স্থানীয় সংবাদ

শীতের শুরুতে গরম পোশাক বিক্রি শুরু

# জুতার দোকানে ইচ্ছামত স্টিকার যুক্ত মূল্য নির্ধারণ করছে বিক্রেতা : অভিযোগ ক্রেতাদের #

স্টাফ রিপোর্টার : গেল কয়েকদিন যাবৎ শীতের উপস্থিত ভালোই বোঝা যাচ্ছে। আর এতে করে নগরীর ফুটপাত বিপনিবিতানগুলোত চলছে শীতের কাপড় বিক্রি। হঠাৎ ঠান্ডা অনুভব হওয়াতে ক্রেতারা আগে ভাগে গরম কাপড় কেনা শুরু করেছেন। ক্রেতাদের চাহিদার মধ্যে রয়েছে হুডি, সোয়েটার, টাইস, জ্যাকেট, বাচ্চাদের কানটুপি, মেয়েদের কার্ডিগান, মাফলার, মোজা, ট্রাউজার, ফুলহাতা গেঞ্জি, চাদর, শিশুদের জন্য হুডি জ্যাকেট, জাম্পার ও কাপড়ের জুতা কিনতে দেখা যায় ক্রেতাদের। এ দিকে দোকানিরা বলছেন এবছর নতুন ভাবে কোন গরম কাপড় আমদানি হয়নি। এছাড়া ঢাকা থেকে নতুন ভাবে কোন পোশাক আসেনি। আগের বছরের গরম পোশাক বিক্রি করছি। এছাড়া এবছর পোশাকের দাম বেশি নেয়া হয়না। এখন যেসব গরম কাপড় বিক্রি করছে ক্রেতারা এসব গেল বছরের পোশাক এবছর নতুন ভাবে শীতের পোশাক এখন উঠাতে পারিনি দোকানিরা। এমনটি বলছেন বিক্রেতারা। তবে অভিযোগ আছে নগরীর ডাকবাংলা এলাকা অধিকাংশ জুতার দোকানে নিজেরাই চায়না বা প্রতিবেশি দেশ ভারত হতে জুতা, স্যান্ডেল আমদানি করে। নিজেরাই গায়ে স্টিকার যুক্ত পণ্যের দাম নির্ধারণ করে বলছেন ভাই একদর। এছাড়া বলছেন কম্পিউটারে সফটয়ার করা আছে দাম কম রাখা যায়না। এভাবে নিজেরদর মত মনগড়া দাম নির্ধারণ করছে জুতার দোকানে। এ বিষয়ে কথা হয় ক্রেতা শান্তা আক্তারের সাথে তিনি বলেন, শীত পড়েছে আমার ছেলে ছয় বছর বয়স তার জন্য একটি জুতা ক্রয় করতে এসছিলাম ডাকবাংলো এলাকায়। এসব জুতার দোকানে নাম লেখা আছে স¤্রাট, আফজাল সুজ সহ বিভিন্ন ব্রান্ডের । তবে জুতার গায়ে কোন ব্রান্ড তা উল্ল্যেখ নেই। এছাড়া প্রতিটি জুতার দাম নিজেরাই নির্ধারণ করেছে। কোনটির দাম ১৬শ ৯৯ টাকা, বা ১৯শ ৭০ টাকা মান ভেদে দাম নির্ধারণ। আর এসব জুতার দাম কোন কম নেই। প্রথমে এংকর স¤্রাট, সেখানে একই অবস্থা এরপর গেলাম আফজাল সুজ সেখানে ও একই অবস্থা বলে একদর কোন কম নেই। আমাদের কম্পিউটারে দাম নির্ধারণ করা কম রাখার সুযোগ নেই। আমার প্রশ্ন তারা কিভাবে দাম নির্ধারণ করল এই প্রশ্ন। এছাড়া এসব জুতার কোন ব্রান্ড তার ও নির্ধারিত কোন নাম নেই লেখা। পুরো বাজারটি একটি সিন্ডিকেট চক্র বলে আমার মনে হয়। এ বিষযে কথা স¤্রাট এ্যাংকর এর মালিকের ভাগ্নে পরিচয় এক যুবক বলেন, আমরা জুতা ,স্যান্ডেল প্রতি দেড়শ টাকা থেকে দুইশ পযন্ত লাভ নেই। এ বিষয়ে খুলনা বিভাগীয় জাতীয় ভোক্তা অধিকারের উপঃপরিচালক মো: সেলিম বলেন, আমি বিষয়টি দেখছি আগামী সপ্তাহের মধ্যে তদন্ত করে ব্যবস্থা নিব।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button