বটিয়াঘাটায় চালু হয়েছে ই নামজারীর অটোমেশন কার্যক্রম

# এই প্রথম এসিল্যান্ড ও কানুনগোর ভিন্নধর্মী সেবায় প্রশংসা কুড়িয়ে চলেছে বটিয়াঘাটা ভূমি অফিস #
মনিরুজ্জামান বটিয়াঘাটা থেকে ঃ দালাল বাটপারদের মাথায় বাড়ি ই-নাম জারিচালু হলে। এই প্রতিপাদকে সামনে রেখে বাটিয়াঘাটা উপজেলায় গত কয়েক বছর আগে শুরু হয়েছে ই নামজারীর অটোমেশন কার্যক্রম।এই উপজেলার সাতটা ইউনিয়নে ২লক্ষ৩৯ হাজার লোকের বসবাস ১২৯টি মৌজায় ২২ হাজার হেক্টর জমির নদীমাতৃক কোলাহলমুক্ত বটিয়াঘাটা উপজেলা বেষ্টিত। সাতটি ইউনিয়নে ৩টি ইউনিয়ন ভূমি অফিস তার মধ্যে খুলনা শহরের প্রতিবেশী ইউনিয়ন জলমা এখানে দেশের বিভিন্ন অঞ্চলের চাকরিজীবীরা শহরতলির পাশে একটু ঠাই গুজার জন্য জমি ক্রয় করে থাকেন। তারই ধারাবাহিকতায় জমির মূল্য বেড়ে যাওয়ায় একটি জমি প্রায় ২৯ থেকে ৩৫ বার হাত বদল হয়ে থাকে। সদ্য এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সহকারি কমিশনার ভূমি মোঃ ফাজলে রাব্বি সদ্যযোগদান করেছেন, তার এই যোগদানে এবং তার উপর সেবা গ্রহীতারা ধন্যবাদ জানাচ্ছেন বলে একাধিক সূত্রে জানা যাচ্ছে। একাধিক সেবা গ্রহীতারা জানান বিগত বছরের মধ্যে বর্তমান সরকারি কমিশনার ভূমি মোঃ ফজলে রাব্বি সেবা গ্রহীতাদেরকে কাজের বিভিন্ন বিষয় জিজ্ঞাসাবাদ করে নামজারি ৫০ধারা, ২৩ধারা,খতিয়ান সংশোধন সহ একাধিক কাজের খোঁজখবর নিয়ে সুন্দরভাবে সেবা প্রদান করছেন যা বিগত দিনের চেয়ে অপ্রতুল।অন্যদিকে কানন গো মোঃ রিয়াজ মাহমুদ সদ্য যোগদান করেছেন,একাধিক সেবা গ্রহী তারা জানান,কাননগো স্বচ্ছ তার সাথে রিপোর্ট প্রদান করছেন যা বিগত দিনের চেয়ে অতুলনীয়।আবার সার্ভেয়ার মোঃ মাহাতাব হোসেন যোগদান করারপর অদ্যবধি এমপিকেচ সহ বিভিন্ন কেসের তদন্ত সরা জমিনে গিয়ে সঠিক তদন্ত করে প্রতিবেদন করছেন বলেএকাধিক,চায়ের দোকান রেস্টুরেন্ট সহ বিভিন্ন মোড়ে শোনা যাচ্ছে বলে জানা যায়।এদিকে জমা ইউনিয়নের তওসিলদার মোঃ কামরুজ্জামান, ও সহকারি তওসিলদার সুজন বিশ্বাস, এবং সুরখালি তওসিলদার মোঃ জাকির হোসেন,সঠিক সময়ে রিপোর্ট প্রধান করছেন বলেও জানা যায়।এ ব্যাপারে বটিয়াঘাটা সদ্য যোগদান কৃত সহকারি কমিশনার ভূমি এর কাছে জানতে চাইলে উনি প্রতিবেদককে জানান আমি নতুন যোগদান করেছি।আমি এই কর্মস্থলে থাকাকালীন কোন দালালদের ঠাঁই হবে না যার কেস তাকেই করতে হবে যদি কোন ব্যক্তি অনৈতিক সুযোগ গ্রহণ করতে চায় তাহলে আইনের সর্বোচ্চ বিধান তার জন্য প্রয়োগ করা হবে।ঊনি আরো জানান আমার অফিসের কোন কর্মকর্তা যদি টাকা পয়সা লেনদেনের কোন বিষয়জানতে পারেন আমাকে জানাবেন আমি তাক্ষণিক ব্যবস্থা গ্রহণ করব।এ ব্যাপারে কানুনগোর কাছে জানতে চাইলে উনি বলেন ষুষ দেওয়া এবং নেওয়া দুটোইসমান অপরাধ এ বিষয়টাকে ঘৃণা করি সততার তার সাথে কাজ করতে চাই কোন ব্যক্তি যদি অনৈতিক কোনো সুযোগ গ্রহণ করতে চায় উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে আমি সাথে সাথে বিষয়টা অবগত করব।মোঃ মাহতাব হোসেন বলেন মাঠ পর্যায় সততার সাথে কাজ করছি আল্লাহ পাক যেন সততা নিয়েই জীবনধারণ করান।


