নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়ায় চলমান মশক নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে মঞ্জু

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনা সিটি কর্পোরেশন থেকে নগরীর ড্রেন, নালা, পুকুর ও ঝোপঝাড়সমূহ পরিচ্ছন্ন করা হচ্ছে। পাশাপাশি জনগণকে সচেতন করছি তারা যেন নিজ নিজ বাড়ির আঙ্গিনা পরিচ্ছন্ন রাখেন। স্কুল, কলেজ মসজিদ, মাদরাসা, সরকারি-আধাসরকারি ও স্বায়ত্বশাসিত অফিস, ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের সকলকে এই চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় কেসিসি’র পাশে থাকতে হবে। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু শনিবার সকালে নগরীর দক্ষিণ টুটপাড়ায় চলমান মশক নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শনকালে গণমাধ্যমকর্মীসহ উপস্থিত জনসাধারণের সাথে মতবিনিময়কালে এ কথা বলেন। ডেঙ্গুর সংক্রমণ নিয়ন্ত্রণে প্রধানমন্ত্রীর তিন মাসব্যাপী পরিচ্ছন্নতা কর্মসূচির অংশ হিসেবে ধারাবাহিকভাবে তিনি নগরীর বিভিন্ন ওয়ার্ড এলাকা পরিদর্শন করছেন। ডেঙ্গু সংক্রমণ বিষয়ে বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা কর্তৃক সতর্কতা জারির বিষয় তুলে ধরে প্রশাসক বলেন, বর্তমানে ডেঙ্গু সংক্রমণের হার কিছুটা হ্রাস পেলেও আগামী নভেম্বর মাস পর্যন্ত ডেঙ্গু সংক্রমণ অব্যাহত থাকতে পারে। সে কারণে প্রশাসক বাড়ি, অফিস ও ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের মালিকদের সতর্ক থাকার পরামর্শ দেন।
উল্লেখ্য, কেসিসি নগর জুড়ে নিয়মিত মশক নিয়ন্ত্রণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনার পাশাপাশি হাসপাতালসমূহের চিকিৎসা কার্যক্রম সম্প্রসারণ ও পরিচ্ছন্নতা কার্যক্রম পরিচালনা, প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা প্রদানের জন্য ৯টি মেডিকেল ক্যাম্প স্থাপন, সংক্রমণের তথ্য সংগ্রহ করে সংক্রমণের হার বিবেচনায় নগরীকে রেড, ইয়েলো ও অরেঞ্জ জোনে বিভক্ত করে রেড জোনগুলিতে বিশেষ গুরুত্ব প্রদানসহ পর্যায়ক্রমে সকল ওয়ার্ডে কার্যক্রম বাস্তবায়ন করা হচ্ছে। আগামী দুইমাসও এ কার্যক্রম অব্যাহত রাখা হবে। বাড়ির আঙ্গিনা পরিচ্ছন্ন এবং সকল প্রতিষ্ঠানের নিজ নিজ কার্যালয় নিজ উদ্যোগে পরিচ্ছন্ন করা হলে কেসিসি’র জন্য পরিচ্ছন্ন নগরী গড়ে তোলা অনেক সহজ হবে। প্রশাসক সকাল থেকে নগরীর মতিয়াখালী রোড, দণি টুটপাড়া খ্রিস্টান কলোনি, ৩০ নং ওয়ার্ডস্থ দণি টুটপাড়ার জনকল্যাণ প্রাথমিক বিদ্যালয় সংলগ্ন এলাকা, ৩১ নং ওয়ার্ডের জেভিয়ার পাড়াসহ বিভিন্ন এলাকায় জনসচেতনতা বৃদ্ধির ল্েয রাস্তা ও ড্রেন, পানি নিষ্কাশন ও ড্রেনেজ ব্যবস্থা, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা এবং মশক নিধন কার্যক্রমের অগ্রগতি পরিদর্শন করেন। কেসিসি’র সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: আনিসুর রহমান, বর্জ্য ব্যবস্থাপনা কর্মকর্তা মো: অহিদুজ্জামান খান, ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তা শেখ শফিকুল হাসান দিদার, সমাজসেবক নূর ইসলাম লিটন, এইচ এম আসলাম, সেলিম বড়মিয়া, জি এম মুজিবুর রহমান, মেজবাউল আখতার পিন্টু, ফিরোজ আহমেদ, মামুনুর রহমান, সাখাওয়াত হোসেন, আব্দুর রব সরদার, আলম হাওলাদার, আব্দুল খালেক ব্যাপারী,কামরুল আলম খোকনসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এ সময় উপস্থিত ছিলেন।



