জনতার প্রতিরোধে দুই ডাকাত নিহত : ৪ গুলিবিদ্ধ

# ২জন এলাকাবাসীসহ ৫ ডাকাতের অবস্থা আশঙ্কাজনক #
# শরীয়তপুরে শুক্রবার রাতে ডাকাতদের নদীপথেই ঘিরে ফেলে এলাকাবাসী #
প্রবাহ রিপোর্ট ঃ দেশজুড়ে, চুরি, ডাকাতি, ছিনতাই এতটাই বৃদ্ধি পেয়েছে যে, মানুষ তার সহ্যের সীমা অতিক্রম করে প্রতিরোধ গড়ে তুলছে পাড়ায় মহল্লায়। ডাকাতদের ঘিরে ফেলায় শরীয়তপুরের আঙ্গারিয়া এলাকায় ডাকাত দলের ছোড়া এলোপাতাড়ি গুলিতে চারজন গুলিবিদ্ধ হয়েছেন। আশঙ্কাজনক অবস্থায় তাদের মধ্যে দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা পাঠানো হয়েছে। ডাকাতরা পালিয়ে যাওয়ার সময় তাদের ধরে গণপিটুনি দিয়েছেন স্থানীয়রা। এতে দুজন নিহত এবং পাঁচজন আহত হয়েছেন। শুক্রবার রাত ৯টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। ৫ ডাকাতের অবস্থা আশঙ্কাজনক। গুলিবিদ্ধরা হলেন- পিরোজপুরের ভা-ারিয়া উপজেলার জয়নাল মিয়ার ছেলে ও বাল্কহেড শ্রমিক মাসুম মিয়া, নাজিরপুর উপজেলার কালিকাঠী এলাকার আনিস ফকিরের ছেলে ও বাল্কহেড শ্রমিক আলামিন (১৯ ও শরীয়তপুরের পালং থানার ডোমসার মোল্লা কান্দি এলাকার দলিল উদ্দিনের ছেলে তোতা মিয়া (৩৫)। আরেকজনের নাম জানা যায়নি। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রাতে একটি স্পিডবোটে করে একদল ডাকাত আঙ্গারিয়া এলাকায় প্রবেশ করে। স্থানীয়রা বিষয়টি বুঝতে পেরে তাদের প্রতিহত করার চেষ্টা করলে ডাকাতরা এলোপাতাড়ি গুলি ছোড়ে। এতে তিনজন গুলিবিদ্ধ হন। ডাকাতির খবর চারদিকে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়রা সতর্ক হয়ে যান। পালানোর সময় ডাকাতরা রামগঞ্জ এলাকা দিয়ে নদীপথে বের হওয়ার চেষ্টা করে। তবে স্থানীয়রা বাল্কহেড দিয়ে নদীপথ আটকে দেয়। বাধা পেয়ে ডাকাতরা স্পিডবোট তীরে রেখে পালানোর চেষ্টা করলে জনতা তাদের ধাওয়া করে সাত জনকে ধরে ফেলে এবং গণধোলাই দেয়।
ঘটনার পর আহতদের দ্রুত শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে নেওয়া হয়। সেখানে প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়ার পর গুরুতর আহত দুজনকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়।
পালং মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) হেলাল উদ্দিন বলেন, ‘ডাকাতদলের দুই জন নিহত হয়েছে বলে জেনেছি। এছাড়া তাদের পাঁচ সদস্যকে স্থানীয়দের সহায়তায় আটক করা হয়েছে। তারা বর্তমানে শরীয়তপুর সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন। এ ঘটনায় স্থানীয়রাও আহত হয়েছেন। প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।’



