স্থানীয় সংবাদ

৫ম পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেল ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার

প্রবাহ ডেস্ক
৫ম পর্যায়ে প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেল আরও ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। মঙ্গলবার বলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানোর বিস্তারিত সংবাদ।
দাকোপ
প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কর্তৃক দেশ ব্যাপী ৫ম পর্যায়ে (২য় ধাপের) জমিসহ গৃহ প্রদান কার্যক্রমের শুভ উদ্বোধন ও দাকোপ উপজেলা ভুমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষনা করেছেন। মঙ্গলবার বেলা ১১টায় ঢাকায় গনভবন থেকে একযোগে দেশের অন্যান্য জেলার বিভিন্ন উপজেলারমত দাকোপ উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষনার শুভ উদ্বোধন করেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে এ দাকোপ উপজেলাকে ভুমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষনা করার সময় উপজেলা নির্বাহী অফিসারের কার্যালয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা জয়দেব চক্রবর্তীর সভাপতিত্বে উপস্থিত ছিলেন দাকোপ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে নব-নির্বাচিত উপজেলা চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি আলহাজ¦ শেখ আবুল হোসেন। এ সময় অন্যান্যদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন দাকোপ থানা পুলিশের ওসি (তদন্ত) মোঃ সিরাজুল ইসলাম, উপজেলা আ’লীগের সাধারণ ও ইউপি চেয়ারম্যান সম্পাদক বিনয় কৃষ্ণ রায়, উপজেলা কৃষি অফিসার মোঃ শফিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকৌশলী মোঃ জাহাঙ্গীর আলম, উপজেলা সমাজ সেবা অফিসার প্রজিত কুমার রায়, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিসার শেখ আব্দুল কাদের, উপজেলা মহিলা বিষয়ক অফিসার সুরাইয়া সিদ্দিকা, উপজেলা যুব উন্নয়ন অফিসার আমজাদ হোসেন সরদার, উপজেলা আইসিটি অফিসার সমীর কুমার বিশ^াস, অধ্যক্ষ অসীম কুমার থানদার, ভারপ্রাপ্ত অধ্যক্ষ তপন কুমার রায়, ইউপি চেয়ারম্যান সুদেব কুমার রায়, ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন গাজী, ইউপি চেয়ারম্যান শেখ সাব্বির আহম্মেদ, দাকোপ উপজেলা প্রেসক্লাব সভাপতি গোবিন্দ বিশ^াস, সাধারণ সম্পাদক জি এম রেজাসহ, সহকারি কমিশনার (ভূমি) অফিসের প্রধান সহকারি মোঃ মোসাদ্দেক আলী, নাজির কিরণ বালা, সার্ভেয়ার মোঃ আকতারুজ্জামান, ইউনিয়ন ভুমি সহকারি কর্মকর্তা বৃন্দ প্রমুখ।
পাইকগাছা
পাইকগাছা উপজেলায় আশ্রয়ন প্রকল্প-২ এর অধিনে ৫ম পর্যায়ে আরো ৩৫টি পরিবারকে জমিসহ ঘর হস্তান্তর করা হয়েছে। এর মধ্যদিয়ে পাইকগাছা উপজেলা পুরোপুরি ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত হলো। মঙ্গলবার সকাল সাড়ে দশটায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা গনভবন থেকে ভার্চুয়ালি গৃহহীনদের মাঝে জমি সহ ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন। এ সময় পাইকগাছা উপজেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীনমুক্ত ঘোষণা করেন তিনি। পরে প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মাহেরা নাজনীনের সভাপতিত্বে উপজেলার গড়ইখালীর ৩৫টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে জমি সহ ঘর হস্তান্তর করেন