জুলুম ও বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গঠনে রাজপথের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহ্বান -মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান

দৌলতপুর থানা জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশ
স্টাফ রিপোর্টার ঃ আগামী ৩১ অক্টোবর ১১ দলীয় ঐক্যের ঢাকা-খুলনা-কুষ্টিয়া রুটে ঘোষিত ঐতিহাসিক লংমার্চ সফল করে জুলুম ও বৈষম্যমুক্ত নতুন বাংলাদেশ গঠনে রাজপথের লড়াইয়ে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার আহবান জানিয়েছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্মপরিষদ সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান। কর্মসূচির সুষ্ঠু পরিচালনা নিশ্চিত করতে দৌলতপুর থানার ১, ২, ৩ ও যোগীপোল ইউনিয়ন জামায়াতের দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ আহবান জানান। তিনি বলেন, জামায়াতে ইসলামী ক্ষমতা বা ব্যক্তিগত স্বার্থের জন্য রাজনীতি করে না। আমাদের একমাত্র উদ্দেশ্যÑমহান আল্লাহর নির্দেশিত পথে এদেশের মানুষের মুখে হাসি ফুটানো এবং দেশে অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসার মতো মৌলিক অধিকার নিশ্চিত করা। তিনি লংমার্চে খুলনার সর্বস্তরের আপামর জনতা ও দল-মত নির্বিশেষে শরিক হওয়ার আহবান জানান । এ লংমার্চ কেবল কোনো নির্দিষ্ট দলের জন্য নয়, এই লংমার্চ এদেশের ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য।
দৌলতপুর থানা জামায়াতের আমীর মুশাররফ হুসাইন আনসারীর সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি মহিউদ্দিন আলমগীরের পরিচালনায় সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর থানা সহকারী সেক্রেটারি ইসমাইল হোসেন পারভেজ ও মাওলানা হাবিবুর রহমান, কর্মপরিষদ সদস্য ডা. সৈয়দ গোলাম কিবরিয়া, গোলাম মুসা তুহিন, আরিফুল ইসলাম, ফজলে রাব্বি, মোল্লা হুমায়ুন কবির প্রমুখ।
প্রধান অতিথি মহানগরী আমীর বলেন, আজকের বাংলাদেশ এক কঠিন ও ঐতিহাসিক সন্ধিক্ষণে দাঁড়িয়ে আছে। দীর্ঘ সময় ধরে এদেশের জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার, বাকস্বাধীনতা ও মৌলিক মানবাধিকার হরণ করা হয়েছিল। এদেশের আলেম-ওলামা, ছাত্র-জনতা ও বিরোধী মতের নেতাকর্মীদের ওপর যে অন্যায়-জুলুম চালানো হয়েছে, তা ইতিহাসের পাতায় এক কালো অধ্যায় হিসেবে চিহ্নিত হয়ে থাকবে। কিন্তু আমরা বিশ্বাস করি, জুলুম চালিয়ে সাময়িক নিপীড়ন করা সম্ভব হলেও সত্যের বিজয়কে কখনো চেপে রাখা যায় না।
জামায়াতের এই কেন্দ্রীয় নেতা বলেন, ১১ দলীয় ঐক্যের এই লংমার্চের মূল লক্ষ্য হলোÑএদেশে ইনসাফ ও ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠা করা, দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষা করা এবং একটি বৈষম্যহীন, শোষণে মুক্ত স্বাবলম্বী বাংলাদেশ গঠন করা। আমরা এমন একটি সমাজব্যবস্থা দেখতে চাই, যেখানে বিচারবিভাগ হবে সম্পূর্ণ স্বাধীন, দেশের প্রতিটি নাগরিক তার ধর্ম ও মতামত নির্বিশেষে নিরাপদ জীবন যাপন করতে পারবে এবং তরুণ সমাজ মেধাভিত্তিক কর্মসংস্থানের সুযোগ পাবে। অপরদিকে ৩১ অক্টোবর লংমার্চ বাস্তবায়নের লক্ষ্যে দৌলতপুর থানার ৪, ৫ ও ৬ নং ওয়ার্ডের দায়িত্বশীল সমাবেশে প্রধান অতিথি ছিলেন খুলনা মহানগরী জামায়াতের সহকারী সেক্রেটারি এডভোকেট শাহ আলম। দৌলতপুর থানা আমীর মুশাররফ হুসাইন আনসারীর সভাপতিত্বে সমাবেশে অন্যান্যদের মধ্যে বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন দৌলতপুর থানা কর্মপরিষদ সদস্য আব্দুল মান্নাম, হাসানুজ্জামান, রেজাউল কবির, ৬নং ওয়ার্ড আমীর আমিনুল ইসলাম, ৫নং ওয়ার্ড আমীর ইবাদত হোসেন, ৪নং ওয়ার্ড আমীর রেজাউল ইসলাম, খোরশেদ আনোয়ার বিরাজ, এম রহমান, আরাফাত হোসেন মিলন প্রমুখ।



