রূপসায় অবশেষে ৩ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর ট্রলার দূর্ঘটনায় নিহত মিঠুর মরদেহ উদ্ধার

রূপসা প্রতিনিধি: রূপসায় ট্রলার দূর্ঘটনায় পূর্ব রূপসা ঘাটে ডুবে নিহত
শেখ মহিদুল হক মিঠুর (৪৫) মরদেহ ৩ দিন অতিবাহিত হওয়ার পর নদী থেকে উদ্ধার করেছে কোস্টগার্ড। গতকাল বুধবার বেলা আড়াইটার দিকে রূপসা খানজাহান আলী (রহঃ) সেতুর অদূরে ওরিয়ন পাওয়ার প্লান্টের কছে নিমতলা নামক স্থানে নদীর চর থেকে এ বিকৃত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জানা যায়, খুলনার রূপসা উপজেলার তালিমপুর গ্রামের বাসিন্দা ও খুলনা মহানগরীর সন্ধানী ক্লিনিকের প্রশাসনিক কর্মকর্তা শেখ মহিদুল হক মিঠু (৪৫) গত ৯ নভেম্বর রাতে পেশাগত কাজ শেষ করে বাড়ির উদ্দেশ্যে রওনা হন। রাত ১১টার দিকে পশ্চিম রূপসা ঘাট থেকে ট্রলারযোগে খেয়া পার হচ্ছিলেন। অদক্ষ মাঝি ও অতিরিক্ত যাত্রীবাহী ট্রলারে বাতি না’থাকায় ট্রলার চালক আসাদুল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেললে পূর্ব রূপসা ঘাট পন্টুনের সাথে ট্রলারটি জোরালো ধাক্কা লাগে। এসময় ট্রলার থেকে দুইজন পুরুষ নদীতে পড়ে গেলেও একজন প্রাণে বেঁচে যায়। অপরজন মহিদুল হক মিঠু (৪৫) নদীতে পড়ে নিঃখোঁজ হয়। প্রায় ৭১ ঘন্টা পর মিঠুর মরদেহ কোস্ট গার্ড উদ্ধার করে। এদিকে মিঠুর লাশের সন্ধান পেয়ে তার স্বজনরা এসে ভীড় জমায়। মিঠুর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল হাসপাতালস্থ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে। মৃত্যুকালে তিনি স্ত্রীসহ দুই বছর বয়সী পারোস নামে এক পুত্র সন্তান রেখে যান। রূপসা নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এস.আই মোঃ জেন্নাত আলী বলেন, কোস্টগার্ড নৌপথে টহলে ছিলেন। এ সময় তারা নদীর চরে মহিদুল হক মিঠুর মরদেহ নদীতে ভাসতে দেখে। পরে মরদেহ উদ্ধার করা হয়। সংবাদ পেয়ে নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জেন্নাত আলী তার সঙ্গীয় ফোর্স নিয়ে আসেন। মরদেহটি সুরতহাল শেষে ময়নাতদন্তের জন্য খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল মর্গে প্রেরণ করা হয়। নিহতের স্বজন জিয়াউর রহমান বলেন, প্রায় তিনদিন পর মিঠুর লাশের সন্ধান মিলেছে। কোস্টগার্ড স্টেশন রূপসার কন্টিনজেন্ট কমান্ডার মোঃ আসাদুজ্জামান বলেন, মরদেহ উদ্ধারে নদীপথে কোস্টগার্ডের টহল চলছিলো। এসময় মরদেহ দেখতে পেলে উদ্ধার করা হয়।



