আাড়ংঘাটায় গাছের আম পাড়াকে কেন্দ্র করে হামলার ঘটনা : অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার : খুলনা মহানগরীর আড়ংঘাটা থানাধীন শলুয়া বাজার ঘোনার দাড়া রোড এলাকায় মঙ্গলবার (১৯ মে) বিকালে গাছের আম পারাকে কেন্দ্র করে হামলা ও মারামারি ঘটনা ঘটেছে। ওই ঘটনায় দৌলতপুর দেয়ানা বাউন্ডারী রোড এলাকার বাসিন্দা মৃত এসএম আমির হোসেন পুত্র সিরাজুল ইসলাম (৬০) বাদী হয়ে (১) মোঃ আমির হোসেন (৫৫) ও (২) মোঃ আনোয়ার হোসেন (৬০)সহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন বিরুদ্ধে সংশ্লিষ্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগে বাদী উল্লেখ করেন, ১নং ও ২নং বিবাদীদ্বয় মিলে তাদের পক্ষের ভাড়াটিয়া লোকসহ অজ্ঞাত ৪/৫ জন বিবাদী মিলে আমাদের অন্পুস্থিততে সম্পত্তির মধ্যে প্রবেশ করে সেখানকার আম গাছে থেকে বিপুল পরিমান আম পেরে নেয়। ওই সংবাদে পেয়ে আমিসহ পরিবারের অন্যান্য সদস্যরা ঘটনাস্থলে যায়। সেখানে পৌছে কেন তারা আমাদের সীমানার মধ্যে প্রবেশ করে বিনা অনুমতিতে আম পেরেছে জানতে চাইলে, বিবাদীরা কোন কথা বার্তা ছাড়াই আমাদের মারধর করতে চলে আসে এবং তাদের হাতে থাকা দেশীয় তৈরি ধারালো অস্ত্রসস্ত্র দিয়ে আমাদের উপর হামলা চালায় এবং শরীরের বিভিন্ন স্থানে নিলা ফোলা ছোলা জখম করে।
এছাড়া ওই সময়ে ১নং বিবাদীর ছেলে এসে আমার বোনের গলায় থাকা স্বর্ণের চেইন এবং হাতে থাকা মোবাইল ফোন ছিনিয়ে নিয়ে তাকে এলোপাতাড়ি ভাবে চড়থাপ্পর মেরে মাটিতে ফেলে দেয়। তখন সেখানে উপস্থিত আশপাশের লোকজন এসে ওই বিবাদী সন্ত্রাসীদের হাত থেকে আমাদের উদ্ধার করে। তাদের আঘাতে আমার ছোট বোন ও বড় ভাই গুরুত্বর জখম হলে তাদের সু-চিকিৎসার জন্য খুমেক হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া হয়। ওই ঘটনার সময় বিবাদীরা সকলের সামনে প্রকাশ্যে আমাদের দেখে নেওয়ার হুমকি প্রদান করে। এছাড়াও বিবাদীগন তাদের ভাড়াটিয়া গুন্ডা দিয়ে আমাদের সম্পত্তিতে থাকা সকল গাছ কেটে ফেলে আমাদের উচ্ছেদ করে ছাড়বে বলে প্রকাশ্যে হুমকি প্রদান করে। উল্লেখ্য, পূর্বেও ওই বিবাদীগন আমাদের সম্পত্তি অবৈধ ভাবে দখল করার জন্য বিভিন্ন পায়তারা চালাচ্ছে এবং প্রতিনিয়ত আমাদের জীবননাশের হুমকি ধামকি দিচ্ছে। ইতোপূর্বে তারা আমার জমিতে থাকা গাছ পালা আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয় এবং একই সাথে আমাদের নামে বিভিন্ন ধরনের মিথ্যা মামলা করে হয়রানি করছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ বিষয়ে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এএসআই বিশ^জিৎ দেবনাথ জানান, হামলা ও মারামারির বিষয়টি বাদী জরুরী পরিসেবা ৯৯৯ মাধ্যমে জানালে ঘটনাস্থলে পুলিশ যায়। পরবর্তীতৈ বাদী সংশ্লিষ্ট থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন। ওই দায়ের করা অভিযোগ হাতে পেয়েছি, তদন্ত প্রক্রিয়া চলমান। তদন্ত পূর্বক দোষীদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে বলে জানান এ পুলিশ কর্মকর্তা।



