দিঘলিয়ায় বরাকপুর খেয়াঘাটের ইজারা নিয়ে প্রতারণা ও প্রাণনাশের হুমকির অভিযোগ

স্টাফ রিপোর্টার ঃ খুলনার দিঘলিয়া উপজেলার বরাকপুর খেয়াঘাটের ইজারা ও পরিচালনাসংক্রান্ত বিষয়ে আলী আকবর নামে এক ব্যক্তির বিরুদ্ধে প্রতারণা ও হুমকি প্রদানের অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী ব্যবসায়ী মো: ইয়াজুল ইসলাম দিঘলিয়া থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, বিবাদী আলী আকবর বিআইডব্লিউটিএ থেকে ইজারা নেওয়া বরাকপুর খেয়াঘাটটি চলতি বছরের ২৬ শে ফেব্রুয়ারি ভুক্তভোগী ইয়াজুল ইসলামের কাছে ১ বছরের জন্য ভাড়া দেন। চুক্তিমূল্য হিসেবে ইয়াজুল ইসলাম অগ্রিম ১৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। পরবর্তীতে বিবাদী আলী আকবর পুরো এক বছরের অর্থ এককালীন প্রদানের শর্ত দিলে, ইয়াজুল ইসলাম তাকে নগদ আরও ১৩ লাখ টাকা প্রদান করেন। এর বিপরিতে আকবার ইসলামী ব্যাংকের একটি চেক নং-১৯৫৭৯৪৮-এর মাধ্যমে এ নিয়ে বিবাদীকে মোট ২৬ লাখ টাকা প্রদান করেন ভুক্তভোগী। অভিযোগে আরও উল্লেখ করা হয়, পরবর্তী বছরের ওয়ার্ক পারমিট দেওয়ার কথা বলে বিবাদী মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে ভুক্তভোগীর কাছ থেকে আরও কয়েক দফায় টাকা হাতিয়ে নেন। কিন্তু গত ৩০/০৬/২০২৬ তারিখে বিবাদী প্রতারণামূলকভাবে ভুক্তভোগীর অনুমতি বা অজান্তেই একই খেয়াঘাটের ওয়ার্ক পারমিট ও পরিচালনার অধিকার সিয়াম হোসেন নামে অপর এক ব্যক্তির কাছে হস্তান্তর করেন। ভুক্তভোগী ইয়াজুল ইসলাম জানান, গত ০৪/০৭/২০২৬ তারিখে সিয়াম হোসেন নামক ব্যক্তি খেয়াঘাটে এসে তাকে ঘাট ছেড়ে দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন এবং বিভিন্নভাবে ভয়ভীতি প্রদর্শন করেন। এতে তিনি চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন এবং আর্থিকভাবে ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন। এ বিষয়ে ভুক্তভোগী ইয়াজুল ইসলাম বলেন, “একই ঘাটের ওয়ার্ক পারমিট একাধিক ব্যক্তির কাছে দিয়ে বিবাদী আমার সঙ্গে প্রতারণা করেছেন। আমি এখন আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়ে পড়েছি এবং প্রতিনিয়ত হুমকির মুখে আছি।”অভিযোগের বিষয়ে জানতে চাইলে দিঘলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জানান, অভিযোগটি তারা পেয়েছেন এবং বিষয়টি গুরুত্বসহকারে খতিয়ে দেখা হচ্ছে। তদন্তসাপেক্ষে প্রয়োজনীয় আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। ভুক্তভোগী প্রশাসনের কাছে এ প্রতারণার সুষ্ঠু বিচার এবং তার পাওনা অর্থ উদ্ধারের দাবি জানিয়েছেন।



