মাংসের দাম কম থাকলেও সবজিও মাছের দাম চড়া

শেখ ফেরদৌস রহমান :
গেল কয়েকদিন যাবৎ বাজারে সব ধরনের মাংসের দাম বেশ কমেছে। তবে কমেনি মাছ ও সবজির দাম। গেল কয়েকদিন যাব বৈরি আবহাওয়া ও ভারত থেকে আসা বন্যার কারণে ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে সবজির আবাদ, মৎস ঘের সহ সব কিছু। এতে করে বাড়ছে সবজিও মাছের দাম। খুচরা ব্যবসায়িরা বলছে বাজারে চাহিদার তুলনায় সরবারাহ কম। জেলেরা নদী সাগরে পাচ্ছেনা তেমন মাছ। যে কারণে ভরা মৌসূমে ও রয়েছে ইলিশের দাম চড়া।সরে জমিনে গতকাল নগরীর বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা গেছে করোলা কেজি ৭০ টাকা, কচুর বই কেজি ৬০ টাকা, পটোল , পেঁপে কেজি ৫০টাকা, কচুর মুই কেজি ৭০ টাকা,। পেয়াজের ঝাঁজ বেড়েছে প্রতি কেজি পেঁয়াজ এখন বিক্রি ১২০ টাকা কেজি দরে, রসুন ২৫০ থেকে ২৬০ টাকা কেজি, বেগুনের দাম কিছুটা কম প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭০ টাকা থেকে ৮০ টাকা প্রতি কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে। কাচাঝাল দাম আরও বাড়তী প্রতি কেজি বিক্রি ৩২০ টাকা থেকে ৩৪০ প্রতি কেজি দরে। আলুর দাম আগের মত কেজি বিক্রি হচ্ছে ৬০ টাকা দরে। এছাড়া মুরগীর মাংসর দাম উপর প্রভাব পড়েছে লেয়ার ৩৪০ টাকা কেজি, কক ও সোনালী মুরগী ২৬০ টাকা ব্রয়লার মুরগী প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ১৭০ থেকে ১৮০ টাকা কেজি প্রতি। তবে গরু মাংসর দাম কমেছে কেজি প্রতি একশ টাকা ও খাসির মাংস দাম কমেছে ৯৫০ টাকা থেকে ১০০০ টাকা প্রতি কেজি দামে বিক্রি হচ্ছে।পাশাপাশি পাঙ্গাস আর মনোজ কাপ তেলাপিয়ার দাম নাগালে থাকলেও অন্যন সব ধরনের মাছের দাম তূঙ্গে। ইলিশ মাছ ছোট সাইজ ৬পিচে কেজি ৭০০ টাকা, ৬শ গ্রাম ওজনের মাছ ৯০০ টাকা। আর ১ কেজি সাইজের মাছ ১৮শ থেকে ২ হাজার টাকা কেজি। চাষের শিং ৪৫০ টাকা কেজি, ছোট মলা মাছে ৩৬০ টাকা থেকে ৪০০ টাকা কেজি, বেলে মাছ ৮০০ টাকা থেকে শুরু করে সর্ব নি¤œ ৬০০ টাকা প্রতি কেজি, চিংড়ি মাছের দাম ৭০০ টাকার বা প্রকার ভেদে আরও বেশি দাম বিক্রি হচ্ছে। পাবদা মাছ ৪০০ টাকা, আইড় মাছ ৭০০ টাকা থেকে ১২২০ টাকা কেজি, রুই ছোট সাইজ ২৫০ থেকে ৩৫০ বড় সাইজ দাম আরও বেশি, কাতলা দাম বড় সাইজ ৪৫০ টাকা, ছোট সাইজ দাম ২৫০ থেকে ৩৫০ টাকা কেজি, এছাড়া ডিমের দাম আগের মত সর্ব নি¤œ ৫২ টাকা হালি দরে বিক্রি হচ্ছে। এ বিষয়ে কথা হয় দিন মজুরি মোঃ নবিবুর এর সাথে তিনি বলেন, গেল কয়েকদিন যাবৎ গুড়ি ও মাঝারি বৃষ্টির কারণে কাম কাজ নেই। মহাজনেরা অনেক সাইড আপাতত বন্ধ করে রাখছে। তারপরও চালের দাম বাড়তী, সবজির দাম আগের মত আর ইলিশের মৌসূমে ইলিশ মাছের কাছে যাওয়ার ক্ষমতা নেই। তবে যেহেতু প্রাকৃতিক দূর্যোগ ও দেশে নতুন স্বাধিনতা হয়েছে আশা করি সব কিছু আবার গরীব মানুষের নাগালের বাইরে চলে আসবে।



