স্থানীয় সংবাদ

ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানব রচিত আইন দিয়ে জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা কেউ দিতে পারবে না ঃ অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান

# ৬ নং ওয়ার্ডে জনশক্তি সমাবেশ #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা মহানগরী আমীর অধ্যাপক মাহফুজুর রহমান বলেছেন, ইসলামী শাসন প্রতিষ্ঠা ছাড়া মানব রচিত আইন দিয়ে জনসাধারণের জানমালের নিরাপত্তা কেউ দিতে পারবে না। তাই বিভাজন সৃষ্টি না করে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে একটি সুখী-সমৃদ্ধশালী রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় কাজ করতে হবে। আওয়ামী লীগ ফ্যাসিবাদী রাষ্ট্র কায়েম করে ক্ষমতায় থাকতে চেয়েছিল। কিন্তু ছাত্র- জনতার আন্দোলনে ফ্যাসিবাদ উৎখাত হয়েছে। কিন্তু ফ্যাসিবাদীদের দোসররা এখনো নানা ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। তাদের ষড়যন্ত্রের বিরুদ্ধে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে। শনিবার (২২ নভেম্বর) সকালে আফিলউদ্দীন স্কুল মাঠে খুলনা-৩ আসনের দৌলতপুর থানার ৬ নং ওয়ার্ড জামায়াতে ইসলামীর জনশক্তি সমাবেশে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন ।
ওয়ার্ড আমীর আমিনুর রহমানের সভাপতিত্বে ও সেক্রেটারি খোরশেদ আনোয়ার বিরাজ এর পরিচালনায় জনশক্তি সমাবেশে উপস্থিত ছিলেন খুলনা মহানগরী জামায়াতে ইসলামীর সহকারী সেক্রেটারি ও শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সভাপতি আজিজুল ইসলাম ফারাজী, দৌলতপুর থানা আমীর মাওলানা মুশাররফ আনসারী, ব্যবসায়ী থানা সভাপতি সিদ্দিকুর রহমান, শ্রমিকনেতা আল ফিদা হোসেন, আড়ংঘাটা থানা আমীর মনোয়ার আনসারী, জাফর সাদিক আনসারী, শ্রমিক কল্যাণ ফেডারেশনের মহানগরী সাধারণ সম্পাদক ডা. সাইফুজ্জামান, ইসলামী ছাত্রশিবিরের বি এল কলেজ সভাপতি হযরত আলী, জামায়াত নেতা কাজী জবেদ আলী, জি এম শাহাবুদ্দিন আহমেদ, আলী রেজা তাওয়াত, হাসিবুর রহমান, আবুল কাশেম, মতিয়ার রহমান, সাহিদুর রহমান নয়ন, হাকিম উদ্দীন প্রমুখ।
খুলনা-৩ আসনের এই এমপি প্রার্থী বলেন, “আমাদের এ জীবন ভোগের জন্য নয়, ত্যাগের জন্য। ইসলাম কোনো ভীরু-কাপুরুষের জন্য নয়। ইসলাম হলো হযরত খাব্বাব (রা.) এর মত বীর মুজাহিদদের জন্য। শত নির্যাতন সত্ত্বেও যারা সৎ সাহস নিয়ে দাঁড়াতে পারবে, তারাই বিজয়ী হবে, ইনশাআল্লাহ।
তিনি আরো বলেন, রাসূল (সা.) এর আদর্শ বাস্তবায়নে আমাদেরকে সদা তৎপর থাকতে হবে। আমরা যদি জামায়াতবদ্ধভাবে দ্বীন কায়েম তথা দাঈ ইলাল্লাহর কাজ যথাযথভাবে আঞ্জাম দিতে পারি, তবে আমরা দুনিয়া ও আখিরাতে সফলতার আশা করতে পারি। আল্লাহর জমিনে আমরা দ্বীন কায়েম করতে পারলাম কিনা-তিনি সেটা দেখবেন না। তিনি দেখবেন আমরা আন্তরিকতা ও খুলুসিয়াতের সাথে দ্বীনে হক কায়েমের চেষ্টা করেছি কিনা। তাই আমাদের সকলকে দ্বীন কায়েমের ব্যাপারে সক্রিয়ভাবে সচেষ্ট থাকতে হবে এবং দেশের স্বাধীনতা-সার্বভৌমত্ব রক্ষায় প্রকৃত পাহারাদারের ভূমিকা পালন করতে হবে।”
তিনি বলেন, “ইসলামের দাওয়াত পৌঁছাতে হলে প্রথমে নিজেদেরকে যোগ্য হিসেবে গড়ে তুলে সাধারণ মানুষের পাশে এসে দাঁড়াতে হবে। মানুষের সেবায় নিজেদেরকে বিলিয়ে দিতে হবে। সমাজসেবার কাজে নিজেদের দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। দ্বীন প্রতিষ্ঠার কাজের সাথে সাথে মানবতার সেবার কাজকেও অগ্রাধিকার দিতে হবে। কারণ মানবতার সেবাও নবী (আ.) দের কাজ। জামায়াত হবে অসহায় দরিদ্র মানুষের আশ্রয়স্থল।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button