ই-ট্রেসিবিলিটি সিস্টেম বাস্তবায়নের গুরুত্ব বিষয়ক ফোয়াবের স্টেক হোল্ডার মিটিং অনুষ্ঠিত

স্টাফ রিপোর্টার : ‘চিংড়ি ও মৎস্যখাতে রপ্তানি বাণিজ্য প্রসারে ই-ট্রেসিবিলিটি সিস্টেম বাস্তবায়নের গুরুত্ব’ শীর্ষক স্টেক হোল্ডার মিটিং বৃহস্পতিবার (১৪ মে) বিকেলে ডুমুরিয়া উপজেলার রুদাঘরায় অনুষ্ঠিত হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিল এবং ফিস ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ- ফোয়াব’র অর্থায়নে এবং মৎস্য অধিদপ্তর খুলনা বিভাগের সহযোগিতায় ফোয়াব এ সভার আয়োজন করে। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন ফিস ফার্ম ওনার্স অ্যাসোসিয়েশন বাংলাদেশ- ফোয়াব’র সভাপতি মোল্লা সামছুর রহমান শাহীন।
অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন ও সঞ্চালনা করেন ফোয়াবের প্রকল্প পরিচালক মৎস্যবীদ মো. মনিরুজ্জামান। অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ সংবাদ সংস্থা-বাসস’র খুলনা জেলা প্রতিনিধি সাংবাদিক মুহাম্মদ নূরুজ্জামান ও বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের বিজনেস প্রমোশন কাউন্সিলের সহকারী পরিচালক পলাশ ঘোষ। আলোচনায় অংশ নেন এবং উপস্থিত ছিলেন ফোয়াবের যুগ্ম সম্পাদক শেখ সাকিল হোসেন, সাংগঠনিক সম্পাদক ব্রজেন হালদার, অর্থ সম্পাদক সাফায়াত হোসেন শাওন, চালনা মেরিন প্রোডাক্ট এর পরিচালক এমডি আবুল হোসেন, লুনা ফিশের পরিচালক জামিল আহসান, ফোয়াব ডুমুরিয়া আঞ্চলিক কমিটির সদস্য সচিব আব্দুস সালাম বিশ্বাস, অমি এন্টারপ্রাইজের পরিচালক আশরাফুজ্জামান, কেওড়াতলা চিংড়ি চাষী ক্লাসটার-২’র সভাপতি আব্দুল গফফার সরদার, কেওড়াতলা ক্লাস্টার-১ এর সভাপতি মোহাম্মদ বেলাল হোসেন, মো. আলাউদ্দিন বিশ্বাস, চহেড়া মৎস্য আড়তের মো. জাকির হোসেন, ভাই ভাই মৎস্য আড়তের মোঃ হাফিজুর রহমান গাজী, পোনা ব্যবসায়ী মোঃ জহুরুল ইসলাম মোল্লা, রদাঘরার শহিদুল গাজী, শোলগাতিয়া পাইকারী মৎস্য আড়তের সভাপতি শেখ আতিয়ার রহমান, মোঃ হেমায়েত ইসলাম, রিতা চৌধুরী প্রমূখ। এছাড়াও আড়ৎদার, পাইকারী মৎস্য ব্যবসায়ী, ক্লাস্টার চিংড়ি চাষী, প্রসেসর, চিংড়ি পোনা ব্যবসায়ী ও সরকারি বেসরকারি কর্মকর্তাগণ উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে আলোচকরা চিংড়ি ও মৎস্য রপ্তানি বৃদ্ধিতে সুবিধা ও সীমাবদ্ধতা নিয়ে উন্মুক্ত আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, আন্তর্জাতিক বাজারে বাংলাদেশের সুনাম ধরে রাখতে হলে অবশ্যই মানসম্পন্ন চিংড়ি এবং মাছ উৎপাদনের কোন বিকল্প নেই। আর এটি করতে হলে চাষি থেকে শুরু করে উৎপাদক, আড়ৎদার, পাইকার, বাজারজাতকরণ এবং কারখানা ও রপ্তানিকারকদের সকলকেই এ সেক্টরে ই-ট্রেসিবিলিটি সিস্টেম বাস্তবায়ন করতে হবে। এ বিষয়ে সবাই সচেতনতার সঙ্গে এবং গুরুত্ব দিলে চিংড়ি ও মৎস্যখাতে রপ্তানি বােিণ্জ্য প্রসার ঘটবে।


