জন ভোগান্তি দুর করতে দ্রুত শিপইয়ার্ড সড়কের কাজ সমাপ্ত করতে হবে

বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সভায় বক্তরা
খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ ২০১৩ সালের ৭ মে ৯৮ কোটি ৯০ লাখ টাকা ব্যয় ধরে নগরীর শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্ত করন প্রকল্প একনেকে অনুমোদন পেলেও জমি অধিগ্রহণ নিয়ে জটিলতা থাকায় সাত বছরেও কাজটি শুরু না হওয়ায় ২০২০ সালের ২১ শে জুলাই (প্রথম সংশোধিত) ব্যয় বাড়িয়ে ২৫৯ কোটি ২১লাখ টাকায় একনেকে অনুমোদন দিয়ে ২০২২ সালের ১২ জানুয়ারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান আতাউর রহমান লিমিটেড অ্যান্ড মাহাবুব ব্রাদার্স (জয়েন্ট ভেঞ্চার) কে দেড় বছর পর কার্যাদেশ দেয় খুলনা উন্নয়ন কতৃপক্ষ (কেডিএ)। ২০ জানুয়ারি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান কাজ শুরু করে তিন দশমিক ৭৭৮ কিলোমিটার দৈর্ঘ্যের সড়কটি চার লেন, দু’পাশে নতুন ড্রেন, ও ড্রেনের ওপর পথচারীদের হাটার জন্য প্রশস্ত ফুটপথ, রাস্তার মাঝ খানে শূণ্য দশমিক বিরানব্বই মিটার ডিভাইডার, রাস্তা ড্রেন ফুট পথ মিলিয়ে ষাট ফুট চওড়া, ৪৮ মিটার দৈর্ঘ্যর একটি সেতু, একটি স্লুইচ গেট,একটি কালভার্টসহ সড়কটি তিন ফিট উচু করে এবং সাত দশমিক তিন একর জমি অধিগ্রহণ করে ২০২৪ সালের ৩০ জুনের মধ্যে কাজটি শেষ করার কথা ছিল। কিন্তু ওয়াসার সাথে স্বমন্বয় না করে ৬ মাস ধরে পয়ঃনিষ্কাশন পাইপ বসানোয় রাস্তার কাজ বন্দ থাকার সময় সড়কের দুই পাশে অনেক স্থানে ড্রেন নির্মান, মতিয়া খালি, এলাকার কালভার্ট ও লবনচরা সেতু, ড্রেন, স্লাব, নির্মান কাজ করার কথা থাকলে ও বলা যায় ঠিকাদার সে কাজের অর্ধেক ও শেষ করতে পারেনি এমন কি কবে শেষ হবে তা নিয়ে ও রয়েছে অনিশ্চয়তা।
শনিবার (১৮ ডিসেম্বর) বিকাল চারটায় বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর অস্থায়ী কার্যালয়ে শিপইয়ার্ড সড়ক প্রশস্ত করন ও উন্নয়নের নামে ধীর গতিতে কাজ চলমান থাকার প্রতিবাদ সভায় বক্তরা এসব কথা বলেন। ডা. মো. নাসির উদ্দিনের সভাপতিত্বে এবং যুগ্ম সম্পাদক মো. কামরুল ইসলাম ভুট্রোর পরিচালনায় বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সাধারন সম্পাদক মাহাবুব খোকন আরো অতিরিক্ত ছয় মাস পার হলে ও কাজ শেষ না হওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন, দীর্ঘ এক যুগ ধরে উন্নয়নের নামে জনগনের চরম ভোগান্তি এটা মেনে নেয়া যায়না। এটা সভ্য সমাজের কাজ নয়, দ্রুতই সড়কটির প্রশস্ত করন ও উন্নয়নের কাজ সমাপ্তি করতে হবে এবং কাজে যদি কারো দূর্নীতি ও গাফিলতি থাকলে তদন্তপূর্বক আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহনের জন্য খুলনা উন্নয়ন কতৃপক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়ে তিনি আরো বলেন খুলনার জিয়া হল, আধুনিক কসাইখানা নির্মান, নভোথিয়েটর, নৌযান মেরামত ও ট্রেনিং ইনস্টিটিউট আমলাতান্ত্রিক জটিলতায় বন্দ করে খুলনার প্রতি বিমাতা সুলভ আচরন করায় সকলকে সাথে নিয়ে দ্রুত কঠোর কর্মসূচী দিয়ে দাবি আদায় করে ছাড়বো ইনশাল্লাহ।
সভায় আরও বক্তৃতা করেন ও উপস্থিত ছিলেন বৃহত্তর আমরা খুলনাবাসীর সহ সভাপতি ডা. সেয়দ মোসাদ্দেক হোসেন বাবলু, ডা. আ. সালাম, শেখ হেদায়েত হোসেন হেদু, এড,কাজি আমিনুল ইসলাম মিঠু, মো. কামরুল ইসলাম কামু, মো, সিরাজ উদ্দিন সেন্টু, মো, হামিদুল হক, শেখ মোহাম্মদ আলী, এম এ জলিল, কাওসারি জাহান মঞ্জু, সাংগঠনিক সম্পাদক মো. সাকিল আহমেদ রাজা, আ. রাজ্জাক, মো, ইকবাল হোসেন তোকা, আ. মান্নান মুন্নাফ, মো, সবুজুল ইসলাম সবুজ, মো. জয়নাল আবেদিন, মো. খায়রুল আলম, সৈয়দা আরিফা আশরাফী চুমকি, মো. মনিরুজ্জামান মিলন, মো. জাভেদ আক্তার, ডা. মাহাফুজুর রহমান বাচ্চু, ইসমত আরা কাকন, মো. মিকাইল হোসেন, মো, আবু বক্কার, মো. আজমল হোসেন প্রমুখ।



