যশোরে এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে বলৎকারের অভিযোগে জনগণের হাতে লম্পট আটক

যশোর ব্যুরো ঃ এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে কুশল বিনিময়ের এক পর্যায় বাড়িতে নিয়ে জোর পূর্বক বলৎকার করার অভিযোগে জনগণ সেলিম হোসেন (৪৫) নামে এক লম্পটকে ধরে পুলিশে দিয়েছে। এ ঘটনায় ওই মাদ্রাসার সেক্রেটারী বাদি হয়ে শুক্রবার দিবাগত গভীর রাতে কোতয়ালি থানায় মামলা করেছে। সেলিম হোসেন পিরোজপুর জেলার নেছারাবাদ থানার আটঘর গ্রামের বর্তমানে যশোর শহরের পূর্ব বারান্দীপাড়া বটতলা (শিল্পী এর বাড়ির ভাড়াটিয়া) মৃত আব্দুল মান্নানের ছেলে। পুলিশ তাকে শনিবার দুপুরে আদালতে সোর্পদ করেছে। যশোর খুলনা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন দারুল উলুম মাদ্রাসার হিফজখানায় অধ্যায়নরত কিশোর শিক্ষার্থী (১৭) গত ৫ মে দুপুর পৌনে ২ টার সময় উক্ত মাদ্রাসা সংলগ্ন মসজিদে নামাজ আদায় শেষে বাহিরে দোকানে গেলে সেখানে লম্পট সেলিম হোসেন দেখে তার সাথে কুশল বিনিময় করেন । পরে তার বর্তমান বাসায় যাওয়ার কথা বলে। তখন উক্ত মাদ্রাসা শিক্ষার্থী তার বর্তমান বাসায় যাবে বলে জানালে লম্পট সেলিম হোসেন চলে যায়। ওই দিন বিকাল সাড়ে ৫ টার সময় উক্ত লম্পট মাদ্রাসার সামনে আসে। আবারও পূর্বের ন্যায় মাদ্রাসার সামনে থেকে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে প্রলোভন দিয়ে তার বাসায় নিয়ে যায় । সন্ধ্যা পৌনে ৬ টার সময় লম্পট ব্যক্তি মাদ্রাসার শিক্ষার্থীকে তার ভাড়া বাসার ৩য় তলা নিয়ে যাওয়ার পর রুমের ভিতর থেকে ছিটকানী দিয়ে দেয়। পরে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর শরীরের স্পর্শকাতর স্থানে হাত বুলাতে থাকে এবং কু- প্রস্তাব দেয়। প্রস্তাবের এক পর্যায় মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর পরনের জুব্বা খুলে পায়ূপথে লম্পট সেলিম জোর পূর্বক ধর্ষন করে। মাদ্রাসা শিক্ষার্থী ডাক চিৎকার করতে গেলে তার মুখ চেপে ধরে ও উক্ত বিষয় কাউকে কিছু না বলার জন্য বিভিন্ন প্রকার হুমকী ধামকী দেয়। বিষয়টি উক্ত শিক্ষার্থী কাউকে কিছু না বলে মাদ্রাসায় চলে আসে। এর দুই দিন পর ৮ মে রাত পৌনে ৯ টার সময় উক্ত মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর সাথে দেখা করার জন্য আসে। তখন তাকে পূর্বের ন্যায় তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়ার কথা বললে সে অপরাগতা প্রকাশ করলে উক্ত লম্পট ধস্তাধস্তি শুরু করে তার ভাড়া বাসায় নিয়ে যাওয়ার জন্য। তখন মাদ্রাসা শিক্ষার্থী চিৎকার চেছামেছি করলে শব্দ পেয়ে আশপাাশের লোকজন এগিয়ে এসে উক্ত লম্পট সেলিম হোসেনকে আটক করে। পরে তাকে থানায় নিয়ে আসে। বলৎকারের শিকার মাদ্রাসা শিক্ষার্থী বিষয়টি ফাঁস করে দিলে উক্ত ব্যক্তিকে আটক করে। পরে তার বিরুদ্ধে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে মামলা দায়ের করে।


