কোন অপশক্তি যাতে পানি ঘোলা করে মাছ শিকার করতে না পারে সে ব্যাপারে সজাগ থাকতে হবে- মঞ্জু

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ ঐতিহ্যগতভাবে সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এক অনন্য নিদর্শনের দেশ। যে কোন ধর্মের স্বাধীনতা রক্ষায় এবং উৎসব আয়োজন নির্বিঘেœ সম্পন্ন করায় বিএনপি প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। বাংলাদেশে মুসলমান হিন্দু খ্রিস্টান বৌদ্ধ সমতল পাহাড়ী মোদ্দকথা ধর্ম বর্ণ গোত্র নির্বিশেষে আমরা এক জাতি- বাংলাদেশী। শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমান বীরউত্তম তাঁর মহান আদর্শ জাতীয়তাবাদী চেতনায় পুরো জাতিকে ঐক্যবদ্ধ করেছিলেন আর আমাদের নেত্রী দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়া সুস্পষ্ট ভাষায় বলেছিলেন “বাংলাদেশে কেউ সংখ্যালঘু নয়, সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘুর বিভেদ নয়, আমরা সবাই বাংলাদেশী। আমাদের বর্তমান নেতা তারেক রহমানও যথার্থই বলছেন হিন্দু-মুসলিম-খ্রিস্টান- বৌদ্ধ আমরা সবাই ভাই ভাই, আত্মার আত্মীয়, সবার আগে দেশের স্বার্থ, ” সবার আগে বাংলাদেশ” আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসব হবে সবচেয়ে সুন্দর সাবলীল নিরাপদ এবং উৎসবমুখর সেরকম পরিবেশ বজায় রাখতে বিএনপি এবং বিএনপি’র নেতাকর্মীরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। মঙ্গলবার (২৩ সেপ্টেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর কেডিএ এভিনিউস্থ সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির কার্যালয়ে সনাতন ধর্মাবলম্বী ও পূজা উদযাপন কমিটির নেতৃবৃন্দের সঙ্গে শারদীয় দুর্গোৎসব উপলক্ষে খুলনা বিএনপির মতবিনিময় সভার সভাপতিত্বকালে এসব কথা বলেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সভাপতি ও খুলনা-২ আসনের সাবেক সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম মঞ্জু। তিনি আরও বলেন, রাজনীতি যেন কোন ধর্মের উপর নিপীড়নকারী না হয় এবং ধর্মও যেন কোন বিশেষ রাজনীতিকে পুঁজি না করে সে বিষয়ে আমাদের সকলকে সতর্ক থাকতে হবে। আমরা সবাই মিলে এমন এক বাংলাদেশ গড়তে চাই যেখানে কোন ধর্মের উৎসব আয়োজন পর্বে বিশেষ নিরাপত্তার ব্যবস্থা করার প্রয়োজন হবে না। পতিত ফ্যাসিষ্ট ও ফ্যাসিবাদের দোসররা কেউ কেউ পালিয়ে গেলেও তাদের লেজ রেখে গেছে, সেই অপশক্তি যাতে কোনভাবে পানি ঘোলা করে তাতে মাছ শিকার করার ধান্ধা না করতে পারে সে ব্যাপারেও আমাদের সজাগ থাকতে হবে। সনাতন ধর্মের আগত নেতৃবৃন্দ যে কোন উৎসব পার্বনে খুলনায় বিএনপি’র নেতৃবৃন্দকে অতীতে যেমন পাশে পেয়েছেন ভবিষ্যতেও তেমনি পাশে পেতে চান বলে দাবী করেন। খুলনায় সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির অগ্রদূত মরহুম এম নুরুল ইসলাম দাদু ভাই’র কথা তারা এ প্রসঙ্গে গভীর শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করেন। তারা আরও বলেন হিন্দুরা কোন বিশেষ রাজনীতির ধারক নয়, দেশের কল্যাণে যারা ভূমিকা রাখবেন তারা তাদের সাথেই থাকবেন বলে দৃঢ় প্রত্যয় ব্যক্ত করেন। ফ্যাসিবাদমুক্ত বাংলাদেশে পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে দেশকে এগিয়ে নিতে বিশ্বস্ত ও পরিক্ষিত রাজনৈতিক দল বিএনপির পতাকাতলে ঐক্যবদ্ধ হওয়ার জন্য সনাতন ধর্মের নেতৃবৃন্দের প্রতি সভা থেকে আহবান জানানো হয়। পরিশেষে আসন্ন দূর্গাপূজায় বিএনপি নেতৃবৃন্দকে পরিবার পরিজন নিয়ে তাদের অনষ্ঠানে আন্তরিক আমন্ত্রণ জানান পূজা উদযাপন পরিষদ ও বিভিন্ন মন্দির কমিটির নেতৃবৃন্দ। অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু ও আসাদুজ্জামান মুরাদ এর পরিচালনায় সভায় বক্তব্য রাখেন খুলনা মহানগর বিএনপির সাবেক সাধারন সম্পাদক ও সাবেক মেয়র বীর মুক্তিযোদ্ধা মনিরুজ্জামান মনি, জাফরউল¬াহ খান সাচ্চু, অধ্যক্ষ তারিকুল ইসলাম, বিজয় কুমার, সুজিত সাহা, অসিত বিশ^াস, পুলক কান্দি দাস, শ্যামল কৃষ্ণ মিস্ত্রি, গৌতম দে হারু, সাধর কুমার, প্রদীব সাহা, পরিতোষ চৌধুরী, বিশ^জিৎ দে মিঠু, শ্যাম ভদ্র, রতন কুমার নাথ, গৌরঙ্গ বিশ^াস, রনজিত কুমার রায় ও সমির কুমার সাহা। এসময় উপস্তিত ছিলেন মাহবুব কায়সার, নজরুল ইসলাম বাবু, মেহেদী হাসান দিপু, নিজাম উর রহমান লালু, ইকবাল হোসেন খোকন আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, মজিবর রহমান ফয়েজ, কাজী শফিকুল ইসলাম শফি, রফিকুল ইসলাম শুকুর, শামসুজ্জামান চঞ্চল, ইশহাক তালুকদার, আকরাম হোসেন খোকন, সরদার রবিউল ইসলাম রবি, মহিউদ্দিন টারজান, আসলাম হোসেন, আলমগীর হোসেন আলম, মহাদেব সাহা, বিজয় কুমার ঘোষ, সুকুমার সাহা, তাপস ব্যনার্জী, লিটন সাহা, মানিক সাহা, গৌরঙ্গ সাহা, শক্তিপদ শর্মা, আল বেলাল, মিজানুজ্জামান তাজ, ইকবাল হোসেন, লিটু পাটোয়ারী, সুলতান মাহমুদ সুমন, কামাল উদ্দিন, মোস্তফা জামান মিন্টু, জামাল মোড়ল, সাখাওয়াত হোসেন, সৈয়দ গাজী, গোলাম নবী ডালু, সেলিম বড় মিয়া, ফিরোজ আহমেদ, মশিফিকুর রহমান অভি, রাজিবুল আলম বাপ্পি, আসমত হোসেন, পারভেজ মোড়ল, শামসুল আলম বাদল, মামুনুর রহমান, শামীম রেজা, এম এম মাহমুদ, এস এম সজল, আব্দুস সালাম প্রমুখ।



