আসুন আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে সবাই একযোগে কাজ করি Ñ মঞ্জু

# নগরীর বিভিন্ন স্কুল-কলেজের শিক্ষক, ব্যাংক কর্মকর্তা ও বিএনপির প্রয়াত ও অসুস্থ নেতাদের বাসায় নেতৃবৃন্দ #
স্টাফ রিপোর্টার ঃ ‘প্রতিশোধ নয়, প্রতিহিংসা নয়, আসুন আমরা গণতন্ত্রকে প্রতিষ্ঠা করতে সবাই একযোগে কাজ করি’। এমন প্রত্যয় ব্যক্ত করে আগামী ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনা-২ আসনে ধানের শীষের প্রার্থী সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু বলেন, বাংলাদেশে সত্যিকার অর্থেই যদি আমরা টেকসই একটা ব্যবস্থা তৈরি করতে চাই, ব্যর্থ রাষ্ট্রে পরিণত হতে না চাই তাহলে গণতন্ত্রকে আমাদের এখানে প্রতিপালন করতে হবে। নির্বাচন আসছে। বিএনপির উপরে দায়িত্ব বেশি পড়ছে। বিএনপিকে সত্যিকার অর্থেই এমন একটা মোর্চা গড়ে তুলতে হবে যে মোর্চা গণতন্ত্রের জন্য লড়াই করেছে অতীতে, লড়াই করবে এবং গণতন্ত্রকে এখানে প্রতিষ্ঠানিক রূপ দেবে। এই মোর্চাই আমাদেরকে এখানে গড়তে হবে।
বুধবার (১৯ নভেম্বর) বেলা সাড়ে ১১টায় নগরীর আহসানউল্লাহ কলেজ, শহীদ সোহরাওয়ার্দী কলেজ, সিটি গার্লস কলেজ, খুলনা কলেজ ও পল্লীমঙ্গল স্কুলে যেয়ে শিক্ষকবৃন্দদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জু। পরে তিনি ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক সহসভাপতি মরহুম খন্দকার আবু সিদ্দিক, প্রবীণ রাজনীতিবীদ মরহুম সৈয়দ রফিকুল ইসলাম মিনু, অসুস্থ ইসমাইল হোসেন, ২৬নং ওয়ার্ড বিএনপির সাবেক প্রচার সম্পাদক অসুস্থ আকবর হোসেন এর বাসভবনে যান ও তাদের সুস্থতা কামনা করেন এবং পরিবারের কাছে দোয়া চান। এছাড়াও সন্ধ্যার পর নগরীর তেঁতুলতলা মোড়ে সোনাডাঙ্গা থানা বিএনপির কার্যালয়ে এসে জনতা ব্যাংক জাতীয়তাবাদী অফিসার কল্যাণ সমিতি ও সোনালী ব্যাংক খুলনা জেলা জিয়া পরিষদের নেতৃবৃন্দেরা
ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাত করেন। নেতৃবৃন্দদ্বয় সাবেক এমপি নজরুল ইসলাম মঞ্জুকে ফুলের তোড়া দিয়ে শুভেচ্ছা জানান এবং আগামী নির্বাচনে ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থীদের বিজয়ী করতে আগ্রহ প্রকাশ করেন। সাক্ষাতকালে নজরুল ইসলাম মঞ্জু অরোও বলেন, আমরা গণতন্ত্রে বিশ্বাস করি এবং গণতন্ত্রের জন্যই আমরা সারাজীবন ধরে লড়াই করেছি এবং বাংলাদেশের মানুষও তার গণতান্ত্রিক অধিকার জন্যই শত শত বছর ধরে লড়াই করেছে। সেই গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠার জন্য সবাইকে এক সঙ্গে কাজ করতে হবে।
সাক্ষাত এর সময় উপস্থিত ছিলেন, অধ্যাপক আরিফুজ্জামান অপু, নজরুল ইসলাম বাবু, আসাদুজ্জামান মুরাদ, ইকবাল হোসেন খোকন, আনোয়ার হোসেন, ইউসুফ হারুন মজনু, নিয়াজ আহমেদ তুহিন, শামসুজ্জামান চঞ্চল, শেখ জামিরুল ইসলাম জামিল, আকরাম হোসেন খোকন, রবিউল ইসলাম রবি, মেজবাহ উদ্দিন মিজু, আনিসুর রহমান আরজু, মহিউদ্দিন টারজান, বাচ্চু মীর,
রিয়াজুর রহমান, লিটু পাটোয়ারী, শরিফুল ইসলাম বাবু, ফিরোজ মোল্লা, ইকবাল হোসেন, মিজানুজ্জামান তাজ, আলমগীর হোসেন আলম, মোহাম্মাদ আলী, ইফতেখার জামান নবীন, মনিরুল ইসলাম, নুরুল ইসলাম লিটন, আমিনুল ইসলাম বুলবুল, শাকিল আহমেদ, ওহেদুজ্জামান, সুলতান সালাউদ্দিন সুমন, গোলাম নবী ডালু, আব্দুল্লাহ আল মামুন, নাদের খান, রাজিবুল আলম বাপ্পি, সেলিম বড় মিয়া, পারভেজ মোড়ল, মোস্তফা জামান মিন্টু, মিজানুর রহমান মিজান, ওহাব শরীফ, মাসুদ পারভেজ, সজল আকন নাসিব, মেখ আব্দুর রহমান, ইমরান হোসেন, আব্দুস সালাম, আতিকুর রহমান লিটন, মিকাইল হোসেন বাবুল, রাজু আহমেদ রাজ, সাজ্জাদ হোসেন, এস এম হোসেন সজল, শেখ আকতারুজ্জামান, ছিদ্দিক মাতবর, রবিউল আলম, মাহবুব রহমান, সাইমুন হোসেন, ফিরোজ আহমেদ, আল আমিন শেখ, রিফাত হোসেন, আলাউদ্দিন আলম, শাহনেওয়াজ, শামীম রেজা, মহিবুল্লাহ, মাসুদ রানা, সৈয়দ সরদার, আশিকুর রহমান, সালাউদ্দিন সান্নু, মোস্তাফিজুর রহমান, এস এম মাহমুদ, হারুন হাওলাদার, সাইফুল ইসলাম, কওসার সানা, ইমতিয়াজ সেজান, ইব্রাহিম খলিল, আজিম শেখ, বায়জিদ হাসান, জুয়েল রহমান, শফিকুল ইসলাম খোকন, মামুনুর রহমান রাসেল, শফিউদ্দিন আহমেদ, মহসীন খান, মারুফুর রহমান, তামিম হাসান, আতিকুর রহমান প্রমুখ।


