মাদক রোধে বিমান, নৌবন্দর ও বাস টার্মিনালে বসছে স্ক্যানার ও এক্সরে মেশিন

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে আগামী ৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে বিমানবন্দর, নৌবন্দর (মোংলা) ও বাস টার্মিনালে স্ক্যানার ও এক্সরে মেশিন স্থাপন করা হবে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ। বৃহস্পতিবার (১০ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদের অধিবেশনে প্রশ্নোত্তর পর্বে সংসদ সদস্য মো. তাজউদ্দীন খানের এক প্রশ্নের উত্তরে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রী এ কথা জানান। বৃহস্পতিবারের প্রশ্ন উত্তর টেবিলে উপস্থাপিত হয়। এ সময় ডেপুটি স্পিকার ব্যারিস্টার কায়সার কামাল অধিবেশনে সভাপতিত্ব করেন। প্রশ্নে মো. তাজউদ্দীন খান জানতে চান, মেহেরপুর-১ এর সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জনবল বৃদ্ধি, নতুন যানবাহন ও প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম সরবরাহের কোনো পরিকল্পনা বর্তমান সরকারের আছে কিনা, থাকলে, চলতি অর্থবছরে তা বাস্তবায়ন করা হবে কিনা? জবাবে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরকে শক্তিশালী করার লক্ষ্যে জনবল বৃদ্ধির পরিকল্পনা রয়েছে। ইতোমধ্যে, উপজেলা পর্যায়ে সার্কেল স্থাপনের লক্ষ্যে সাংগঠনিক কাঠামো পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে এবং জেলা পর্যায়ে অফিস ভবন নির্মাণের কার্যক্রম প্রক্রিয়াধীন। চলমান ২০২৬-২৭ অর্থ বছরে মাদকবিরোধী অভিযান জোরদার করতে অতিরিক্ত যানবাহন, বডি ওর্ন ক্যামেরা ও আধুনিক সরঞ্জাম ক্রয় করা হবে। সারাদেশে রাসায়নিক পরীক্ষাগার স্থাপনের কাজ দ্রুত শুরু করা হবে। অবৈধ অস্ত্র উদ্ধার ও মাদক চোরাকারবারিদের বিরুদ্ধে মানিলন্ডারিং অভিযান জোরদার করা হবে। তিনি আরও বলেন, আগামী ৫ বছরের দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার অংশ হিসেবে সারাদেশর বিমানবন্দরসমূহ, নৌবন্দর (মোংলা) ও বাস টার্মিনালে স্ক্যানার ও এক্স-রে মেশিন স্থাপন করা হবে। ডগ স্কোয়াড, ডিজিটাল ফরেনসিক ল্যাব ও সাইবার সিকিউরিটি ইউনিটের মাধ্যমে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে মাদক ও অস্ত্র চোরাচালান বন্ধ করা যাবে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, উল্লিখিত পদক্ষেপসমূহ বাস্তবায়ন হলে নির্বাচনি এলাকা ৭৩, মেহেরপুর-০১ এর সীমান্তবর্তী এলাকায় মাদক চোরাচালান প্রতিরোধে মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের জনবল, নতুন যানবাহন ও প্রয়োজনীয় আধুনিক সরঞ্জাম আনুপাতিক হারে বৃদ্ধি পাবে।



