নগরীতে ফলের বাজার অস্থির

শেখ ফেরদৌস রহমান : গেল কয়েক সপ্তাহ যাবৎ ফলের বাজারে দাম উর্দ্ধগতি।এতে করে খুছরা ফলের দোকান গুলোতে বেচা বিক্রি নেমে এসছে অর্ধেকে। এর আগে গেল ৯ জানুয়ারী জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) কর্তৃক বিদেশ হতে আমদান কৃত সকল টাটকা ফল এর সম্পূরক শুল্ক ৩০ শতাংশ হতে ৪৫ শতাংশ মানে আরও ১৫ শতাংশ বেশি বাড়ানো হয়েছে। এতে করে ফলের বাজার আরও বেশি অস্থির হয়ে উঠেছে।এভাবে ফলের দাম বেড়ে যাওয়াতে বিপাকে পড়েছে নি¤œ ও মধ্য আয়ের সাধারণ মানুষেরা।যার প্রভার সরাসরি পড়েছে খুচরা ফলের দোকানে।
গেল কয়েকদিন আগে যে কালা আঙ্গুর প্রতি কেজি বিক্রি হিেচ্ছল মাত্র ৪২০ টাকা কেজি এখন দাম বেড়ে যাওয়াতে বিক্রি হচ্ছে ৫৮০ টাকা থেকে ৬শ টাকা কেজি দরে।এছাড়া মাল্টা, ফুজি, আপেল, সাদা আঙ্গুর, কমলাসহ প্রতিটি ফলের কেজি প্রকার ভেদে ৬০ টাকা থেকে ১০০ টাকা কেজি প্রতি বেড়েছে। তবে, বিলাশি এসব বিদেশি ফলের এমন দাম বেড়ে যাওয়াতে খুছরা ফলের দোকানে বিক্রি অনেক কম হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা বয়লা এলাকার ফল ব্যাবসায়ী আলমের সাথে তিনি ফলের ভাই আগে সারাদিনে ৮ হাজার টাকা ধেকে ১২ হাজার টাকা পযন্ত ফল বিক্রি করেছি। এখন সেই ভাবে বিক্রি হচ্ছেনা গত শনিবার বিকাল সারে চার পযন্ত মাত্র ২৭ শ ৩০ টাকা ফল বিক্রি হয়েছে। বড় বাজারে থেকে এসব ফল গুলো আমরা ক্রয় করি। বিদেশ হতে আমদানি সব ফল কার্টুন প্রতি ১ হাজার হতে প্রকার ভেদে ১৫ শ টাকা পযন্ত কার্টুন প্রতি দাম বেড়েছে।ক্রেতারা আসে ফল কিনতে তবে দাম শুনে চলে যাচ্ছে। তারা বলে এর থেকে দেশী জাতীয় ফল কম দামে কিনব। আমরা ভ্যানে করে বিক্রি করছি বিভিন্ন বাড়ী হাসপাতালের সামনে ভ্রাম্মান ফল বিক্রি করে নিজের দৈনিক সংসার খরচ মোটানো যাচ্ছেনা। আর মজুদকৃত পজচনশীল ফল দ্রুত বিক্রি না করা হলেও আমি আর্থিক ভাবে আলো ক্ষতিগ্রস্থ্য হবো।এভাবে চলতে থাকলে ফলের ব্যাবসা বন্ধ করে অন্য কোন কিছু করতে হবে। এছাড়া কথা হয় খুলনা বিশেষায়িত হাসপাতাল এলাকায় ফল ক্রেতা মোসাম্মাদ নাজমা বেগমের সাথে তিনি বলেন, আমার মায়ের অসুস্থ্যতার জন্য কিছু কালো আঙ্গুর আর কমলা কিনতে এসছি । এখন দেখি যেভাবে ফলের দাম বেড়েছে এতে করে রোগীদের জন্য ইচ্ছা করলেও নি¤œ ও মধ্য আওেয়র মানুষেরা ফল ক্রয় করে খেতে পারবেনা।তারপরও অল্প করে কিছু ফল নিয়েছি। কিছুটা হলেও এসব খেয়ে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা আর ভিটামিন এর চাহিদা পুরণ করা যাবে। এছাড়া সামনে রমজান মাস এভাে দাম হাকালে রমজান মাসে ইফতার সামগ্রীতে ফল পরিবেশন করতে হিমশিম পোহাতে হবে আমাদের মত নি¤œ মধ্য আয়ের মানুষের।



