চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল ইসলাম মোড়লের সংবাদ সম্মেলন

স্টাফ রিপোর্টার ঃ পুরোনো স্থিরচিত্র (ছবি) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে সমাজে বিভ্রান্তি সৃষ্টি ও অপপ্রচারের তীব্র প্রতিবাদ জানিয়েছেন খুলনা জেলার ডুমুরিয়া উপজেলার খর্নিয়া ইউনিয়নের স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী সাইফুল ইসলাম মোড়ল। ১২ নভেম্বর (মঙ্গলবার) দুপুর ১১টা ৩০ মিনিটে খুলনা প্রেসক্লাবে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন। সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠকালে সাইফুল ইসলাম মোড়ল জানান, জীবিকার প্রয়োজনে তিনি প্রায় ১৭ বছর ধরে যুক্তরাষ্ট্রে বসবাস করছেন। প্রবাসে থাকলেও তিনি নিজের শিকড় ও এলাকার মানুষের কথা ভুলে যাননি। সাধ্য অনুযায়ী খর্নিয়া ইউনিয়নে মসজিদ, মন্দির, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা ও উন্নয়ন, করোনাকালে ক্ষতিগ্রস্ত ১ হাজার পরিবারকে খাদ্যসামগ্রী ও ৪টি অক্সিজেন সিলিন্ডার বিতরণ, মেধাবী শিক্ষার্থীদের বৃত্তি প্রদান এবং রাস্তাঘাটের উন্নয়নে ধারাবাহিকভাবে সহযোগিতা করে আসছেন। তিনি ছাত্রজীবনে ছাত্রদলের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন বলেও উল্লেখ করেন। তার বিরুদ্ধে চলমান অপপ্রচারের প্রেক্ষাপট বর্ণনা করতে গিয়ে তিনি বলেন, ২০১৭ সালে মায়ের অসুস্থতার খবর পেয়ে তিনি দেশে আসেন এবং সে সময় একটি রাজনৈতিক মামলায় জড়িয়ে পড়েন। পরবর্তী সময়ে বিদেশে যাওয়ার আইনি জটিলতা নিরসনে তিনি তৎকালীন খুলনা-৫ আসনের সংসদ সদস্যের সঙ্গে যোগাযোগ করতে বাধ্য হন। সম্প্রতি সেই সময়ের কিছু ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ছড়িয়ে দিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহল তার বিরুদ্ধে বিভ্রান্তি ও অপপ্রচার চালাচ্ছে। এ বিষয়ে সাইফুল ইসলাম মোড়ল বলেন, “একটি ছবি কখনো একটি ঘটনার পুরো প্রেক্ষাপট তুলে ধরে না। ছবি দিয়ে ১৭ বছরের উন্নয়নমূলক কর্মকা-, সামাজিক অবস্থান কিংবা মানুষের পাশে দাঁড়ানোর ইতিহাস বিচার করা যায় না।” তিনি জনগণকে যেকোনো ঘটনার সত্যতা যাচাই করে সিদ্ধান্ত নেওয়ার আহ্বান জানান। সংবাদ সম্মেলনে তিনি অভিযোগ করে আরও বলেন, কিছু ব্যক্তি তার কাছে অবৈধ অর্থ দাবি করছে এবং দাবি না মানলে মিথ্যা মামলায় জড়িয়ে দেওয়ার হুমকি দিচ্ছে। এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় তথ্য-প্রমাণ রয়েছে উল্লেখ করে তিনি বলেন, “আমি আইনশৃঙ্খলা ও আইনি প্রক্রিয়ার মাধ্যমে এর বিচার চাই। কোনো পাল্টা বক্তব্য না দিয়ে আইনের পথেই এই হুমকির মোকাবিলা করা হবে।”খর্নিয়া ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থিতার বিষয়ে সাইফুল ইসলাম মোড়ল স্পষ্ট করে বলেন, “আমি কোনো ব্যক্তিগত প্রতিশোধ বা বিভাজন তৈরির জন্য প্রার্থী হইনি। দল-মত-ধর্ম নির্বিশেষে জনগণের আস্থা অর্জন এবং এলাকার প্রকৃত উন্নয়ন নিশ্চিত করাই আমার মূল লক্ষ্য।”সংবাদ সম্মেলনের শেষপর্যায়ে সাংবাদিকদের উদ্দেশ্যে তিনি বলেন, “আমাকে শুধু একটি ছবি দিয়ে বিচার না করে আমার কাজের খোঁজ নিন, এলাকার মানুষের সঙ্গে কথা বলুন। আমি অপপ্রচারের জবাব সত্য দিয়ে, হুমকির জবাব আইনের পথে এবং মানুষের আস্থার জবাব উন্নয়নমূলক কাজের মাধ্যমে দেব।”



