স্থানীয় সংবাদ

“বি কোম্পানি’র আড়ালে সন্ত্রাস-চাঁদাবাজির নেটওয়ার্ক : কসাই লিটনসহ আটক ২, অভিযান চলবে কঠোরভাবে”

# প্রেসবিফ্রিংয়ে ডিবি ডিসি মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া #

স্টাফ রিপোর্টার ঃ
খুলনা মহানগরীতে শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর অন্যতম সহযোগী ও কথিত ‘ক্যাশিয়ার’ মো. লিটন মীর ওরফে কসাই লিটন এবং তার সহযোগী রিফাত হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশের (কেএমপি) গোয়েন্দা বিভাগ (ডিবি)। শুক্রবার রাতে মহানগরীর বিভিন্ন এলাকায় বিশেষ অভিযান চালিয়ে তাদের গ্রেপ্তার করা হয়। পরে শনিবার সকাল সাড়ে ১১টায় কেএমপি ডিবি কার্যালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে এ তথ্য জানান ডেপুটি পুলিশ কমিশনার (ডিবি) মোহাম্মদ আহাদুজ্জামান মিয়া।
গ্রেপ্তাররা হলেনÑ মো. লিটন মীর ওরফে ‘কসাই লিটন’ (৪০)। তিনি সোনাডাঙ্গা থানার শেখপাড়া এলাকার লোহাপট্টি মোড়ের আহমেদ মিয়ার বাড়ির ভাড়াটিয়া। অপরজন মো. রিফাত হোসেন (২৩)। তার বাড়ি সোনাডাঙ্গা থানার পৈপাড়া বিসমিল্লাহ মহল্লায়।
ব্রিফিংয়ে ডিবি পুলিশ জানায়, খুলনা মহানগরীতে সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ব্যবসা ও কিশোর গ্যাংসহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে কেএমপির সব ইউনিট সমন্বিতভাবে নিয়মিত চেকপোস্ট, বিশেষ অভিযান ও চিরুনি অভিযান পরিচালনা করছে। এরই ধারাবাহিকতায় গোয়েন্দা তথ্যের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে তাদের আটক করা হয়।
ডিবির পক্ষ থেকে বলা হয়, গ্রেপ্তারের পর আসামিদের ব্যবহৃত মোবাইল ফোন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের কার্যক্রম এবং অন্যান্য ডিজিটাল তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণ করে গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পাওয়া গেছে। প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে তারা ‘বি কোম্পানি’ নামে পরিচিত একটি ব্যানারের সঙ্গে সম্পৃক্ত থাকার তথ্য দিয়েছে।
পুলিশের দাবি, লিটন কসাই শীর্ষ সন্ত্রাসী গ্রেনেড বাবুর ‘ক্যাশিয়ার’ হিসেবে কাজ করতেন। এছাড়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে অসহায় ও দুস্থদের সহায়তা, উপহার সামগ্রী বিতরণ এবং জনকল্যাণমূলক কর্মকা-ের প্রচারণার আড়ালে সংঘবদ্ধ অপরাধমূলক কর্মকা- পরিচালনার তথ্যও পেয়েছে ডিবি।
ডেপুটি পুলিশ কমিশনার আহাদুজ্জামান মিয়া বলেন, “খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি ও মাদকসহ সব ধরনের অপরাধের বিরুদ্ধে জিরো টলারেন্স নীতি অনুসরণ করছে। আইন অমান্যকারী যে-ই হোক না কেন, তাকে আইনের আওতায় আনা হবে।” তিনি আরও বলেন, মহানগরীতে অপরাধ দমনে বিশেষ অভিযান ভবিষ্যতেও অব্যাহত থাকবে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button