খুলনা জেলা প্রশাসক খন্দকার ইয়াছির আরেফীন। উপস্থিত ছিলেন, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক মুকুল কুমার মৌত্র, পাইকগাছা উপজেলা চেয়ারম্যান আনোয়ার ইকবাল মন্টু, পৌর মেয়র সেলিম জাহাঙ্গীর, সিনিয়র সহকারী পুলিশ সুপার সাইফুল ইসলাম, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) ইফতেখারুল ইসলাম শামীম, পাইকগাছা থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ওবাইদুর রহমান,উপজেলা সাবেক কমান্ডার বীরমুক্তিযোদ্ধা শেখ শাহাদাৎ হোসেন বাচ্চু, উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা অসিম কুমার দাশ, উপজেলা শিক্ষা কর্মকর্তা বিদ্যুৎ রঞ্জন সাহা, পল্লী বিদ্যুতের ডি জি এম সিদ্দিকুর রহমান তালুকদার, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা ইমরুল কায়েস, উপজেলা প্রোগ্রামার মৃদুল কান্তি দাশ, ইউপি চেয়ারম্যান জি,এম আব্দুস ছালাম কেরু ও উপকারভোগী সহ গণমাধ্যম কর্মীরা।
সাতক্ষীরা
মঙ্গলবার সকাল ১০টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি অনুষ্ঠানের মধ্যদিয়ে ওই ঘরের চাবী ও দলিল হস্তান্তর করেন। আর এই চাবী ও দলিল হস্তান্তরের মধ্য দিয়ে সাতক্ষীরা জেলাকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হয়। সাতক্ষীরা প্রান্তের সদর উপজেলা অডিটোরিয়ামে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির প্রধানমন্ত্রীর পক্ষে সদর উপজেলার ১১০টি ভূমিহীন গৃহহীন পরিবারের হাতে ঘরের চাবী ও দলিল তুলে দেন। এসময় সেখানে আরো উপস্থিত ছিলেন, সদর উপজেলা নির্বাহী অফিসার শোয়াইব আহমাদ, সদর উপজেলা পরিষদের মহিলা ভাইস চেয়ারম্যান কহিনুর ইসলাম, সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) অতিশ সরকার প্রমুখ। এছাড়া, আশাশুনি উপজেলার বাকী ১৪০ টি পরিবারের মাঝে দ্বিকক্ষ বিশিষ্ট একক গৃহের চাবী ও দলিল হস্তান্তর করা হয়। এর আগে জেলার বাকি উপজেলাগুলোকে ভূমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত ঘোষণা করা হয়। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ হুমায়ুন কবির এসময় জানান, ১ম থেকে ৪র্থ পর্যায়ে সাতক্ষীরা জেলায় ৩ হাজার ২২৭ টি গৃহহীন ও ভূমিহীন পরিবারকে পুনর্বাসন করা হয়েছে। এছাড়া পঞ্চম পর্যায়ে আজ ১১ জুন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা সাতক্ষীরার ২৫০টিসহ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার সারাদেশের ১৮৮ টি উপজেলায় ১৮ হাজার ৫৬৬ টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারে মাঝে ঘরের চাবী ওদলিল হস্তান্তর করেন।
শরণখোলা
বাগেরহাটের শরণখোলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেল ৭০ ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবার। মঙ্গলবার (১১জুন) বেলা সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে এই ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানের শুভ উদ্বোধন করেন। অনুষ্ঠানে উপস্থিত সুবিধাভোগীরা ঘর ও জমি পেয়ে প্রধানমন্ত্রীর প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। গৃহ হস্তান্তর উপলক্ষ্যে শরণখোলা উপজেলা পরিষদ মিলানয়তনে প্রশাসনের উদ্যোগে এক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। ইউএনও সুদীপ্ত কুমার সিংহ’র সভাপতিত্বে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রদান অতিথি ছিলেন উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোঃ রায়হান উদ্দিন আকন শান্ত। অন্যান্যের মধ্যে বক্তৃতা করেন উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান হাসানুজ্জামান পারভেজ, শরণখোলা প্রেসক্লাবের সভাপতি ইসমাইল হোসেন লিটন, সাউথখালী ইউপি চেয়ারম্যান ইমরান হোসেন রাজিব প্রমুখ। অনুষ্ঠানে সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা, জনপ্রতিনিধি ও গণমাধ্যমকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
