বিনোদন

বিয়ে বাড়িতে গাইতে কত নেন রাহাত ফতেহ-আতিফ আসলাম?

প্রবাহ বিনোদন: সিনেমার পাশাপাশি ব্যক্তিগত আয়োজনে গান গেয়ে বিপুল পারিশ্রমিক পান পাকিস্তানের জনপ্রিয় দুই সংগীতশিল্পী রাহাত ফতেহ আলী খান ও আতিফ আসলাম। বিয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে তাদের পারিশ্রমিক কত, তা নিয়ে ভক্তদের কৌতূহল দীর্ঘদিনের। সম্প্রতি সেই হিসাবই সামনে এনেছেন পাকিস্তানি সাংবাদিক নাঈম হানিফ। বিশে^র অন্যান্য ফিল্ম ইন্ডাস্ট্রির তারকাদের মতোই দক্ষিণ এশিয়ার সংগীতশিল্পীরাও এখন ব্যক্তিগত ইভেন্টে নিয়মিত পারফর্ম করেন। এক সময় অর্থের প্রয়োজনে বিয়ের অনুষ্ঠানে নাচতেন বলিউড বাদশা শাহরুখ খান, যদিও এখন আর তাকে সেসব আয়োজনে দেখা যায় না। একই বাস্তবতায় পাকিস্তানের তারকারাও বড় বিয়ের মঞ্চে নিয়মিত উপস্থিত থাকেন। রাহাত ফতেহ আলী খান ও আতিফ আসলাম এই তালিকার শীর্ষে। শক্তিশালী লাইভ পারফরম্যান্সের জন্য পরিচিত এই দুই শিল্পী ভারতীয় চলচ্চিত্রের অসংখ্য জনপ্রিয় গানে কণ্ঠ দিয়েছেন। সীমান্ত পেরিয়ে তাদের গান পৌঁছে গেছে বিশ^জুড়ে। আম্বানি পরিবারের আয়োজনসহ একাধিক হাই প্রোফাইল বিয়ের অনুষ্ঠানে তাদের গান গাওয়ার নজির রয়েছে। ভারতীয় ধনাঢ্য পরিবারগুলোর বিদেশে আয়োজিত বিয়েতেও তারা নিয়মিত আমন্ত্রিত হন। নাঈম হানিফের দাবি অনুযায়ী, রাহাত ফতেহ আলী খান একটি বিয়ের অনুষ্ঠানে পারফর্ম করতে প্রায় ১.২৫ কোটি রুপি পারিশ্রমিক নেন। অন্য শহরে আয়োজন হলে অঙ্কটি আরও বাড়ে। আন্তর্জাতিক কোনো অনুষ্ঠানের ক্ষেত্রে এই পারিশ্রমিক প্রায় দ্বিগুণ পর্যন্ত হতে পারে বলেও জানান তিনি। আতিফ আসলামের ক্ষেত্রে গল্পটা কিছুটা ভিন্ন। শুরুতে বিয়ের অনুষ্ঠানে গান গাওয়া এড়িয়ে চলতেন তিনি। তবে প্রায় সাত বছর আগে পাকিস্তানের ব্যবসায়ী মালিক রিয়াজ তার নাতির বিয়েতে গান গাওয়ার জন্য আতিফকে ১.৫ কোটি রুপির প্রস্তাব দেন। তখন অনেকেই ভেবেছিলেন, তিনি প্রস্তাবটি ফিরিয়ে দেবেন। শেষ পর্যন্ত সেই প্রস্তাব গ্রহণ করেন আতিফ। এরপর থেকেই তিনি নিয়মিত বিয়ের অনুষ্ঠানে গান গাইছেন। নাঈম হানিফের ভাষ্য অনুযায়ী, এখন প্রতি পারফরম্যান্সে আতিফ আসলামের পারিশ্রমিক ২ থেকে ২.৫ কোটি রুপি। ২০০৩ সালে ব্যান্ড জল নিয়ে পেশাদার সংগীতজীবন শুরু করেন আতিফ আসলাম। মূলত উর্দু ভাষায় গান গাইলেও হিন্দি, পাঞ্জাবি ও বাংলাসহ বিভিন্ন ভাষায় কণ্ঠ দিয়েছেন। গান গাওয়ার পাশাপাশি অভিনয়েও দেখা গেছে তাকে। ও লামহে ও বাতে, আদাত, তেরে বিন, তু জানে না, পেহলি দফার মতো গান তাকে জনপ্রিয়তার শীর্ষে পৌঁছে দেয়। অন্যদিকে রাহাত ফতেহ আলী খানের সংগীতজীবন দীর্ঘ ও বর্ণাঢ্য। বলিউডে সুফি ও শাস্ত্রীয় সংগীতের আবেশ ফিরিয়ে আনার কৃতিত্ব অনেকটাই তার। জিয়া ধড়ক ধড়ক যায়ে, তেরি ওরে, তুম জো আয়ে, ও রে পিয়া, জাগ ঘুমেয়ার মতো গান তাকে আলাদা উচ্চতায় নিয়ে গেছে।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আরও দেখুন
Close
Back to top button