একই হারে পে স্কেল পেতে যাচ্ছেন এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ এমপিওভুক্ত শিক্ষকরাও একই পে স্কেল পাবেন বলে জানিয়েছেন প্রাথমিক ও গণশিক্ষামন্ত্রী ড. আ ন ম এহছানুল হক মিলন। রোববার (৮ নভেম্বর) বিসিএস শিক্ষা ক্যাডারের কর্মকর্তাদের ওরিয়েন্টেশন প্রশিক্ষণ কোর্সের সমাপনী ও সনদ বিতরণ অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আমরা এ বছর সর্বাধিক বাজেট পেয়েছি এবং আমরা সবাই এবার নতুন পে স্কেল পেয়েছি। আমাদের এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা যে জায়গাটিতে খানিকটা দুর্বলতায় ছিলেন, তা দূর করে সকলে মিলেই একই পে স্কেল পেতে যাচ্ছে। শিক্ষার সার্বিক উন্নয়নের জন্য আমরা সকলে মিলে কাজ করব। এমপিওভুক্ত শিক্ষকরা কিছু দিনের মধ্যেই পে স্কেল পেতে যাচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, আগামী দিনের শিক্ষা ব্যবস্থা একটি বৈশ্বিক চ্যালেঞ্জ। এই চ্যালেঞ্জ আমাদের মোকাবিলা করতে হবে। আমরা কিন্তু গ্লোবাল ভিলেজে বাস করছি। প্রতিনিয়ত আমাদের আন্তর্জাতিকভাবে প্রতিযোগিতা করতে হচ্ছে। আপনারা দেখেছেন, ইতিমধ্যে বিশ্বের শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীর যে তালিকা স্ট্যানফোর্ড ইউনিভার্সিটি ও ক্যালিফোর্নিয়া থেকে প্রকাশিত হয়েছে, সেখানে বাংলাদেশ থেকে ৩৪৭ জন স্থান পেয়েছেন। এখানে এই শীর্ষ ২ শতাংশ বিজ্ঞানীদের নিয়ে আমরা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে একটি প্রোগ্রামের কথা চিন্তা করছি। সেই ক্ষেত্রে যাদের লেখার ওপর, যাদের গবেষণার ওপর, যাদের রিসার্চ পেপারের ওপরÑঅর্থাৎ ওপেন সোর্সের যে সমস্ত চ্যানেল রয়েছে, সেখানে যারা লিখেছেনÑতাদের নিয়ে আমরা কাজ করতে চাই। একই সঙ্গে দুর্ভাগ্যজনকভাবে আবার একটি বিশেষ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাম উচ্চারণ করছি না, তারা এগুলো অনেকটা কী বলে, প্লেজিয়ারিজমও করেছে। আমরা সেই ধরনের কিছু চাই না। শিক্ষামন্ত্রী বলেন, আপনারা সকলেই গবেষণা করবেন, এটা আমি চাই। আমি চাই, আপনারা কিছুদিন শিক্ষকতা করার পরে সবাই গবেষণা করবেন, অর্থাৎ পিএইচডি করবেন। এটা অত্যন্ত জরুরি। তবে এখনই নয়। আপনারা লেকচারারশিপ শেষ করার পরে, যখন প্রফেসর হবেন, তখনই আপনারা ধারাবাহিকভাবে এই প্রক্রিয়ায় প্রবেশ করবেন। কারণ আপনারা সবাই শিক্ষক হবেন। আপনাদের ভবিষ্যৎ অত্যন্ত উজ্জ্বল হবে। আমি খুশি হয়েছি যে নাই থেকে এই আইন প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হয়েছে। এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বাট এটাও বুঝতে হবে, এআইকে মিসইউজ করা যাবে না।



