শ্রমজীবী মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তনে ইসলামী শাসন জরুরি

# খালিশপুরে সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে অধ্যাপক মাহফুজ #
স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী খুলনা মহানগরীর আমীর ও খুলনা-৩ আসনের সম্ভাব্য সংসদ সদস্য প্রার্থী অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, দেশের শ্রমজীবী, মেহনতি ও প্রান্তিক মানুষের ভাগ্যের পরিবর্তন কেবলমাত্র ইসলামী শাসনের মাধ্যমেই সম্ভব। ইসলামী শাসনই পারে ন্যায়-ইনসাফের সমাজ গড়ে তুলতে এবং দুর্নীতি, বৈষম্য ও অবিচার থেকে মানুষকে মুক্তি দিতে। তাই তিনি আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ইসলামের পক্ষের প্রার্থীদের বিজয়ী করার জন্য জনগণের প্রতি উদাত্ত আহ্বান জানান।
তিনি বলেন, “আজ শ্রমজীবী মানুষ ঘামে ভিজে জীবনযাপন করছে, অথচ তাদের ন্যায্য অধিকার কেড়ে নেওয়া হচ্ছে প্রতিনিয়ত। ইসলামী আদর্শভিত্তিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করতে পারলেই শ্রমিক-কর্মচারীদের অধিকার সংরক্ষণ করা যাবে এবং প্রকৃত কল্যাণ নিশ্চিত হবে।”
বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় খুলনা নগরীর খালিশপুরে বাংলাদেশ বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ড শ্রমিক কর্মচারী ইউনিয়নের উদ্যোগে আয়োজিত এক বিদায় ও সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন। বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের খালিশপুর কেন্দ্র থেকে বদলিকৃত শ্রমিক-কর্মচারীদের উদ্দেশে এ সংবর্ধনা দেওয়া হয়।
অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাংলাদেশ শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশন খুলনা মহানগরীর সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, সহ-সভাপতি এস এম মাহফুজুর রহমান, খালিশপুর থানা সভাপতি জাহিদুল ইসলাম, ১৫০৫ নম্বর শ্রমিক ইউনিটের নেতা হেলাল উদ্দিন, শহিদুল ইসলাম, বুলবুল কবির, বদরুর রশিদ মিন্টু, ফারুক হাওলাদার, কবির হোসেন, মো. বশির, বাকী বিল্লাহ, হাবিবুর রহমান, শাহিদুর রহমান, মোসলেম আলী, মনির হোসেন, সাহাজাহান আলী খান, মো. সুমনসহ অঙ্গসংগঠনের বিভিন্ন পর্যায়ের নেতা-কর্মী।
সভায় বক্তারা বলেন, বিদ্যুৎ উন্নয়ন বোর্ডের কর্মচারীরা দীর্ঘদিন ধরে মানুষের সেবায় নিবেদিত ছিলেন। তাদের অবদান জনগণ চিরদিন মনে রাখবে। বক্তারা শ্রমিকদের ন্যায্য প্রাপ্যতা নিশ্চিত করা এবং বিদ্যুৎ খাতকে দুর্নীতিমুক্ত রাখার ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
প্রধান অতিথি অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান তার বক্তব্যে আরও বলেন, “জাতি আজ এক গভীর সঙ্কটে নিপতিত। দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতি, বেকারত্ব, দুর্নীতি ও লুটপাটের কারণে সাধারণ মানুষ দিশেহারা। এ অবস্থা থেকে মুক্তির জন্য জনগণের ঐক্যবদ্ধ প্রতিরোধ গড়ে তুলতে হবে। ইসলামী আন্দোলনই পারে মানুষকে প্রকৃত মুক্তি দিতে।” অনুষ্ঠান শেষে বদলিকৃত কর্মচারীদের হাতে স্মারক উপহার তুলে দেওয়া হয় এবং তাদের দীর্ঘ কর্মজীবনের সাফল্যের জন্য শুভকামনা জানানো হয়।



