স্থানীয় সংবাদ

জ¦ালাানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরও ফিলিং স্টেশনে লম্বা লাইন

# প্রখর রোদে ভোগান্তি জনগণের #

শেখ ফেরদৌস রহমান ঃ জ¦ালানি তেলের মূল্য বৃদ্ধির পরও আগের মত ফিলিং স্টেশনে লম্বা লাইন ক্রেতাদের। অনেকেই ভবিষ্যতে তেলের দাম বাড়বে এমনকি তেলের সরবরাহ সংকট হয়ে যাবে এমন আশংকায় তেল মজুদ করছে। আর আইনশৃঙ্খলা বাহিনী হাজার হাজার লিটার তেল উদ্ধার করছে। তবে গতকাল রবিবার থেকে ভোক্তার অকটেন প্রতি লিটারে ২০ টাকা বাড়িয়ে বিক্রি হচ্ছে ১৪০ টাকা, পেট্রোল ১৯টাকা বাড়িয়ে ১৩৫ টাকা, ডিজেল ১৫ টাকা বাড়িয়ে ১১৫ টাকা বিক্রি হচ্ছে ভোক্তা পর্যায়ে। এরপর থেকে অনেক সাধারণ মানুষ ও সংশ্লিষ্টরা ব্যক্তিরা মনে করেছিল যে এবার এবার ভোক্তা পর্যায়ে ভোগান্তি কমবে। তবে, গতকাল নগরীর বিভিন্ন ফিলিং স্টেশনে ঘুরে দেখা গেছে ভিন্ন চিত্র। সেই আগের মত লম্বা লাইন ভোক্তাদের আর প্রখর রোদ্রের মধ্যে তিনশ’ টাকা জ¦ালানি তেল নেয়ার জন্য ঘন্টার পর ঘন্টা অপেক্ষা করছে ভোক্তারা। বিষয়টি নিয়ে কথা হয় ভোক্তা আহসানুল হক নয়নের সাথে তিনি বলেন, গতকাল রাত্রে হঠাৎ করে সরকারীভাবে প্রজ্ঞাপন জারি করা হয়েছে তেলের দাম বৃদ্ধির জন্য। আমরা ভেবেছিলাম তাহলে আজ হয়তো বা পাম্প গুলোতে তেলের লাইন দীর্ঘ হবেনা। তবে বাস্ত চিত্র এখনও ভিন্ন। সেই আগের মত তিনশ টাকার বেশি তেল দিচ্ছেনা পাম্প মালিকেরা। আমি যদি ৭০ থেকে ৮০ কিঃ মিঃ পর্যন্ত বাইক নিয়ে চলাচল করি তেল শেষ হয়ে যাবে। আবারও আগামীকাল তেল নিতে সেই লাইনে দাঁড়িয়ে অপেক্ষা। এমনভাবে যদি প্রতিদিন তেল নিয়ে ভোক্তাদের ভোগান্তি পোহাতে হয় তাহলে তেলের দাম বাড়িয়ে কোন কাজ হবেনা। তবে বিষয়টি নিয়ে সচেতন নাগরিক মোঃ মাহবুবুর রহমান মনে করেন যে তেলের দাম বৃদ্ধির কারণে আমাদের দৈনন্দিন জীবনে এর একটি নেতিবাচক প্রভাব পড়বে একদিকে যাতায়াত বাবদ খরচ বাড়বে পাশাপাশি নিত্যপণ্যের বাজারে এর একটি প্রভাব পড়বে। যেমন বাজার খরচ, পরিবহণ খরচ, কারখানা, বিদ্যুৎসহ সব সার্বিকভাবে এর প্রভাব পড়বে। এছাড়া আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের দাম বেড়েছে। মূলতঃ মধ্যপ্রাচ্য যুদ্ধের কারণে এই প্রভাব তবে আশাবাদি যে দ্রুত সময়ের মধ্যে এই প্রকট সমস্যার একটি সমাধান হবে। পরিস্থিতি স্বাভাবিক হলে লাইনের দীর্ঘটা স্বাভাবিক হবে। এছাড়া এখন উচিত একটি অ্যাপস ব্যবহার করে চালকদের ডাটা নিয়ে সবাইকে চাহিদা অনুযায়ী তেল সরবারাহ করা তাহলে পরিস্থিতি স্বাভাবিক হতে পারে। বিষয়টি নিয়ে পেট্রোল পাম্প মালিক সমিতির সভাপতি আব্দুল গাফ্ফার বিশ^াস বলেন, বর্তমানে পেট্রোল পাম্পগুলোতে জ্বালানি সংগ্রহরে জন্য যে উপচে পড়া ভিড় লক্ষ করা যাচ্ছে, । এ অবস্থা সামলাতে সাধারণ গ্রাহকদের অবশ্যই সংযত হতে হবে। তবে তিনি আরও বলেন, পেট্টোল পাম্পগুলোতে চাহিদার চেয়ে জ্বালানি তেল ১০ শতাংশও দেয়া হচ্ছে না। হঠাৎ করে স্বাভাবিক সময়ের থেকে প্রায় ৩০% বেশি চাপ পড়েছে। অপরদিকে সরকার প্রচার করছে জ্বালানির ঘাড়তি নেই। যা জনদূর্ভোগের কারণ হয়ে দাঁড়ায়। পাম্প মালিকদের রোষানলে পড়তে হয়। এছাড়া ডিপোগুলোও স্বজনপ্রীতি হচ্ছে। যাদের সাথে সম্পর্ক ভালো তাদের জালানি তেল দিচ্ছে, অপরদিকে অনেককে জালানি তেল দিচ্ছেই না। যার ফলে অনেক পাম্প বন্ধও হয়ে যাচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button