দৌলতপুর শামীম হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে বাহারি ইফতারির পরশা

# সু-স্বাদু ইফতারী কিনতে ইফতারি পূর্ব মুহুর্তে ভীড়, চলছে ইফতার পার্টিও
স্টাফ রিপোর্টার ঃ নগরীর দৌলতপুর ট্রাফিক মোড়স্থ শামীম হোটেল এন্ড রেস্টুরেন্টে এবারও মাহে রমজান উপলক্ষে বাহারি স্বাদের ইফতারীর নানা আয়োজন করেছে। প্রতিদিনই বিভিন্ন শ্রেনী ও পেশাজীবি ঘরমুখো মানুষ তাদের কর্মস্থল হতে ফেরার পথে ইফতারীর আগ মুহুর্তে বাহারি ইফতার সংগ্রহ করে নিয়ে যাচ্ছেন তাদের পরিবারের জন্য। বিশেষ করে শাহী হালিম। বৃহস্পতিবার (১৩ মার্চ) হোটেল শামিম এন্ড রেস্টুরেন্ট গিয়ে দেখা গেছে, হোটেলের প্রতিটি কর্মচারী সুরক্ষা ও পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার সাথে ইফতার বিক্রির কাজে ব্যস্ত রয়েছে। ইফতারির আগ মুহুর্তে দেখা গেছে , শিশু, নারী, পুরুষসহ প্রায় সকল বয়সী মানুষের নজর কাড়া ভীড়। কর্মচারী আকতার হাসেন জানান, প্রতি বছরই আমাদের ঐতিহ্য ধরে রাখতে মাহে রমজান উপলক্ষে ইফতারীর নানা আয়োজন করে থাকি ক্রেতা সারাও ভালো থাকে। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি। এবার ছোলা প্রতিকেজি ১৪০ টাকা, পিয়াজু প্রতি পিস ৮ টাকা, বেগুনি ৮ টাকা প্রতি পিস, আলুর চপ ৮ টাকা, ডিমের চপ বড় প্রতি পিস ১০-১৫ টাকা, চিকেন চপ প্রতি পিস,২০ টাকা, চিংড়ি চপ প্রতি পিস ১৫-২০ টাকা, বুন্দিয়া প্রতিকেজি ১৮০-২০০ টাকা শাহী জিলাপী প্রতিকেজি ২০০-২২০ টাকা, রেশমী জিলাপী প্রতি কেজি ৩২০-৩৫০ টাকা, শাহী হালিম প্রতি কেজি ৩০০-৪০০ টাকা, হাফ কেজি ১৫০-২০০ টাকা, ফিরনি প্রতি বাটি ৫০ টাকা, লাচ্ছি প্রতি গ্লাস ৮০টাকা, ফালুদা প্রতি গ্লাস দরে ১০০/১২০ টাকা দরে বিক্রি করা হচ্ছে। ব্যাংক কর্মকর্তা মো. ফারুক হোসেন জানান, ৪ সদস্য নিয়ে আমার পরিবার, সকলেই রোজা রাখে। রোজা তারপর আবার গরম পড়ছে, চাই না পরিবারের কারো ইফতার তৈরীতে কষ্ট হোকা। তাই প্রতিদিন বাড়ী ফেরার পথে শামিম হোটেল হতে প্রতিদিনই ইফতার কিনে নিয়ে যায়। অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ইফতার বিক্রি করে থাকে প্রতিষ্ঠানটি। বে-সরকারি চাকুরিজীবি (ড্রাইভার) আনোয়ার জানান, প্রতিদিনই সকালে উঠেই গাড়ি চালানো জন্য অফিসে চলে যায়, স্ত্রী বাড়ীতে একা থাকে। অফিস হতে ফেরার পথে প্রয়োজন অনুসারে ইফতার কিনে নিয়ে যায়। বিশেষ করে শামিম হোটেল হতে হালিম ও ফালুদা কেনাবেশি পড়ে। বাসার সকলে ওগুলো খুব পছন্দ করে। সোহেল রানা নামের পথচারী জানান, শামিম হোটেল দৌলতপুরের বহু পুরাতন হোটেল। দীর্ঘদিন সু-নামের সাথে খাবার বিক্রি করে আসছে। এবারও প্রতিবছরের মতো ইফতার তৈরী করছে। অত্যন্ত পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন পরিবেশে ইফতার পরিবেশন করা হয়ে থাকে বলে দেখে আসছি। দৌলতপুর শামীম হোটেলের সত্ত্বাধিকারী ও দৌলতপুর বাজার বণিক সমিতির সহ-সভাপতি মোঃ আশিকুর রহমান (শুভ) জানান, প্রতি বছরের মতো এবারও আমার প্রতিষ্ঠানে মান সম্মত ইফতার সামগ্রী তৈরী করছি। ক্রেতাদের চাহিদার কথা বিবেচনা করে পিয়াজু , বেগুনী, আলুর চপ, শাহী জিলাপী, রেশমী জিলাপী, ফ্রুট সালাত, ফিরনী, কাশমিরী টিকিয়া, লাচ্ছি, ফালুদা, খাসীর কাবাব, বার-বি-কিউ, ভেজিটেবল রোল, হালিম, বুন্দিয়াসহ ভিন্ন ভিন্ন স্বাদের ইফতারি বিক্রয় করা হচ্ছে। ক্রেতাদের চাহিদা ও ক্রয় ক্ষমতার কথা বিবেচনা করে ইফতার বিক্রয় করা হচ্ছে।



