খালেদা জিয়ার জন্য প্রস্তুত এয়ার অ্যাম্বুলেন্স : অবস্থা বুঝে ব্যবস্থা

লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের
বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ হাসপাতালে
অবস্থা বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয় : মির্জা ফখরুল
প্রবাহ রিপোর্ট : বিএনপি চেয়ারপারসন বেগম খালেদা জিয়াকে বিদেশে চিকিৎসার জন্য নিয়ে যেতে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সসহ সব ধরনের প্রস্তুতি সম্পন্ন হয়েছে বলে জানিয়েছেন দলটির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খান। তিনি বলেন, বিদেশে নেয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় এলে তবেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে। শনিবার (২৯ নভেম্বর) দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ কথা জানান।
আযম খান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। দেশের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে আগেই যোগাযোগ করা হয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও প্রস্তুত রয়েছে।’
দীর্ঘদিনের জটিলতা, ফুসফুসে সংক্রমণ ও হৃদযন্ত্রের নতুন সমস্যায় আক্রান্ত প্রায় ৮০ বছর বয়সী বেগম খালেদা জিয়া ২৩ নভেম্বর পুনরায় হাসপাতালে ভর্তি হন। মেডিকেল বোর্ডের অধীনে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞরা তাকে সিসিইউতে ধারাবাহিক পর্যবেক্ষণে চিকিৎসা দিচ্ছেন।
তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর খোঁজ নিতে প্রতিদিনই বিএনপি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা হাসপাতালে আসছেন।
শনিবার সকালে তাকে দেখতে আসেন বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন আলম। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। পরে যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন জানান, ‘বেগম জিয়ার অবস্থা এখনো অপরিবর্তিত। তার চিকিৎসা ও বিদেশ নেয়া সব সিদ্ধান্ত নেবে মেডিকেল বোর্ড।’
এদিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল বেগম জিয়াকে দেখতে যান। প্রতিনিধি দলের সদস্য ডা. তাসনিম জারা জানান, ‘অবস্থা সংকটাপন্ন হলেও বেগম খালেদা জিয়া সজাগ ও সজ্ঞান আছেন, চিকিৎসকদের নির্দেশনা বুঝতে পারছেন।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বর্তমান শারীরিক অবস্থায় তাকে বিদেশে নেয়া সম্ভব নয়। ডাক্তাররা আশা দেখাতে পারছেন না, দেশবাসীকে দোয়া করতে বলেছেন।’
বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তার রোগমুক্তি কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। এরআগে গতকাল শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও তার সুস্থতার জন্য বিশেষ আহ্বান জানান এবং চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
তার পরই আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে হাসপাতালে পাঠানো হয় তার অবস্থা সরেজমিনে জানার জন্য।
লন্ডনে নেওয়ার পরিকল্পনা পরিবারের : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার সামান্য উন্নতি হলেই পরিবারের সদস্যরা তাকে লন্ডনে নিয়ে যাওয়ার পরিকল্পনা করছে বলে জানিয়েছেন তারেক রহমানের উপদেষ্টা মাহদী আমিন। শনিবার (২৯ নভেম্বর) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে এ কথা জানান বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যানের এই উপদেষ্টা।
মাহদী আমিন লিখেছেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া বর্তমানে রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি থাকলেও তার চিকিৎসা পরিচালিত হচ্ছে দেশি-বিদেশি বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকদের সমন্বয়ে। লন্ডন থেকে সার্বক্ষণিকভাবে চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ রেখে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন তারেক রহমান ও তার স্ত্রী এবং খালেদা জিয়ার ব্যক্তিগত চিকিৎসক ডা. জুবাইদা রহমান।’
