স্থানীয় সংবাদ

দৌলতপুর জুট মিলের পরিত্যক্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ শ্রমিক আবাসিক ভবন অপসারণ শুরু

স্টাফ রিপোর্টারঃ বিজেএমসি নিয়ন্ত্রিত দৌলতপুর জুট মিলের পরিত্যক্ত ও ঝুকিপূর্ণ শ্রমিক আবাসিক ভবন অপসারণ শুরু করেছে কর্তৃপক্ষ। মিলের ঝুকিপূর্ন সাতটি ভবন ইতোমধ্যে টেন্ডার হয়েছে । ওই ঝুঁকিপূর্ন ভবনে ২০১৮ সালে জোরর্পূবক রাজনৈতিক পরিচয় ব্যবহার করে ১৬/১৭টি পরিবার বসবাস শুরু করে । রাজনৈতিক পরিচয় থাকার কারণে কর্তৃপক্ষ অনেকটা অসহায় হয়ে পড়ে অনেকবার তাদের ভবন ছাড়াতে বলা হলেও তারা কথা কর্ণপাত করেনি। সর্বশেষ গত ১৩ সেপ্টেম্বর ও ১৪ অক্টোবর ভবন ছাড়ার জন্য নোটিশ দেয়া হয় । এছাড়া মৌখিকভাবে বলা হয়। তারপরও তারা ভবনে অবৈধভাবে থাকার জন্য এখনও নানাভাবে তদ্বির করছেন। একই সাথে তারা ভবন ছেড়ে চলে যাবে বলে অঙ্গীকার নামা দেন। অবশেষে তারা ভবন ছাড়ার পর ঠিকাদার ভবন ভেঙ্গে ফেলার কাজ শুরু করেছেন। ৭টি শ্রমিক আবসিক ভবন ঝুকিপূর্ণ হওয়ায় কর্তৃপক্ষের অনুমতি সাপেক্ষে তা টেন্ডার আহবান করা হয় বলে মিলের প্রকল্প প্রধান তানজিলা মাহমুদ জানান। সে মতে ঠিকাদার ভবন ভাংচুর শুরু করেছেন। এক সপ্তাহের মধ্যেই পুরো ভবন অপসারণ কার্যক্রম সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশাবাদী। উল্লেখ, এ মিলটি বন্ধ হওয়ার পর লিজ প্রথায় কোন রকম খুড়িয়ে খুুড়িয়ে চলেছে।এই শিল্প প্রতিষ্ঠানটি ১৯৫৩ সালে স্থাপিত হয় এবং বাংলাদেশ স্বাধীন হওয়ার পর ১৯৭২ সালে এটিকে জাতীয়করণ করা হয়। অব্যাহত লোকসানের কারণে প্রতিষ্ঠানটিকে বেসরকারিকরণ করা হলেও মামলার কারণে হস্তান্তর জটিলতায় ২০০২ সালে এটিকে বন্ধ ঘোষণা করা হয়। দৌলতপুর জুট মিলটি ২০২৩ সালের সেপ্টেম্বরে রাষ্ট্রীয় মালিকানা থেকে ফরচুন গ্রুপের কাছে ইজারা দেওয়া হয় । এটি বন্ধ থাকার প্রায় সাড়ে তিন বছর পর পুনরায় চালু হয়। তবে, মিলটি চালু হলেও কিছু শ্রমিক ও সংশ্লিষ্টদের অভিযোগ, বেসরকারি ব্যবস্থাপনার কারণে শ্রমিকদের তেমন লাভ হচ্ছে না এবং মিলগুলো তাদের পূর্ণ সক্ষমতার এক চতুর্থাংশের কম উৎপাদন করছে। যার জন্য কর্তৃপক্ষ মিলটির একাংশ বন্ধ করে দিয়েছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button