খুলনায় বিনা উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি সমূহের সম্প্রসারণে আঞ্চলিক কর্মশালা

স্টাফ রিপোর্টার : বিনা উদ্ভাবিত জাত ও প্রযুক্তি সমূহের সম্প্রসারণ ও বিদ্যমান শস্য বিন্যাসে অন্তর্ভুক্তিকরণ শীর্ষক আঞ্চলিক কর্মশালা (১৮ নভেম্বর) মঙ্গলবার সকাল সাড়ে ১০ টায় খুলনার দৌলতপুরে ডিএই অতিরিক্ত পরিচালক’র হল রুমে অনুষ্ঠিত হয়। আঞ্চলিক কর্মশালায় প্রধান অতিথি ছিলেন বিনা’র ময়মনসিংহ’র মহাপরিচালক ডঃ শরিফুল হক ভূঁইয়া। সভাপতিত্ব করেন ডিএই খুলনা অঞ্চলের অতিরিক্ত পরিচালক কৃষিবিদ মোঃ রফিকুল ইসলাম। প্রধান অতিথির বক্তৃতায় বিনা’র মহাপরিচালক ডঃ শরিফুল হক ভূঁইয়া কৃষিক্ষেত্রে উৎপাদন বৃদ্ধির লক্ষ্যে ফসলের নতুন নতুন জাত সৃষ্টি, পানি ও ভূমি সম্পদের বৈজ্ঞানিক ব্যবস্থাপনা, শস্যের পরিমাণ ও গুণগত মান বৃদ্ধির লাগসই প্রযুক্তি এবং রোগবালাই ও পোকামাকড় দমনের বিভিন্ন পদ্ধতি উদ্ভাবনের মাধ্যমে টেকসই ও উৎপাদনশীল কৃষির নিশ্চয়তা বিধানের জন্য পারমাণবিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে গবেষণা কার্যক্রম চালানো। এই ইনস্টিটিউটের বিজ্ঞানীরা বিভিন্ন ফসলের প্রায় দুই ডজন উচ্চফলনশীল জাত উদ্ভাবন করেছেন। ধান,পাট, সরিষা,ছোলা, মুগ,মাষকলাই, টমেটো প্রভৃতি ফসলের উচ্চফলনশীল জাত এখনকৃষকরা চাষ করছে।ছয়টি ডালশস্য মসুরি,ছোলা, চীনাবাদাম,মুগ,গোমটর (পড়ঢ়িবধ) ও সয়াবিনের জন্য বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট উদ্ভাবন করেছে। বাংলাদেশ পরমাণু কৃষি গবেষণা ইনস্টিটিউট (সংক্ষেপে”বিনা”),বাংলাদেশের, পারমাণবিক কৌশল কাজে লাগিয়ে কৃষিখাতে অবদান রাখার একমাত্র প্রতিষ্ঠান। মূলপ্রবন্ধ উপস্থাপন করেন পিএসও ও ময়মনসিংহ বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালী করন প্রকল্পের পরিচালক মোঃ মাহাবুবুল আলম তরফদার।স্বগত বক্তা পিএসও ও বিনা সাতক্ষীরা ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ড. মোঃ কামরুজ্জামান। বিশেষ অতিথি ছিলেন বিনা ময়মনসিংহ এর পরিচালক (গবেষণা) ডঃ মোঃ হোসেন আলী,পিএসও ও ময়মনসিংহ বিনা’র গবেষণা কার্যক্রম শক্তিশালী করন প্রকল্পের উপ প্রকল্প পরিচালক ডঃ মোঃ আশিকুর রহমান।সভাপতির বক্তৃতায় মোঃ রফিকুল ইসলাম বিনা’রগবেষণায় উদ্ভাবিত ফসল দক্ষিন-পশ্চিম অঞ্চলে সম্প্রাসারণের ব্যাপক সুযোগ রয়েছে।চারটি জেলায় আলাদা আলাদা ধরনের ফসলের আবাদ করে থাকে এই অঞ্চলের কৃষকেরা। বিনা ১০ ধানটি লবণাক্ত সহিষ্ণু জাত। দক্ষিণ অঞ্চলের কৃষকরা লবণাক্ত এলাকায় বিনা ১০ জাতের ধানটি চাষ করতে পারেন। কিছু জায়গায় রয়েছে যেখানে আগাছা পর্যন্ত হয়না। কিন্তু সেখানে বিনা ১০ জাতের ধান চাষ করা সম্ভব। এই ধানের জাতটি ৯.৫ ডিএস পর্যন্ত লবণাক্ত সহ্য করতে পারে।