নড়াইল
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে নড়াইল জেলাকে ভুমিহীন ও গৃহহীন মুক্ত জেলা হিসাবে ঘোষনা দেন প্রধানমন্ত্রী। মুজিববর্ষ উপলক্ষ্যে এ প্রকল্পের আওতায় নড়াইল সদরের ১৩২টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে জমি ও গৃহ প্রদান কার্যক্রমের ৫য় পর্যায়ের নির্মিত গৃহ ও জমির কাগজপত্র উপকারভোগীদের মাঝে হস্তান্তর করেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফসহ অতিথিরা। এ প্রকল্পের নড়াইল সদরের ১৩২টি এবং লোহাগড়া উপজেলার ৯৭টি পরিবারের মাঝে ৫য় পর্যায়ের নির্মিত গৃহ ও জমির কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়। উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসাবে উপস্থিত ছিলেন খুলনা বিভাগীয় কমিশনার মোঃ হেলাল মাহমুদ শরীফ। জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশফাকুল হক চৌধুরী এর সভাপতিত্বে পুলিশ সুপার মোহাঃ মেহেদী হাসান,সিভিল সার্জন ডাঃ সাজেদা বেগম, বাংলাদেশ আনসার ও গ্রাম প্রতিরক্ষা বাহিনী, নড়াইলের জেলা কমাড্যান্ট বিকাশ চন্দ্র দাস, জেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক ও সদর উপজেলা চেয়ারম্যান নিজামউদ্দিন খান নিলু, নব- নির্বাচিত সদর উপজেলা চেয়ারম্যান মোঃ আজিজুর রহান ভুঁইয়া, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক) শাশ্বতী শীল, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ( রাজস্ব) মোঃ জুবায়ের হোসেন চৌধুরী, সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা শারমিন আক্তার, সরকারি কর্মকর্তা, মুক্তিযোদ্ধা, এনজিও প্রতিনিধি গণমাধ্যম কর্মি, উপকারভোগীরাসহ সংশ্লিষ্টরা এ সময় উপস্থিত ছিলেন। এ কার্যক্রমের আওতায় জেলায় যাচাই -বাছাই করে মোট ১ হাজার ১শত ৬৬টি পরিবারকে ভ’মিহীন ও গৃহহীন পরিবারকে বাছাই করা হয়। এ পর্যন্ত এ কার্যক্রমের আওতায় নড়াইল সদর উপজেলায় ১৭১ জন, লোহাগড়া উপজেলায় ১২০ জন এবং কালিয়া উপজেলায় ৬২৩ জনকে উপকার ভোগীর মাঝে গৃহ ও জমির কাগজপত্র হস্তান্তর করা হয়েছে।
মোংলা
মোংলায় প্রধানমন্ত্রীর উপহার হিসেবে দৃষ্টিনন্দন নতুন ঘর ও জমি পেয়েছেন ২০০টি ভুমিহীন পরিবার। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার দেয়া মাথা গোজার ঠাই নতুন ঠিকানায় যাওয়া পরিবার গুলোতে খুশির আমেজ বইছে। সকাল সাড়ে ১১টায় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রম উদ্বোধন করেন। পরে উপজেলা অফিসার্স ক্লাবে উপকারভোগী পরিবাবের মাঝে ঘরের দলিল ও চাবি হস্তান্তর করেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নিশাত তামান্না। মোংলা উপজেলা প্রকল্প বাস্তাবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাফর রানা জানায়, সকাল সাড়ে ১১টায় জমি ও ঘর হস্তান্তর অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন উপজেলা নির্বাহি অফিসার নিশাত তামান্না। