স্থানীয় সংবাদ

কেকেবিএইউতে স্বতন্ত্র বেতন-স্কেল অনুমোদন শিক্ষক : কর্মকর্তা-কর্মচারীদের মধ্যে খুশির জোয়ার

খবর বিজ্ঞপ্তি ঃ খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের (কেকেবিএইউ) জন্য একটি স্বতন্ত্র বেতন-স্কেল অনুমোদন করা হয়েছে। এ লক্ষ্যে প্রয়োজনীয় সকল প্রক্রিয়া সম্পন্নের পর বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. গোলাম রহমান স্বতন্ত্র বেতন-স্কেল সংক্রান্ত নোটে স্বাক্ষরের মাধ্যমে এ অনুমোদন প্রদান করেন। এর ফলে গত ১ জুলাই ২০২৬ খ্রি. থেকে নতুন এ বেতন-স্কেল কার্যকর হয়েছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের কর্মরত শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা নতুন এ বেতন-স্কেল অনুযায়ী বেতন-ভাতাদি প্রাপ্য হবেন। সরকারি ২০১৫ সালের জাতীয় বেতন স্কেলের তুলনায় এক ধাপ এগিয়ে এ স্বতন্ত্র বেতন-স্কেল নির্ধারণ করা হয়েছে। এতে মূল বেতনের পাশাপাশি বাড়ি ভাড়া ও চিকিৎসা ভাতার সঙ্গে যাতায়াত ভাতাও অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে। ২০২৩ সালের জানুয়ারি মাসে শিক্ষা কার্যক্রম শুরুর মাত্র সাড়ে তিন বছরের মধ্যেই বিশ্ববিদ্যালয়ের জন্য একটি স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো প্রণয়ন ও কার্যকর করা কেকেবিএইউ’র অগ্রযাত্রায় একটি গুরুত্বপূর্ণ অর্জন।
পে-স্কেল অনুমোদনের এ গুরুত্বপূর্ণ ও যুগোপোযোগী সিদ্ধান্ত গ্রহণ ও বাস্তবায়নের জন্য বিশ্ববিদ্যালয়ের বোর্ড অব ট্রাস্টিজের চেয়ারম্যান প্রফেসর ড. গোলাম রহমান, বোর্ড অব ট্রাস্টিজের সদস্যবৃন্দ, উপাচার্য (ডেজিগনেট), সিন্ডিকেট, একাডেমিক কাউন্সিল, অর্থ কমিটি এবং বেতন-স্কেল প্রণয়ন কমিটির সকল সদস্যের প্রতি আন্তরিক কৃতজ্ঞতা, ধন্যবাদ ও শুভেচ্ছা জ্ঞাপন করেছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ।
এ উপলক্ষে আজ ২০ আগস্ট ২০২৬ খ্রি. বিশ্ববিদ্যালয়ের সম্মেলন কক্ষে শুকরিয়া জ্ঞাপনের জন্য এক বিশেষ দোয়ার আয়োজন করা হয়। এতে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য (ডেজিগনেট), ডিন, রেজিস্ট্রার, পরীক্ষা নিয়ন্ত্রক, বিভিন্ন বিভাগের বিভাগীয় প্রধান এবং শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীবৃন্দ অংশগ্রহণ করেন। দোয়া মাহফিলে মহান আল্লাহ পাকের দরবারে দেশের অগ্রগতি, শান্তি ও সমৃদ্ধির পাশাপাশি খুলনা খান বাহাদুর আহ্ছানউল্লা বিশ্ববিদ্যালয়ের সার্বিক উন্নতি ও সমৃদ্ধি কামনা করা হয়।
স্বতন্ত্র বেতন কাঠামো চালুর ফলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক, কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের এ ব্যাপারে গত দুই বছর ধরে অপেক্ষার অবসান হয়েছে। এ পে-স্কেল বাস্তবায়নের ফলে এই বিশ্ববিদ্যালয়ে কর্মরতদের পেশাগত মর্যাদা, কর্মস্পৃহা ও দায়িত্বশীলতা আরও বৃদ্ধি পাবে এবং বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষা, প্রশাসন ও সার্বিক কার্যক্রমে ইতিবাচক গতি সঞ্চারিত হবে বলে তারা আশাবাদ ব্যক্ত করেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button