ইসলামী আন্দোলনের দায়িত্বশীলদের আদর্শ, তাকওয়া, সাংগঠনিক দক্ষতা ও আত্মগঠনে তৎপর হতে হবে : বেগম গুলশান কামিনী

# খুলনার উপজেলা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষা শিবির #
খবর বিজ্ঞপ্তি
বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা অঞ্চল পরিচালিকা বেগম গুলশান কামিনি বলেছেন, একজন মুমিনের পুরো জীবনই আল্লাহর সন্তুষ্টির জন্য নিবেদিত হওয়া উচিত। শুধু নামাজ বা ইবাদতের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; বরং আমাদের চিন্তা, কাজ, ত্যাগ, দায়িত্ব ও জীবনযাপনের প্রতিটি ক্ষেত্র আল্লাহর নির্দেশনা অনুযায়ী পরিচালিত হওয়াই প্রকৃত দ্বীনদারীর পরিচয়। এ সময় তিনি প্রশিক্ষণার্থীদের উদ্দেশে ব্যক্তি, সামাজিক ও রাষ্ট্রীয় সকল ক্ষেত্রে যোগ্যতার স্বাক্ষর রাখার প্রতি গুরুত্বারোপ করেন। পাশাপাশি তিনি ইসলামী আন্দোলনের কর্মীদের আদর্শ, তাকওয়া, সাংগঠনিক দক্ষতা ও আত্মগঠনের কাজে তৎপর হওয়ার আহ্বান জানান। শুক্রবার (১৫ মে) দিনব্যাপী নগরীর আল ফারুক সোসাইটি মিলনায়তনে খুলনা জেলা মহিলা জামায়াতে ইসলামীর উদ্যোগে উপজেলা মজলিসে শূরা ও কর্মপরিষদ সদস্য শিক্ষা শিবিরে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ সব কথা বলেন।
খুলনা জেলা মহিলা সেক্রেটারি ও খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য অধ্যাপিকা আইনুন্নাহার আনজুর সভাপতিত্বে এবং জেলা কর্মপরিষদ আইনুন নাহার আনজু ও ফয়জুন নাহার পাঠানের সঞ্চালনায় বিশেষ অতিথি খুলনা অঞ্চল টিম সদস্য বেগম রেজাউন্নেসা, খুলনা মহানগরী মহিলা সেক্রেটারি বেগম শামসুন্নাহার, সিরাজুম মুনিরা। শুভেচ্ছা বক্তৃতা করেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কেন্দ্রীয় মজলিসে শূরা সদস্য ও খুলনা জেলা আমীর মুহা. এমরান হুসাইন। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন শাহনাজ পারভিন, উম্মে আসমা, আকলিমা রহমান, শাহনাজ, হালিমা, মাহফুজা খাতুন প্রমুখ।
শিক্ষা শিবিরে বক্তৃতা বলেন, ইসলাম বিশ্ব জনীন এক চিরন্তন ও শাশ্বত পূর্ণাঙ্গ জীবনব্যবস্থা। ইসলামে রয়েছে নারীর সম্মান, মর্যাদা ও সকল অধিকারের স্বীকৃতি। মানব সভ্যতার বিকাশে নারীর ভূমিকা সম্পর্কে পবিত্র কালামে হাকীমের সূরা আল হুজুরাতের ১৩নং আয়াতে এরশাদ হয়েছে, ‘হে মানবজাতি! আমি তোমাদেরকে একজন পুরুষ ও একজন নারী থেকে সৃষ্টি করেছি। পরে তোমাদের বিভক্ত করেছি বিভিন্ন জাতি ও গোত্রে, যাতে তোমরা পরস্পরের সঙ্গে পরিচিত হতে পারো।’ মূলত, আল্লাহর জমীনে আল্লাহর দ্বীন প্রতিষ্ঠার ক্ষেত্রে পুরুষদের মতো নারীদেরও উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রয়েছে। দ্বীন তথা ইসলামের প্রচার-প্রসারে নারীদের যথাযথ ভূমিকা পালনের মাধ্যমে মানবজীবনে পূর্ণ দ্বীন বাস্তবায়ন, ইহকালীন ও পরকালীন সফলতা অর্জন সম্ভব। তাই দেশ ও জাতির ক্রান্তিকালে নারীদের ঘরে বসে থাকলে চলবে না বরং ন্যায়-ইনসাফের সমাজ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে তাদেরকে নারী অঙ্গনে আপাষহীন ভূমিকা পালন করতে হবে।

