শিরোমনির গৃহবধূ রেক্সনা বাঁচতে চায়

# বিপদগ্রস্ত পরিবারটির পাশে সমাজের বিত্তবান মানুষ এগিয়ে আসবেন এমন প্রত্যাশা অসহায় পরিবারটির #
স্টাফ রিপোর্টার : নগরীর খানজাহান আলী থানার আটরা গিলাতলা ইউনিয়নের ৭ নং ওয়ার্ডের শিরোমনি কাঠাঁলবাড়ী এলাকার ভ্যানচালক আঃ জলিল এর স্ত্রী রেক্সনা বেগম (৪০)। দীর্ঘদিন ধরে জটিল হার্ড ছিদ্র জনিত রোগে আক্রান্ত হয়ে উন্নত চিকিৎসার অভাবে ধীরে ধীরে মৃত্যুর দিকে ঢলে পরছেন তিনি।জানা গেছে, দিনমজুর আঃ জলিল ও স্ত্রী রেক্সনা বেগমের পরিবারে রয়েছে ২সন্তান। বড় মেয়ে অনার্স শেষ করেছে , ছোট মেয়ে শিরোমনি মাধ্যমিক বিদালয়ে পড়াশোনা করে । বর্তমানে দুটি সন্তান নিয়ে তাদের সংসার। আর্থিক সংকটের কারণে স্ত্রীকে সুচিকিৎসা করাতে পারছেন না জলিল। দীর্ঘ সময় সাহায্য সহযোগিতা নিয়ে বিভিন্ন জায়গাতে নিয়মিত চিকিৎসা করিয়েছেন স্ত্রীকে। সর্বশেষ পরীক্ষা নিরীক্ষা শেষে চিকিৎসকেরা জানান রেক্সনা বেগমের হার্ট ছিদ্র হয়েছে। এখন তার উন্নত চিকিৎসা জন্য দরকার মোটা অঙ্কের টাকা। তবে ভ্যানচালক জলিলের পক্ষে তার স্ত্রীকে উন্নত চিকিৎসা করোনার মতো সামর্থ্য নেই। তাই সমাজের বৃত্তবানসহ সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের কাছে সাহায্যের আবেদন করেছেন পরিবারটি। রেক্সনা বেগমের গ্রামের বাড়ি বেনাপোলের পুটখালি এলাকায় তিনি আকবার রহমানের মেয়ে। প্রায় ২৫ বছর আগে জলিলের সঙ্গে বিয়ে হয়ে তার অসহায় এ পরিবার এখন অর্থ সংকটের মধ্যদিয়ে চলছে পরিবারটি।এখন প্রতি মাসে স্ত্রীর চিকিৎসা করতে যে অর্থের দরকার হচ্ছে সেটিও করতে পারছে না জলিল নিজের জমাকৃত অর্থ আর প্রতিদিনের ইনকাম দিয়ে স্ত্রীর এই জটিল রোগের চিকিৎসা করাতে গিয়ে পথে বসে গেছেন তিনি। কোনো রকমে দিন এনে খেয়ে চলছে তাদের সংসার। পরিবার পরিজন নিয়ে কষ্টে দিনযাপন করতে হচ্ছে তাদের। তাই তার দুটি সন্তানের দিকে তাকিয়ে স্ত্রীকে বাঁচিয়ে রাখার আঁশায় সবার কাছে সহযোগিতা প্রত্যাশা করেছেন পরিবারটি। সমাজের সচেতন, বিবেকবান, মানবিক বিত্তবান মানুষের একটু আর্থিক সহযোগিতা ও উন্নত চিকিৎসায় হয়ত বেঁচে যেতে পারেন গৃহবধূ রেক্সনা বেগম ।সাহায্য বা পরিবারটির সঙ্গে যোগাযোগ করতে- ০১৯২৫৬৮৭৮৬৫ নম্বরটিতে কল করার অনুরোধ করেন গৃহবধরূ স্বামী জলিল।মানুষ মানুষের জন্য, জীবন জীবনের জন্য, একটু সহানুভূতি কি, মানুষ পেতে পারে না ও বন্ধু। ভুপেন হাজারিকার কালজয়ী জীবনমুখী এই গান আমাদের সবারই জানা। সমাজের অসহায় মানুষদের পাশে সৃষ্টিকর্তা কারো না কারো মাধ্যমে এগিয়ে আসেন সহযোগিতার হাত নিয়ে। এই অসহায় বিপদগ্রস্ত পরিবারটির পাশে রাষ্ট্র অথবা সমাজের বিত্তবান মানুষ এগিয়ে আসবেন এমনটাই প্রত্যাশা করে অসহায় পরিবারটি।



