ধর্ষকের বিচার চাই, হিজাব নিয়ে কটাক্ষ নয়”

# ইসলামের বিধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা প্রতিহত করার আহ্বান
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনা জেলা ইমাম পরিষদের প্রচার সম্পাদক মোল্লা মিরাজুল হক বলেছেন, রাজধানী ঢাকায় আলোচিত রামিছা ধর্ষণ ও নৃশংস হত্যাকা-ের ২৪ ঘণ্টা পার হতে না হতেই যশোর বিভাগের ঝিনাইদহে আরেকটি হৃদয়বিদারক ঘটনা পুরো দেশকে নাড়িয়ে দিয়েছে। এক নিষ্পাপ শিশুকে ঘিরে ঘটে যাওয়া এই পৈশাচিক ঘটনার পর জাতি যখন শোক, ক্ষোভ ও আতঙ্কে স্তব্ধ, ঠিক তখনই সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে কিছু ব্যক্তি “মাথায় কাপড়” বা “হিজাব” প্রসঙ্গ টেনে ইসলামের বিধানকে পরোক্ষভাবে প্রশ্নবিদ্ধ করার অপচেষ্টা চালাচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। এক বিবৃতিতে তিনি বলেন, ধর্ষণের মতো জঘন্য অপরাধের বিচার দাবি করা সময়ের জোরালো দাবি। তবে সেই আবেগকে ব্যবহার করে কুরআনের সুস্পষ্ট বিধান “হিজাব”কে কটাক্ষ করা, তুচ্ছতাচ্ছিল্য করা কিংবা এর প্রয়োজনীয়তা নিয়ে প্রশ্ন তোলা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। ধর্মপ্রাণ মুসলমান, আলেম সমাজ ও তৌহিদী জনতা এ ধরনের বক্তব্য কোনো মূল্যে মেনে নেবে না বলেও তিনি উল্লেখ করেন। মোল্লা মিরাজুল হক বলেন, হিজাব কোনো সামাজিক সংস্কৃতি নয়, এটি মহান আল্লাহর নির্দেশিত শরীয়তের বিধান। আল্লাহ তাআলা ইরশাদ করেন, “আর মুমিন নারীদের বলুন, তারা যেন তাদের ওড়না বক্ষদেশে টেনে দেয়…”Ñ সূরা আন-নূর : ৩১। আরেক আয়াতে বলা হয়েছে, > “মুমিন নারীরা যেন নিজেদের ওপর চাদরের অংশ টেনে দেয়…”Ñ সূরা আল-আহযাব : ৫৯
হাদীস শরীফে ইরশাদ করেছেন, “লজ্জাশীলতা ঈমানের অংশ।” তিনি আরও বলেন, হিজাব নারীর সম্মান, মর্যাদা ও শালীনতার প্রতীক। তাই হিজাব নিয়ে বিদ্রƒপ বা পরোক্ষ কটাক্ষ মুসলিম সমাজের ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত হানে। তবে একইসঙ্গে ইসলাম কখনোই নারীর পোশাক বা হিজাবকে ধর্ষণের অজুহাত হিসেবে সমর্থন করে না; অপরাধের দায় সম্পূর্ণ অপরাধীর। বিবৃতিতে তিনি দ্রুত ও দৃষ্টান্তমূলক বিচার, শিশু নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ, সামাজিক নৈতিকতা ও দ্বীনি মূল্যবোধ জাগ্রত করা এবং ইসলামের বিধান নিয়ে বিভ্রান্তিকর প্রচারণা বন্ধের আহ্বান জানান। শেষে তিনি বলেন, মুসলিম সমাজ ঐক্যবদ্ধভাবে হিজাব নিয়ে কটাক্ষ ও ইসলামের বিধানকে প্রশ্নবিদ্ধ করার সব অপচেষ্টার বিরুদ্ধে সচেতন ও সোচ্চার থাকবে, ইনশাআল্লাহ।