তিনি বলেন, ‘খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় গঠিত মেডিকেল বোর্ডে গুরুত্বপূর্ণ সদস্য হিসেবে ডা. জুবাইদা রহমান দেশ-বিদেশের চিকিৎসকদের সঙ্গে সমন্বয়ের দায়িত্ব পালন করছেন। মায়ের চিকিৎসায় যেন কোনো বিলম্ব বা সীমাবদ্ধতা না থাকে সেজন্য সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে প্রতিটি পদক্ষেপ তদারকি করছেন তারেক রহমান।’
মাহদী আমিন বলেন, ‘হাসপাতালে নেত্রীর শারীরিক অবস্থার খবর নিতে প্রতিদিন বিপুল সংখ্যক নেতাকর্মী ভিড় করলেও ইনফেকশনের ঝুঁকির কারণে কাউকে সিসিইউতে প্রবেশের অনুমতি দেওয়া হচ্ছে না। দূর থেকেই মানুষ ভালোবাসা ও উদ্বেগ প্রকাশ করছেন।’
তিনি আরও লিখেছেন, ‘খালেদা জিয়ার কিছুটা শারীরিক উন্নতি হলে তাকে লন্ডনে নেওয়ার প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। এরই মধ্যে লন্ডনের সেই হাসপাতাল ও চিকিৎসকদের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়েছে, যাদের তত্ত্বাবধানে চলতি বছরের শুরুতে চার মাস চিকিৎসা নিয়ে খালেদা জিয়া উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নতি লাভ করেছিলেন। পাশাপাশি একটি সর্বাধুনিক প্রযুক্তিসজ্জিত বিশেষ এয়ার অ্যাম্বুলেন্সের ব্যবস্থার উদ্যোগও চলছে।’
তিনি আশা প্রকাশ করে বলেন, ‘দেশবাসীর দোয়া ও ভালোবাসায় বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার দ্রুত উন্নতি হবে। আধুনিক চিকিৎসা শেষে তিনি আবারও দেশের মানুষকে অনুপ্রাণিত করবেন, নেতৃত্ব দেবেন এবং জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করার ভূমিকা রাখবেন।’
এর আগে দুপুরে এভারকেয়ার হাসপাতালের সামনে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আযম খানব বলেন, বেগম খালেদা জিয়া সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। দেশের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালে আগেই যোগাযোগ করা হয়েছে। এয়ার অ্যাম্বুলেন্সও ংঃধহফনু রয়েছে। বিদেশে নেয়ার মতো শারীরিক অবস্থায় এলে তবেই সিদ্ধান্ত বাস্তবায়ন করা হবে।
তিনবারের সাবেক এই প্রধানমন্ত্রীর খোঁজ নিতে প্রতিদিনই বিএনপি এবং অন্যান্য রাজনৈতিক দলের নেতারা হাসপাতালে আসছেন।
শনিবার সকালে তাকে দেখতে আসেন বিএনপি নেতা নাজিমুদ্দিন আলম। হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে তিনি দেশবাসীর কাছে দোয়া চান। পরে যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন জানান, ‘বেগম জিয়ার অবস্থা এখনো অপরিবর্তিত। তার চিকিৎসা ও বিদেশ নেয়া সব সিদ্ধান্ত নেবে মেডিকেল বোর্ড।’
এদিন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) তিন সদস্যের প্রতিনিধি দল বেগম জিয়াকে দেখতে যান। প্রতিনিধি দলের সদস্য ডা. তাসনিম জারা জানান, ‘অবস্থা সংকটাপন্ন হলেও বেগম খালেদা জিয়া সজাগ ও সজ্ঞান আছেন, চিকিৎসকদের নির্দেশনা বুঝতে পারছেন।’
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না বলেন, ‘বর্তমান শারীরিক অবস্থায় তাকে বিদেশে নেয়া সম্ভব নয়। ডাক্তাররা আশা দেখাতে পারছেন না, দেশবাসীকে দোয়া করতে বলেছেন।’
বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার অবনতি হওয়ায় রাষ্ট্রপতি মোহাম্মদ সাহাবুদ্দিন গভীর উদ্বেগ প্রকাশ করে তার রোগমুক্তি কামনায় দেশবাসীর কাছে দোয়া চেয়েছেন। এরআগে গতকাল শুক্রবার প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসও তার সুস্থতার জন্য বিশেষ আহ্বান জানান এবং চিকিৎসায় প্রয়োজনীয় সব সহায়তা নিশ্চিত করার নির্দেশ দেন।
তার পরই আইন উপদেষ্টা আসিফ নজরুল ও বিশেষ সহকারী মনির হায়দারকে হাসপাতালে পাঠানো হয় তার অবস্থা সরেজমিনে জানার জন্য।
দেখতে হাসপাতালে বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ : বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতৃবৃন্দ বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজখবর নিতে এভারকেয়ার হাসপাতালে গিয়ে তাঁকে দেখে আসছেন। ফজরের নামাজের পর সকাল ৭টার দিকে বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের আমীর মাওলানা মুহাম্মদ মামুনুল হক হাসপাতালে গিয়ে খালেদা জিয়ার শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেন। সকাল প্রায় ৮টা ৪৫ মিনিটে হেফাজতে ইসলামের যুগ্ম মহাসচিব জুনায়েদ আল হাবিব কয়েকজন নেতা-কর্মীকে সঙ্গে নিয়ে তাঁকে দেখতে যান।
