃ আশরাফুল আলম,পার্টনার প্রকল্পের খুলনা অঞ্চলের সিনিয়র মনিটরিং কর্মকর্তা মোঃ মোসাদ্দেক হোসেনসহ বিভিন্ন উপজেলা কৃষি অফিসারগন,ব্যাংক কর্মকর্তা,কৃষি বিভাগের বিভিন্ন প্রকল্পের কর্মকর্তাগন,বিভিন্ন উপজেলার কৃষক কৃষানীগন।
আলোচনায় বক্তরা বলেন, কৃষকদের বিভিন্ন উপজেলার স্কুলগুলো যেখানে বিসিআরএল এর প্রকল্পের কাজ চলমান রয়েছে যে সকল কৃষক স্কুলগুলোর সঠিক সময়ে বীজ ও সারসহ সকল উপকরণ পৌঁছে দেয়া হয়। তাহলে কৃষকরা ফসল উৎপাদনে আরো উৎসাহিত হবে। কৃষকদের কৃষি ব্যাংকগুলো ঋণ দিচ্ছে না,ঋণ গুলো চলে যাচ্ছে অন্য জায়গায়। উপজেলা কৃষি অফিসারগন বলেন তরমুজ ফসলে ব্যাপক পোকা মাকরে আক্রমণ কওে থাকে তাই কৃষকরা এতে বিভিন্ন ধরনের কীটনাশক ব্যবহার করে থাকেন।আমরা যদি জৈব বালাই নাশক পেস্টিসাইড দিতে পারি তাহলে আমরা হাইজেনিক মুক্ত তরমুজ খেতে পারবো। আর উঠে এসেছেন তিনটি উপজেলার সাথে কয়রা ও দাকোপ উপজেলা একটি দুর্গমাঞ্চল, এখানে বিসিআরএল প্রকল্পের আওতায় আনা হলে কৃষকরা উপকৃত হবেন এবং প্রকল্পের উদ্দেশ্য সফল হবে। মার্কেটিং ব্যবস্থাকে আরও গুরুত্ব দিতে হবে,কৃষক তাদের ফসল গুলো উৎপাদন করে সেগুলো যাতে বাজারে ভাল মূল্য পায় সে ব্যবস্থা করতে হবে। অন্য একটি বিষয় উঠে এসেছে কৃষকদের যখন প্রকল্প চলমান থাকে তাদেরকে বীজ ও সারসহ সকল উপকরন দেয়া হলে তারা সেটাকে উৎপাদন করতে উৎসাহিত হয়। তবে প্রকল্প শেষ হয়ে গেলে কৃষকরা আর ওই ফসলের উপরে আগ্রহ থাকে না। আমাদের এটিও মনিটরিং করতে হবে,যে অঞ্চলে বিভিন্ন প্রকল্প দীর্ঘদিন কাজ করে শেষ হয়ে গেলেও কৃষকরা যাতে ওই ফসলটি উৎপাদন ধরে রাখতে পারে সেদিকেও কৃষি অফিসারদের নজর রাখতে আহবান জানানো হয়।



