জাপানী বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গাড়ী নিয়ে মোংলায় বিদেশী জাহাজ

মোংলা (বাগেরহাট) প্রতিনিধি ঃ সিঙ্গাপুর থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের জাপানী রিকন্ডিশন গাড়ী নিয়ে মোংলা বন্দরে নোঙ্গর করেছে বানিজ্যিক জাহাজ “এমভি মালয়েশিয়া স্টার। ৪৮৩টি গাড়ী খালাসের জন্য মঙ্গলবার দুপুরে মোংলা বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে নঙ্গর করে। ব্যাবসায়ীরা বলছে, অন্য বন্দরের তুলনায় সুযোগ সুবিধা বেশী হওয়ায় ব্যাবসায়ীরা এখন মোংলা বন্দরে বেশী গাড়ী খালাস করছে।
বন্দর সুত্রে জানায়, ব্যবসায়ীরা প্রথমে জাপানের নাগোয়া, ইউকোহামা ও ওসাকা বন্দর থেকে বিভিন্ন ব্র্যান্ডের গাড়ী কিনে সিঙ্গাপুরে মজুদ রাখে। বাংলাদেশী ব্যবসায়ীদের আমদানী করা এসব রিকন্ডিশন গাড়ী ১৬ জানুয়ারী সিঙ্গাপুর থেকে জাহাজ বোঝাই করে বাংলাদেশের উদ্দেশ্যে ছেড়ে আসে। জাপান থেকে আমদানীকরা এসকল রিকন্ডিশন গাড়ী নিয়ে ২১ জানুয়ারী প্রথমে চট্রগ্রাম বন্দরে ২৫৯টি গাড়ী খালাস করা হয়। বাকি ৪৮৩টি মোংলা বন্দরের খালাসের জন্য ২২ জানয়ারী সকাল ১০টায় চট্রগ্রাম বন্দর থেকে ছেড়ে আসে। জাহাজটি মঙ্গলবার (২৩ জানুয়ারী) দুপুর ১টার দিকে বন্দরের ৭ নম্বর জেটিতে এসে নোঙ্গর করে। বিকাল থেকে খালাস কাজ শুরু করে পন্য খালাসকারী প্রতিষ্ঠান মেসার্স খুলনা ট্রেডার্স লি: এর প্রতিনিধিরা। এখানে খালাসকৃত ৪৮৩টি গাড়ীর মধ্যে রয়েছে এক্সিও, প্রিমিও, এলিয়ন, অ্যাকোয়া, নোয়া, মিনিবাস ও এ্যাম্বুলেন্স সহ একাধিক ব্র্যান্ডের গাড়ী। গত ২৫ ডিসেম্বর ৮০৩টি গাড়ী খালাস করে মোংলা বন্দর ত্যাগ করেছিলো “এমভি মালয়েশিয়া স্টার নামের এই জাহাজটি। পন্য খালাসকারী প্রতিষ্ঠানের সুপারভাইজার মোঃ রুহুল আমিন বলেন, মোংলা বন্দর জেটিতে গাড়ীগুলো খালাস করতে ৮/৯ ঘন্টা সময় লাগবে। খালাসকৃত গাড়ী বন্দর জেটির ইয়ার্ড ও সেডে সারিবদ্ধ করে রাখা হবে। বারবিডা সাবেক সহ-সভাপতি ও মেসার্স ট্রাস্ট অটো কার’র ব্যাবস্থাপনা পরিচালক মো: সাইফুল ইসলাম স¤্রাট বলেন, ঢাকার সাথে মোংলা বন্দরের দুরত্ব মাত্র ২০৮ কিলোমটিার। এছাড়া আগে মোংলা বন্দর থেকে ঢাকায় পৌছাতে বেশী সময় লাগতো, এখন সেখানে মাত্র সাড়ে ৩ঘন্টায় ঢাকায় পৌছানো যায়। তাই ব্যবসায়ীরা এ বন্দরকে বেছে নিয়েছে। ২০০৯ সালের ৩ জুন হক্স-বে অটোমোবাইল কোম্পানি প্রথম ২৫৫টি রিকন্ডিশন্ড গাড়ি আমদানির মধ্য দিয়ে মোংলা বন্দরে গাড়ি রাখার কার্যক্রম শুরু হয়।



