কুমিল্লায় বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণ

প্রবাহ রিপোর্ট : কুমিল্লার লালমাইয়ে চিপস কিনে দেওয়ার প্রলোভন দেখিয়ে এক বাকপ্রতিবন্ধী তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছে। গত বৃহস্পতিবার সকালে উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়নের পোহনকুচা গ্রামের একটি নির্মাণাধীন ভবনের এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী তরুণীর বাবা মামলা করার পর পুলিশ জাহাঙ্গীর (৩৫) নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে। গ্রেপ্তার জাহাঙ্গীর উপজেলার বাগমারা দক্ষিণ ইউনিয়নের পোহনকুচা গ্রামের মৃত আরব আলীর ছেলে। লালমাই থানার ওসি মো. শাহ আলম এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ভুক্তভোগী তরুণীর স্বজনরা জানান, ওই তরুণী শারীরিক ও বাকপ্রতিবন্ধী। প্রতিদিন সকালে বাড়ির পাশের রাস্তায় হাঁটাহাঁটি করে। গত বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে ৭টার দিকে বাড়ি থেকে বের হলে জাহাঙ্গীর তাকে সড়কের পাশে থাকা দুলালের দোকান থেকে একটি চিপস কিনে দেন। একপর্যায়ে কৌশলে পাশের নির্মাণাধীন একটি ভবনের শ্রমিকদের রুমে নিয়ে যান। বিষয়টি জানাতে পেরে দ্রুত সেখানে গিয়ে শ্রমিকদের রুমে জাহাঙ্গীর ও রজ্জব আলীর ছেলে বাহার মিয়াকে (৫০) জোরপূর্বক ধর্ষণ করতে দেখা যায়। অপ্রীতিকর অবস্থায় দেখতে পেয়ে বাহারকে চড়-থাপ্পড় দেওয়া হলে কৌশলে দুজন পালিয়ে যান। এ বিষয়ে লালমাই থানার ওসি মো. শাহ আলম বলেন, প্রতিবন্ধী তরুণীকে সংঘবদ্ধ ধর্ষণের ঘটনায় তার বাবা বাদী হয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে দুজনের নাম উল্লেখ করে থানায় মামলা করেছেন। এ ঘটনায় এক নম্বর আসামিকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। ভুক্তভোগী তরুণীকে মেডিকেল চেকআপের জন্য শনিবার সকালে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হবে।