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখেন, উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ তারিকুল ইসলাম, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মোঃ জাফর রানা, ইউপি চেয়ারম্যান উদয় শংকর বিশ্বাস, উৎপল মন্ডল ও উপজেলার অন্যান্য কর্মকর্তা সহ আরো অনেকে। প্রধানমন্ত্রীর কার্য্যালয়ের অর্থায়নে আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের আওতায় প্রতিটি ঘর নির্মাণে ৩ লাখ ৪ হাজার টাকা ব্যয়ে শতভাগ স্বচ্ছতা ও মান বজায় রেখে দৃষ্টিনন্দন ঘরগুলি নির্মান করেছে উপজেলা প্রশাসন। ঘরের চাবি হস্তান্তরের সময় প্রতিটি পরিবারকে দুই শতক জমির কাগজ পত্রও প্রদান করা হয়। মোংলা উপজেলার বুড়িরডাঙ্গার শানবান্দা গ্রামে মোংলা নদীর উত্তর পাড়ে এই ২০০টি ঘর নির্মাণ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা প্রধান অতিথি হিসেবে রবিবার সকালে গণভবন থেকে গৃহ হস্তান্তর কার্যক্রম ভিডিও কনফারেন্স’র মাধ্যমে উদ্বোধন করেন। এর আগে ৪ দফায় মোংলায় ৮৫৩টি ঘর প্রদান করা হয়েছিলো, এবার দেয়া হলো আরো ২০০ পরিবারকে। সোমবার জমি ও ঘরের কাগজপত্র হাতে পেয়ে আনন্দিত এ উপকারভোগীরা, এমনটি জানিয়েছেন প্রতিবন্ধী উপকারভোগী শাহানাজ, উপকারভোগী আঙ্গুরী বেগম, শেফালি বেগম, দিনোমনি হালদার ও রিক্সা চালক আজগর সহ সকল উপকারভোগীরা জমি এবং ঘর পেয়ে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনাকে ধণ্যবাদ ও কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেছেন।
কেশবপুর
কেশবপুরের ৮০ জন ভূমিহীন-গৃহহীন পরিবার ঘর পেলো। কেশবপুর উপজেলা প্রশাসনের আয়োজনে উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে উপজেলার আলতাপোল গ্রামের আশ্রয়ণ প্রকল্পের পুরাতন জরাজীর্ণ সিআইসিটি ব্যারাক প্রতিস্থাপন করা নবনির্মিত একক গৃহসমূহ ৮০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে জমির দলিল ও ঘরের চাবি হস্তান্তর করা হয়। আশ্রয়ণ-২ প্রকল্পের ৫ম পর্যায়ের (২য় ধাপে) মাননীয় প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে ৮০টি ভূমিহীন ও গৃহহীন পরিবারের মাঝে বইছে আনন্দ ও খুশির জোয়ার। অনুষ্ঠানে উপজেলা নির্বাহী অফিসার মোঃ তুহিন হোসেন সভাপতিত্ব করেন। উপজেলা শিশু বিষয়ক কর্মকর্তা বিমল কুমার কুন্ডুর সঞ্চালনায় বক্তব্য রাখেন, কেশবপুর পৌরসভার মেয়র রফিকুল ইসলাম, উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ মোঃ আলমগীর, উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা অফিসার এসএম জিল্লুর রশীদ, উপজেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি এস এম রুহুল আমীন, সিনিয়র সহ-সভাপতি তপন কুমার ঘোষ মন্টু, যশোর পল্লী বিদ্যুৎ সমিতি-২ এর কেশবপুর জোনাল অফিসের (ডিজিএম) এস.এম শাহীন আহসান, কেশবপুর সদর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান প্রভাষক আলাউদ্দীন আলা, কেশবপুর প্রেসক্লাবের সভাপতি আশরাফ-উজ-জামান খান। স্বাগত বক্তব্য রাখেন উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মোঃ তানভীর হোসেন।
প্রধানমন্ত্রীর উপহারের ঘর পেয়ে অনেকেই আনন্দ ও খুশিতে অশ্রুসিক্ত হয়ে পড়েন। এছাড়াও সকল উপকারভোগীরা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সুস্বাস্থ্য ও দীর্ঘায়ু কামনা করেছেন।

সংশ্লিষ্ট সংবাদ

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Back to top button