পরবর্তীতে সকাল ১০টার দিকে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সিনিয়র যুগ্ম-মহাসচিব তাসনিম জারা, দলের দক্ষিণাঞ্চলের প্রধান সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহ এবং চিফ কো-অর্ডিনেটর নাসিরউদ্দিন পাটওয়ারী এভারকেয়ার হাসপাতালে যান।
নাগরিক ঐক্যের সভাপতি মাহমুদুর রহমান মান্না এবং বাংলাদেশ আম জনগণ পার্টির মেম্বার সেক্রেটারি তারেক রহমানও বেগম জিয়াকে দেখতে যান।
বিএনপির জ্যেষ্ঠ নেতারাও তাঁকে দেখতে গেছেন। দলের যুগ্ম মহাসচিব খায়রুল কবির খোকন, ভাইস চেয়ারম্যান এডভোকেট আহমেদ আজম খান এবং যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না এবং দলীয় বহু তৃণমূল কর্মী-সমর্থকও হাসপাতালে গিয়ে তাঁর খোঁজ নেন।
হাসপাতাল থেকে বের হয়ে সাংবাদিকদের সঙ্গে কথা বলেন খায়রুল কবির খোকন। তিনি বলেন, ‘তারেক রহমান যে কোনো সময় দেশে ফিরতে পারেন মায়ের পাশে থাকার জন্য। খালেদা জিয়াকে সিসিইউ থেকে অপারেশন থিয়েটার এলাকায় নেয়া হয়েছে আরও কিছু পরীক্ষা-নিরীক্ষার জন্য।”
বিএনপির ভাইস চেয়ারম্যান আহমেদ আজম খান বলেন, ‘বেগম খালেদা জিয়া সিসিইউতে নিবিড় পর্যবেক্ষণে আছেন। দেশের বাইরে বিভিন্ন হাসপাতালের সঙ্গে যোগাযোগ চলছে, একটি এয়ার অ্যাম্বুলেন্স প্রস্তুত রাখা হয়েছে। তার শারীরিক অবস্থা যাত্রার উপযোগী হলেই তাকে বিদেশে নেয়া হবে।’
যুবদল সভাপতি আব্দুল মোনায়েম মুন্না দলের নেতাকর্মীদের হাসপাতালে অযথা ভিড় না করার অনুরোধ জানান। তিনি বলেন, ‘চিকিৎসকরা সার্বক্ষণিকভাবে খালেদা জিয়াকে পর্যবেক্ষণ করছেন। সমগ্র বাংলাদেশের মানুষ তাকে ভালোবাসে। আমি মহান আল্লাহর কাছে তাঁর দ্রুত আরোগ্য কামনা করি।’
এর আগে ২৩ নভেম্বর শ্বাসকষ্ট নিয়ে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভর্তি হন খালেদা জিয়া। ফুসফুসের সংক্রমণজনিত জটিলতায় তার শ্বাস-প্রশ্বাসে সমস্যা দেখা দেয়, যা পরবর্তীতে নিউমোনিয়ায় রূপ নেয়।
তাঁর দীর্ঘদিনের আরও অনেক শারীরিক জটিলতা রয়েছে- যেমন কিডনি ও লিভারের সমস্যা, আর্থ্রাইটিস এবং ডায়াবেটিস। যা চিকিৎসাকে আরও কঠিন করে তুলেছে। কারণ একটি রোগের চিকিৎসা করতে গেলে অন্যটির অবনতি হওয়ার ঝুঁকি থাকে।
খালেদা জিয়ার অবস্থা বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয়, মির্জা ফখরুল : বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়া বেশ কয়েকদিন ধরে অসুস্থ অবস্থায় রাজধানীর এভারকেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। তার শারীরিক অবস্থা এখনো সংকটাপন্ন এবং বিদেশে নেয়ার মতো স্থিতিশীল নয় বলে জানিয়েছেন বিএনপি মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। শনিবার (২৯ নভেম্বর) রাজধানীর গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, খালেদা জিয়ার চিকিৎসায় দেশি–বিদেশি বিশেষজ্ঞদের সমন্বয়ে যে মেডিকেল বোর্ড কাজ করছে, তারা শুক্রবার রাতে দুই থেকে আড়াই ঘণ্টা ধরে সভা করেছেন।
সেখানে সকল চিকিৎসকই বর্তমান অবস্থা, ঝুঁকি এবং সম্ভাব্য চিকিৎসা প্রক্রিয়া নিয়ে মতামত দেন।
মির্জা ফখরুল বলেন, ম্যাডামের শারীরিক অবস্থা আপাতত বিদেশে নেওয়ার মতো স্থিতিশীল নয়। তবে প্রয়োজনীয় দেশগুলোর সঙ্গে ভিসা, এয়ার অ্যাম্বুলেন্সসহ সব রকম যোগাযোগ রাখা হয়েছে। তিনি ফ্লাই করার মতো অবস্থায় এলে বিদেশ নেওয়ার সিদ্ধান্ত হবে।
সংবাদ সম্মেলনে তিনি আরও জানান, হাসপাতালে নেতাকর্মীসহ বহু মানুষের ভিড়ের কারণে হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিব্রত হচ্ছে এবং এতে ম্যাডামসহ অন্যান্য রোগীর চিকিৎসা কার্যক্রমে বিঘœ ঘটছে।
মহাসচিব অনুরোধ করে বলেন, অনুগ্রহ করে এভারকেয়ার হাসপাতালে ভিড় করবেন না। সময়মতো আমরা ম্যাডামের স্বাস্থ্য সম্পর্কে আনুষ্ঠানিক হেলথ বুলেটিন জানাবো।


