ডুমুরিয়া ৯নং সাহস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মোস্তাফিজুরের কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ

# প্রাণনাশের হুমকি, মামলা প্রক্রিয়াধীন #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার ৯নং সাহস ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী, বিশিষ্ট সমাজসেবক ও ব্যবসায়ী মোঃ মোস্তাফিজুর রহমানকে অজ্ঞাত পরিচয়ে ফোন করে চাঁদা দাবি ও বিভিন্ন ধরনের ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) দায়ের করা হয়েছে এবং মামলা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানা গেছে। জিডি সূত্রে জানা যায়, গত ১৯ মে ২০২৬ সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ০১৩৪৯-৪১১৩৬৪ নম্বর থেকে মোস্তাফিজুর রহমানের পিতা মোঃ ইদ্রিস হোসেন শেখের ব্যবহৃত মোবাইল নম্বরে কল করে এক ব্যক্তি নিজেকে র্যাব-৩ এর সদস্য পরিচয় দেন। ওই ব্যক্তি মোস্তাফিজুর রহমানের বিরুদ্ধে বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে দাবি করেন এবং তাকে তুলে নেওয়ার হুমকি দেন। এ সময় পরিবারের সদস্যদেরও ভয়ভীতি প্রদর্শন করা হয় বলে অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে। পরবর্তীতে ২০ মে সকাল ১১টা ২২ মিনিটের দিকে খুলনা শহরের বার্মাশীল রোড এলাকায় অবস্থানকালে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান নিজেই ওই নম্বরে যোগাযোগ করলে অভিযুক্ত ব্যক্তি পুনরায় নিজেকে র্যাব সদস্য পরিচয় দিয়ে চেয়ারম্যান নির্বাচন না করার জন্য চাপ সৃষ্টি করেন। একই সঙ্গে তার পারিবারিক বিষয় নিয়ে নানা ধরনের মন্তব্য করেন এবং কথা না শুনলে এলাকায় গিয়ে তুলে নেওয়ার হুমকি দেন বলে অভিযোগ করা হয়েছে। এ সময় বিভিন্নভাবে চাঁদাও দাবি করা হয় বলে জানা গেছে। ঘটনায় আতঙ্কিত হয়ে মোঃ মোস্তাফিজুর রহমান খুলনা সদর থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি করেন। যার জিডি নং-১৬২০ এবং ট্র্যাকিং নং-গ০৯ঔডখ। এ বিষয়ে খুলনা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ শফিকুল ইসলাম, বিপিএম প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের নির্দেশ দিয়েছেন। মোস্তাফিজুর রহমান দাবি করেন, আসন্ন ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনকে কেন্দ্র করে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার জনপ্রিয়তায় ঈর্ষান্বিত হয়ে পরিকল্পিতভাবে তাকে ভয়ভীতি প্রদর্শন ও রাজনৈতিকভাবে হয়রানির চেষ্টা করছে। তিনি ধারণা করছেন, তার নিজ এলাকা ডুমুরিয়া উপজেলার ৯ নং সাহস ইউনিয়নের প্রতিপক্ষ চক্র এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকতে পারে। তবে তিনি সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত দোষীদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার জন্য প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছেন। এ ঘটনায় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে। স্থানীয় সচেতন মহলও ঘটনার নিরপেক্ষ তদন্ত করে দোষীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছেন।



