একাদশে ভর্তির আবেদন শুরু ১৫ সেপ্টেম্বর : ক্লাস ১২ নভেম্বর

প্রবাহ রিপোর্ট ঃ উচ্চমাধ্যমিকের একাদশ শ্রেণিতে ভর্তি কার্যক্রম ও ক্লাস শুরুর রোডম্যাপের খসড়া তৈরি করেছে আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটি। খসড়া রোডম্যাপ অনুযায়ী, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইনে ভর্তি আবেদন শুরু হবে। ভর্তি কার্যক্রম শেষে ১২ নভেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করার পরিকল্পনা করা হয়েছে। বুধবার (১২ আগস্ট) বাংলাদেশ আন্তঃশিক্ষা বোর্ড সমন্বয় কমিটির সভাপতি ও ঢাকা শিক্ষা বোর্ডের চেয়ারম্যান সৈয়দ আক্তারুজ্জামান এ তথ্য জানিয়েছেন। তিনি বলেন, ভর্তি নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা নিয়ে আগামীকাল শিক্ষামন্ত্রী ও সচিবের সামনে উপস্থাপন করা হবে। অনুমোদন সাপেক্ষে নীতিমালা ও কর্মপরিকল্পনা অনুযায়ী কার্যক্রম এগিয়ে নেওয়া হবে। আশা করছি, রবি-সোমবারের মধ্যে এর অনুমোদন পাওয়া যাবে। খসড়া রোডম্যাপের বিষয়ে তিনি বলেন, আগামী ১৫ সেপ্টেম্বর থেকে অনলাইন আবেদন কার্যক্রম শুরু হবে। নভেম্বরের প্রথম সপ্তাহের মধ্যে ভর্তি কার্যক্রম শেষ করে ১২ নভেম্বর থেকে নতুন শিক্ষাবর্ষের ক্লাস শুরু করার পরিকল্পনা রয়েছে। বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয় (বুয়েট) অনলাইন ভর্তি কার্যক্রম পরিচালনা করবে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীদের কয়েক ধাপে আবেদন করতে হয়। এ কার্যক্রম শেষ করতে সময় লাগে। আবেদনের পর নিশ্চায়নের জন্য সময় দিতে হয়। এরপর মনোনয়ন দেওয়ার পর ভর্তির সুযোগ দিতে হয়। প্রথম ধাপে আসন না পেলে আবার নতুন করে আবেদন করতে হয়। এসব কারণে বুয়েট সময় কমাতে চাচ্ছে না। তবে সময় আরও চার-পাঁচ দিন কমানোর জন্য তাদের অনুরোধ করা হচ্ছে। তিনি বলেন, যদি কোনো কারণে সময় কমানো সম্ভব না হয়, তাহলে বর্তমান পরিকল্পনা অনুযায়ী ১২ নভেম্বর থেকে একাদশ শ্রেণির ক্লাস শুরু করা হবে। ভর্তির পদ্ধতি আগের মতোই থাকবে জানিয়ে তিনি বলেন, শিক্ষার্থীরা অনলাইনে আবেদন করবে এবং স্বয়ংক্রিয়ভাবে তাদের আসন বরাদ্দ হবে। গত ১০ আগস্ট এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার ফল প্রকাশ করা হয়েছে। এবার নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ড, মাদরাসা ও কারিগরি শিক্ষা বোর্ড মিলিয়ে মোট পাসের হার ৬২ দশমিক ২৫ শতাংশ। জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ১৬ হাজার ৬৭৬ শিক্ষার্থী। ফলাফলে দেখা গেছে, নয়টি সাধারণ শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৬৪ দশমিক ০৫ শতাংশ। এসব বোর্ডে জিপিএ-৫ পেয়েছে এক লাখ ৬ হাজার ৯ জন। মাদরাসা শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৫ দশমিক ৪৯ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৬ হাজার ৭১৬ জন। কারিগরি শিক্ষা বোর্ডে পাসের হার ৫৮ দশমিক ২০ শতাংশ এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ৩ হাজার ৯৫১ জন।


