স্থানীয় সংবাদ

এক মাসে ৫০টি মোবাইল ও বিকাশ প্রতারণার ২০ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার

# ৩ এপিবিএন খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের ধারাবাহিক সাফল্য #

খানজাহান আলী থানা প্রতিনিধি : খুলনায় ৩ এপিবিএনের (আর্মড পুলিশ ব্যাটালিয়ন) অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের অভিযানে অক্টোবর মাসে দেশের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে হারিয়ে যাওয়া ৫০টি মোবাইল ফোন এবং বিকাশ প্রতারণার ২০ হাজার ৩০০ টাকা উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। পাশাপাশি সাইবার অপরাধের একটি মামলায় তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করেছে ইউনিটটি। ৩ এপিবিএন, খুলনার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীনের নির্দেশনায় গঠিত অপস অ্যান্ড ইন্টেলিজেন্স শাখার সাইবার ক্রাইম ইউনিট নিয়ন্ত্রণাধীন কর্ম এলাকায় অবৈধ অস্ত্র ও মাদকদ্রব্য উদ্ধার, হারানো মোবাইল ফোন উদ্ধার এবং ফেসবুকসহ বিভিন্ন অনলাইন মাধ্যমে প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের আইনি সহায়তা প্রদানে কাজ করে যাচ্ছে। অধিনায়কের সুনিপুণ দিকনির্দেশনায় এবং সহ-অধিনায়ক পুলিশ সুপার জি. এম. আবুল কালাম আজাদ (পিপিএম), পুলিশ সুপার রামানন্দ সরকার, অতিরিক্ত পুলিশ সুপার ইয়াসিন আলী ও সহকারী পুলিশ সুপার মো. আলী নওয়াজের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে সাইবার ক্রাইম ইউনিটটি এসব কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ইউনিট সূত্রে জানা যায়, বিভিন্ন থানায় হারানো মোবাইল ফোনের বিষয়ে দায়ের করা সাধারণ ডায়েরির (জিডি) ভিত্তিতে দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে অক্টোবর মাসে মোট ৫০টি মোবাইল ফোন উদ্ধার করা হয়। একই সময়ে বিকাশ প্রতারণার মাধ্যমে আত্মসাৎ করা ২০ হাজার ৩০০ টাকাও উদ্ধার করা সম্ভব হয়। ২৯ অক্টোবর সকালে আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্ধারকৃত মোবাইল ফোন ও টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তর করা হয়। এ ছাড়া নারায়ণগঞ্জ জেলার বন্দর থানায় দায়ের করা মামলা নং-১৪, তারিখ ০৯ অক্টোবর ২০২৬, সাইবার সুরক্ষা আইন, ২০২৬-এর ২২ ও ২৭ ধারার মামলায় তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করা হয়েছে। হারানো মোবাইল ফোন ও বিকাশ প্রতারণার টাকা প্রকৃত মালিকদের কাছে হস্তান্তরকালে ৩ এপিবিএন, খুলনার অধিনায়ক অতিরিক্ত ডিআইজি এম. এম. সালাহউদ্দীন বলেন, “জনসাধারণের ইতিবাচক সাড়া পেলে আমরা আরও অধিকসংখ্যক ভুক্তভোগীকে আইনি সেবা প্রদান করতে পারব।” সাইবার অপরাধ প্রতিরোধ, অনলাইন প্রতারণার শিকার ব্যক্তিদের সহায়তা এবং হারানো সম্পদ উদ্ধারে ৩ এপিবিএন, খুলনার সাইবার ক্রাইম ইউনিটের এ কার্যক্রম জনসাধারণের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি ও পুলিশের প্রতি আস্থা জোরদারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button