ধর্ষণের পর শিশুকে হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ ময়মনসিংহ জেলার সীমান্তবর্তী ধোবাউড়া উপজেলায় নিসা মনি নামে পাঁচ বছরের একটি শিশুকে ধর্ষণের পর হত্যা করে লাশ নদীতে ভাসিয়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় উপজেলার গোয়াতলা ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ডের টাঙ্গাটি মধ্যপাড়ায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। সোমবার (১৫ জুন) বিকেলে ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে লাশের ময়নাতদন্ত সম্পন্ন হয়েছে। এর আগে রোববার বিকেলে নিসা মনি নিখোঁজ হয়। এরপর সন্ধ্যায় বাড়ির পাশে কংশ নদে তার লাশ ভাসতে দেখে স্থানীয়রা উদ্ধার করেন বলে জানান গোয়াতলা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সদস্য আরজ আলী। তিনি বলেন, শিশুটির শরীরে ধর্ষণের এবং আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। নিসা মনি ওই গ্রামের রাজু ওরফে লাক মিয়ার মেয়ে। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, লাশ উদ্ধারের পর বাড়িতে গোসল করানোর সময় শিশুর শরীরে নির্যাতনের চিহ্ন ও যৌনাঙ্গে রক্ষক্ষরণ দেখতে পেয়ে স্বজনরা থানায় খবর দেন। পরে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে লাশ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ময়মনসিংহ মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে পাঠায়। স্বজনদের ভাষ্য, ধর্ষণের পর হত্যা করে শিশুটিকে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়। পরে লাশ উদ্ধারের পর রাতেই গোসল করানোর সময় তারা শিশুটির শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পান। বিশেষ করে যৌনাঙ্গে রক্তক্ষরণের আলামত লক্ষ্য করা যায়। এতে তাদের সন্দেহ হয় যে শিশুটিকে নির্যাতনের পর হত্যা করে নদীতে ভাসিয়ে দেওয়া হয়েছিল। পরে বিষয়টি পুলিশকে জানানো হয়। এ ঘটনায় দুই যুবককে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য আটক করা হয়েছে। ধোবাউড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সাইফুল ইসলাম বলেন, শিশুটির শরীরে কিছু আলামত পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে দেখে ধর্ষণ ও নির্যাতন করা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। তবে ময়নাতদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার পর প্রকৃত কারণ নিশ্চিত হওয়া যাবে। তিনি আরও বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ব্যাপারে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।



