বাগেরহাটে কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা

বাগেরহাট প্রতিনিধি ঃ বাগেরহাটের শরণখোলায় ফাতেমা আক্তার ওরয়ে রিয়া মনি (১৬) নামের একজন কিশোরীকে গলা কেটে হত্যা করা হয়েছে। মঙ্গলবার সকালে শরণখোলা উপজেলার রাজাপুর গ্রামের একটি রাস্তার উপর থেকে ফাতেমার রক্তাক্ত মৃতদেহ উদ্ধার করেছে পুলিশ। লাশের সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য জেলা হাসপাতাল মর্গে আনা হয়েছে মৃতদেহ। কারা কি কারনে ফাতেমাকে গলাকেটে হত্যা করেছে তা নিশ্চিত করে বলতে পারেনি এখানের পুলিশ। হত্যাকান্ডের রহস্য উদঘাটনে পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে। সোমবার বিকেলে বাড়ি থেকে বের হয়ে ফাতেমা নিখোঁজ ছিল। ফাতেমা আক্তার ওরয়ে রিয়া মনি শরণখোলা উপজেলার খোন্তাকাটা গ্রামের তালুকদার বাড়ির আজিম শেখের মেয়ে। ফাতেমার পিতা-মাতা চট্টগ্রামে চাকরি করেন। সে তার নানির কাছে বসবাস করত। নিহতের পরিবার ও স্থানীয়দের বরাত দিয়ে শরণখোলা থানার সি মো. শামিনুল হক বলেন, সোমবার বিকেলে ফাতেমা আক্তার ওরয়ে রিয়া মনি বাড়ি থেকে বের হয়। রাত হলেও সে বাড়িতে ফিরে না আসায় তার নানী হালিমা বেগম খুঁজতে শুরু করেন। মঙ্গলবার সকালে বাড়ি থেকে তিন কিলোমিটারের বেশি দূরে মধ্যে রাজাপুর গ্রামের একটি রাস্তায় তার রক্তাক্ত মৃতদেহ পড়ে থাকতে দেখে স্থানীয়রা পুলিশে খবর দেয়। পুলিশ সেখানে গিয়ে ফাতেমার গলা কাটা মৃতদেহ উদ্ধার করে। ফাতেমার মা বাবা চট্টগ্রামে চাকরি করার কারনে সে তার নানীর কাছে থাকত। কিশোরী স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় পড়ালেখা করত বলে জানা গেলেও বর্তমানে পড়ালেখা করছিল না। তার কিছু ছেলে ও মেয়ে বন্ধু রয়েছে তাদের সাথে সে সারাদিন থাকত। কারা কি কারনে ফাতেমাকে হত্যা করল তা এখনই বলা যাচ্ছে না। বেশ কয়েকটি বিষয় মাথায় রেখে আমরা তদন্ত শুরু করেছি। তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত হত্যাকান্ডের প্রকৃত কারন বলা যাচ্ছে না। কারা এই হত্যাকান্ডের সাথে জড়িত রয়েছে তাদের শনাক্ত করার চেষ্টা চলছে। সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরি করে ময়না তদন্তের জন্য বাগেরহাট জেলা হাসপাতাল মর্গে মৃতদেহ পাঠানো হয়েছে। মামলা প্রক্রিয়াধিন রয়েছে।



