স্থানীয় সংবাদ

কেসিসি আয়োজিত আলোচনা সভায় নজরুল ইসলাম মঞ্জু

# জুলাই শহিদ দিবস পালন উপলক্ষ্যে #

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ চব্বিশের জুলাই আন্দোলনের মূল লক্ষ্য ছিল ফ্যাসিস্ট সরকারকে বিতাড়িত করে একটি জনগণের সরকার প্রতিষ্ঠা করা। একটি কর্তৃত্ববাদী সরকার ষোল বছরে দেশকে ধ্বংসের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে গিয়েছিলো। অবৈধভাবে ক্ষমতা ধরে রাখতে তারা দুর্নীতি, স্বজনপ্রীতি, প্রতিপক্ষদের দমন, নিপীড়নসহ নানা ধরণের চক্রান্ত ও অপকৌশলের আশ্রয় নিয়েও তারা ক্ষান্ত থাকেনি। নির্বিচারে মানুষ হত্যা ও গুমের মত চরম মানবাধিকার লঙ্ঘন করেও ক্ষমতা ধরে রাখতে চেয়েছিল। কিন্তু দলমত নির্বিশেষে সকল শ্রেণি-পেশার মানুষ পরিবার-পরিজন নিয়ে এই আন্দোলনে ঝাপিয়ে পড়ে এবং সর্বশেষ ফ্যাসিস্ট সরকারের প্রধানসহ তাদের সহযোগীরা দেশ থেকে পালিয়ে যায়। খুলনা সিটি কর্পোরেশনের প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু বৃহস্পতিবার দুপুরে নগর ভবনের শহিদ আলতাফ মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনা সভা ও দোয়া মাহফিলে প্রধান অতিথির বক্তৃতা করছিলেন। জুলাই শহিদ দিবস-২০২৬ পালন উপলক্ষে খুলনা সিটি কর্পোরেশন এ আলোচনা সভার আয়োজন করে। দিবসটি পালন উপলক্ষে সকাল ৯টায় প্রশাসক কর্মকর্তাদের সাথে নিয়ে নগরীর শিববাড়ি মোড়ে জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণের মাধ্যমে জুলাই আন্দোলনে শহিদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। বেগম রোকেয়া বিশ^বিদ্যালয়ের সাহসী ছাত্র বীর আবু সাঈদ-কে শ্রদ্ধার সাথে স্মরণ করে প্রশাসক আরো বলেন, আজকের দিনে প্রকাশ্যে গুলি করে তাকে হত্যা করা হয়েছিল এবং তার আত্মদানের মধ্য দিয়ে জুলাই আন্দোলন নতুনভাবে দানা বেঁধেছিল। মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমাদের সন্তানদের রক্তের ওপর দাড়িয়ে দেশকে নেতৃত্ব দিচ্ছেন উল্লেখ করে তিনি বলেন, তিনি যেন আন্দোলনের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করতে পারেন এবং একটি শান্তির দেশ গড়ে তুলতে পারেন সে জন্য সকলের দোয়া ও সহযোগিতা কামনা করেন। কেসিসি’র প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা রাজিব আহমেদ-এর সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত আলোচনা সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন জুলাই আন্দোলনে শহীদ শেখ সাকিব রায়হানের পিতা শেখ আজিজুর রহমান। কেসিসি’র প্রধান প্রকৌশলী মশিউজ্জামান খান, সচিব মো: রেজা রশীদ, প্রধান রাজস্ব কর্মকর্তা রহিমা সুলতানা বুশরা, প্রধান পরিকল্পনা কর্মকর্তা আবির উল জব্বার, বাজেট কাম একাউন্টস অফিসার মো: মনিরুজ্জামান, প্রধান স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ডা. শরীফ শাম্মিউল ইসলামসহ কেসিসি’র কর্মকর্তা-কর্মচারী ও ওয়ার্ডের ক্ষমতাপ্রাপ্ত কর্মকর্তাগণ সভায় উপস্থিত ছিলেন। আলোচনা সভা শেষে শহীদদের রূহের মাগফেরাত কামনা করে এবং আহতদের উজ্জ্বল ভবিষ্যৎ কামনা করে দোয়া করা হয়। দোয়া পরিচালনা করেন কেসিসি মসজিদের ইমাম হাফেজ মো: হাবিবুল্লাহ।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button