সশস্ত্র বাহিনী দিবসেই মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার মেজর জলিলকে জাতীয় বীর ও বীর উত্তম উপাধি দিতে হবে

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ
জাতীয় বীর মুক্তিযুদ্ধে সেক্টর কমান্ডার জাসদের প্রতিষ্ঠাতা সভাপতি মেজর অব: এম এ জলিলের ৩৫তম মৃত্যুবার্ষিকীতে এক আলোচনা সভার আয়োজন করে জাসদ শাজাহান সিরাজ ১৯ নভেম্বর ২০২৫ বিকাল ৪ ঘটিকায় সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির শামসুল হক চৌধুরী ১নং হল রুম, ঢাকা।
আলোচনা সভায় সভাপতিত্ব করেন জাসদ শাজাহান সিরাজের সভাপতি মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিস।
আলোচনা সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, সুপ্রীমকোর্ট আইনজীবী সমিতির সভাপতি এডভোকেট এ এম মাহবুব উদ্দিন খোকন।
প্রধান আলোচক হিসেবে বক্তব্য রাখেন-গণফোরামের সভাপতি বীর মুক্তিযোদ্ধা এডভোকেট সুব্রত চৌধুরী।
বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখেন, বার কাউন্সিলের সদস্য এডভোকেট মাগফুর রহমান, সাবেক ছাত্র নেতা এডভোকেট সফিউল আলম,বিশিষ্ট আইনজীবী সোসাইন মোহাম্মদ সফিকুর রহমান, বিশিষ্ট আইনজীবী জননেতা ভাসানীর একান্ত ভক্ত এডভোকেট মিয়াজী, বিচারক এম এ রব হাওলাদার, বিশিষ্ট সমাজসেবক সাবেক সহকারী এটর্নীজেনারেল সৈয়দা জাহিদা সুলতানা রতœাজী, জাসদ শাজাহান সিরাজের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল জলিল, সহ সভাপতি এডভোকেট মাহবুব আলম দুলাল, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক শেখ বাদশাউদ্দিন মিন্টু, ন্যাপ ভাসানী চেয়ারম্যান এম এ ভাসানী, বাংলাদেশ উন্নয়ন পার্টি সভাপতি সৈয়দ মোখলেসু রহমান, ন্যাপ ভাসানী সভাপতি স্বপন কুমার সাহা, বরিশাল বিভাগ সমিতির যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক আ স ম মোস্তফা কামাল ও সদস্য নকিব হক, বিশিষ্ট সাংবাদিক রাজু আহমেদ খান ও নারী নেত্রী এলিজা রহমান।
প্রধান অতিথির ভাষনে: এডভোকেট মাহবুব উদ্দিন খোকন বলেন, দেশ স্বাধীনতার জন্য যখন সাধারণ লোক দিক বেদিক হারিয়ে ছিল সেই মূহুর্তে মেজর এম এ জলিল সেক্টও কমান্ডারের দায়িত্ব নিয়ে মুক্তিযুদ্ধ করে দেশ স্বাধীন করেন এবং স্বাধীনতার পর দেশকে গণতান্ত্রিক আইনের শাসনের ক্ষুধাদারিদ্রমুক্ত দেশ গড়ার শপথ নিয়ে ১৯৭২ সনে জাসদ প্রতিষ্ঠা করেন। এই জাসদের মূল ধারা নেতৃত্ব দিতেছেন জাসদ শাজাহান সিরাজ। আমি আশাকরি আগামী দিনে এই জাসদ জনগণের কল্যাণের জন্য মানুষের মুক্তির লক্ষে কাজ করবেন।
প্রধান আলোচক বীর মুক্তিযোদ্ধা সুব্রত চৌধুরী বলেন, স্বাধীনতার পর দেশ যখন গণতান্ত্রিক শাসনের পথ হারিয়ে ছিল জনগণের উন্নয়নের পথ দেখতে পায় নাই, সেই মূহুর্তে মেজর এম এ জলিল জাসদ প্রতিষ্ঠার করেন। তার স্বপ্ন ছিল মুক্তিযুদ্ধের চেতনার অসাম্প্রদায়িক ক্ষুধা দারিদ্র মুক্ত দেশ। সেই মেজর জলিলেরআদর্শ ধারন করে ২০২৪ সালে জাতীয় ঐক্যবদ্ধ হয়েছিল বৈষম্যহীন একটি আধুনিক দেশ গড়বে। কিন্তু আমরা দেখতে পাই বর্তমান অন্তবর্তীকালীন সরকার ২০২৪ সালে আন্দোলকে জলাঞ্জলি দিয়ে মব বিচার, মব চাঁদাবাজিতে নিয়োজিত, আমরা ইহার পরিত্রান চাই।
সভাপতির ভাষনে মোয়াজ্জেম হোসেন খান মজলিশ বলেন, মুক্তিযুদ্ধের বিশেষ ভুমিকা রাখার জন্য সেক্টও কমান্ডার মেজর এম এ জলিলকে সশস্ত্র বাহিনী দিবস ২০২৫ ই জাতীয় বীর ও বীম উত্তম উপাধি দেওয়ার জন্য অন্তবর্তীকালীন সরকারকে আহ্বান জানাই। ঐ সশস্ত্র দিবসে যদি মেজর এম এ জলিলকে জাতীয় বীর ও বীরউত্তম ঘোষণা না করা হয় জাতি আগামীতে ইহার সমিচীন জবাব দিবে।


