গাড়ি ভাংচুর লাঞ্চিত ও হুমকির অভিযোগে মামলা

# আসামী ওষুধ কোম্পানীর মালিক ডাঃ বাহারের দু’ মেয়েসহ তিনজন #
স্টাফ রিপোর্টারঃ এবার জিডি করা হয়েছে ওষুধ কোম্পানীর মালিক বাহারুল আলমের দু’ মেয়েসহ তিনজনের নামে। নির্যাতন, হুমকি ও গাড়ি ভাংচুরের দায়ে এ জিডি করেন এপিসি ফার্মাসিউটিকাল নামক ওষুধ কোম্পানীর পরিচালক হেনা। সোনাডাঙ্গা থানায় দায়েরকৃত জিডি তদন্ত শেষে তার প্রতিবেদন দাখিল করা হয়েছে। এরই প্রেক্ষিতে আদালতে ননজিআর মামলা দায়ের করা হয়েছে। যার নং-৪৩০/২৫। জিডিতে উল্লেখ করা হয়, নগরীর সোনাডাঙ্গা ২য় ফেজ সোনাডাঙ্গা ২য় আবাসিক এলাকা বাসা নং-৩৯৪ রোড নং-০৩-এর বাসিন্দা হেনা রাণী ভৌমিক এ.পি.সি ফার্মাসিউটিক্যাল লিঃ এর পরিচালক। এপিসি ফার্মাসিউটিক্যাল লিঃ নগরীর ৩০ কেডিএ এপ্রোচ রোড সোনাডাঙ্গা খুলনাতে প্রধান কার্যালয়। কারখানা বাগেরহাট ফকিরহাটের লখপুরে । বিগত ১৮/১২/২০২৪ দুপুর ১২টার সময় আমি অফিসে কর্মরত ছিলাম। হঠাৎ করে অফিস রুমের বাইরে গেটের কাছে কোম্পানীর এমডি বাহারুল আলমের মেয়ে শেখ তামান্না আলম ও শেয়ার হোল্ডার শেখ তাসনুভা আলম ও তাদের ফুফু নাজমুন নাহার মুক্তা উচ্চস্বরে চিৎকার ও হৈ চৈ শুনতে পাই। চিৎকার ও হৈ চৈ শুনে আমি রুম থেকে বেরিয়ে আসলে দেখি ট্রমা সেন্টারে অবস্থনরত আমার স্বামী চিত্ত রঞ্জন সেনকে গেট দিয়ে বেরিয়ে যাওয়ার সময় শেখ তাসনুভা আলম ও শেষ তামান্না আলম লাঞ্ছিত করে। আমি আমার স্বামীকে রক্ষা করতে চাইলে নাজমুন নাহার মুক্তার (স্বামী আব্দুল হামিদ) ১০নং রোড সোনাডাঙ্গা (২য় ফেজ) আমাকে বাধা দেয়। আমি ভয়ে চিৎকার করি এবং তখন আমার স্বামীকে ছেড়ে আমাকে মারতে আসে কিছু লোক ঠেকিয়ে দেয়। আমি গেট দিয়ে বের হতে চাইলে গেট আটকায়ে আমাকে যেতে বাধা দেয়। আমারই চোখের সামনে আমার অফিসে সংরক্ষিত আমার স্বামীর মালিকানাধীন প্রাইভেট কার (যার রেজিঃ নং- ঢাকা মেট্রো-ছ-১৭-২৯২৬) ইট দিয়ে আঘাত করে। ফলে সামনের গ্লাস ভেঙ্গে চুরমার করে। এরপর কোম্পানীর এমডি তামান্না আলম আমাকে জীবনের নাশের হুমকি দেয় এবং চিৎকার করতে থাকে একে যে রক্ষা করবে তাকে দেখে নেব। তখন আমি ভয়ে সকল বাধা উপেক্ষা করে নিজে গেট খুলে রিক্সা নিয়ে দ্রুত বাসায় চলে আসি। কোম্পানীর ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও শেয়ার হোল্ডার ও তাদের আত্মীয় বিধায় তাদের এহেন আচারনের বিরুদ্ধে আমি থানায় সাধারন ডাইরী করি। ডায়েরি তদন্ত করেন সোনাডাঙ্গা থানার এসআই আক্তারুজ্জামান। তদন্ত শেষে অভিযোগে সত্যতা পেলে এ ঘটনায় আদালতে ননএফআইআর মামলা হয়। যা এখন বিচারাধীন। বাদী বলেন, বিষয়টি নিয়ে আদালতে বিচারাধীন। তাই কোন কথা বলতে চাই না। বিবাদী শেখ তামান্না আলম বলেন, এ ব্যাপার নিয়ে তিনিও একটি জিডি করেছেন।



