স্থানীয় সংবাদ

পুরাতন ইলেকট্রনিক পণ্যের পুনর্ব্যবহার উপযোগী করা যাদের কর্ম

শেখ ফেরদৌস রহমান : পুরাতন বিকল ইলেকট্রনিক পণ্য গুলো পুর্নব্যবহার উপযোগী করে তোলা যাদের কর্ম। এমনটি দেখা যায় খুলনা শেখপাড়া, খালিশপুর বিআইডিসি সড়কের ফুটপাত এলাকায় । কতিপয় ব্যবসায়িরা সড়কের পাশে প্লাস্টিক এর বস্তার উপর বসে আছেন বিভিন্ন পুরাতন ইলেকট্রনিক পণ্য নিয়ে। যার মধ্যে রয়েছে সচল বাটন মোবাইলসহ টাচ মোবাইল, ব্যাটারি, মোবাইল চার্জার, টেবিল ফ্যান, টিভি, এসি, রিমোট, লাইট, চার্জার লাইট, ব্লিøন্ডার মেশিন, বৈদ্যতিক যন্ত্রাংশ, ইলেকট্রনিক সাউন্ড, রাইস কুকারসহ প্রায় শতাধিক বিভিন্ন প্রকারের ইলেকট্রনিক পণ্য। তবে এসব পণ্য গুলো নাম মাত্রে মূল্যে বিক্রি করে চলে তাদের জীবন-জীবিকা। মূলতঃ বাসাবাড়ী থেকে বাতিল অকেজো এসব যন্ত্রাংশগুলো করে ক্রয় করে। এরপর আবার নিজেরা এসব যন্ত্রাংশ পরিস্কার পরিচ্ছন্ন করে মেরামত করে ব্যবহারের জন্য সচল করে তোলে। আর এই ব্যবসা করে ছেলে মেয়েদের পড়াশুনা থেকে শুরু করে চলে জীবনের সব চাহিদা। পাশাপাশি ক্রেতারা কম দামে এসব ইলেকট্রনিক পণ্য সহ বিভিন্ন যন্ত্রাংশ পেয়ে খুশি। এ বিষয়ে কথা হয় ক্রেতা আসিবুলের সাথে তিনি বলেন, আমার বাড়ীর একটি রাইস কুকারের কয়েল নষ্ট হয়ে গেছে। এখন নতুন একটি কুকার ক্রয় করতে প্রায় আড়াই হাজার টাকার মত খরচ। একজন আমাকে ঠিকানা দিল যে আপনি খালিশপুরে বা শেখ পাড়া এলাকায় গেলে এসব পুরাতন সচল যন্ত্রাংশ পাবেন। আমি এস একটি কয়েল মাত্র ১০০ টাকায় ক্রয় করলাম। আমার ভাত রান্না করার কুকারটি আগের মত সচল হয়ে গেছে। এছাড়া কথা পুরাতন যন্ত্রাংশ বিক্রেতা মোঃ কালাম এর সাথে তিনি বলেন, ভাই আমাদের এখন বেচা বিক্রি অনেক কমে গেছে। আগে যেখানে প্রতিদিন দেড় থেকে দুই হাজার টাকা বিক্রি হতো এখন আর হয়না। গতকাল সারাদিনে মাত্র তিনশ টাকার মত পণ্য বিক্রি হয়েছে। আমাদের দোকানে আগে ভিড় লেগেই থাকতো ক্রেতারা ভাল ভাবে খুটে খুটে এসব প্রয়োজনীয় যন্ত্র্ংাশ ক্রয় করত। এছাড়া এখন রমজান মাস চলছে এমনিতে ক্রেতা সংকট। আমাদের এসব ইলেকট্রনিক পণ্য গুলো সব ব্যবহার করার মত। বর্তমান যেহেতু বেচা বিক্রি নেই আমাদের ধারদেনা করে চলতে হচ্ছে। এছাড়া ঈদ বাজার রয়েছে। আগের মত ব্যবসা হচ্ছেনা। একই কথা বলেন, বিআইডিসি সড়কের পাশে বিক্রেতা মোঃ বেলাল তিনি বলেন, গেল বছরের আগেও দোকান খোলার আগেই ক্রেতাদের ভিড় জমে থাকতো। এখন দেখা যায়না । নেই আগের মত বেচা কেনা। তারপরও বসে আছি অন্য কিছু আর করতে পারছিনা। যখন যার প্রয়োজন হয় চলে আসে আমাদের দোকানে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button