বাগেরহাট পৌর বিএনপির কাউন্সিল সম্পন্ন

# সাাহেদ আলী রবি সভাপতি, জুয়েল সম্পাদক #
আজাদুল হক, বাগেরহাট ঃ জাতীয়তাবাদী দল বিএনপির বাগেরহাট পৌর শাখার দ্বি বার্ষিক সম্মেলন-২০২৫ গনতান্ত্রিকভাবে সম্পন্ন হয়েছে। শনিবার বিকেল থেকে রাত পর্যন্ত কাউন্সিলরদের ভোট প্রদানের মাধ্যমে পৌর বিএনপির দ্বি-বার্ষিক সম্মেলনে শেখ শাহেদ আলী রবি সভাপতি ও সৈয়দ ওবায়দুল ইসলাম জুয়েল সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছে । এছাড়া সাংগঠনিক সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন মহিতুজ্জামান দুলাল ও শেখ আবুল কালাম আজাদ। শনিবার রাত ৯টায় নির্বাচন মনিটরিং সেলের প্রধান বিএনপি নেতা ড. লায়ন ফরিদুল ইসলাম ফলাফল ঘোষণা করেন। সভাপতি পদে শেখ শাহেদ আলী রবি চেয়ার প্রতিকে ৩৪২ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এসকেন্দার হোসেন ছাতা প্রতিকে পেয়েছেন ২৪৭ ভোট। সাধারন সম্পাদক পদে ৩ জন প্রার্থী প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন। এর মধ্যে সৈয়দ ওবায়দুল ইসলাম জুয়েল হরিণ প্রতিকে ৩০৩ ভোট পেয়ে সাধারণ সম্পাদক পদে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী এ্যাডভোকেট মোঃ হিরক মিনা ফুটবল প্রতিকে পেয়েছেন ২২৫ ভোট ও অপর প্রার্থী মোঃ নাজমুল হুদা আম প্রতিকে পেয়েছেন মাত্র ৭১ ভোট। সাংগঠনিক সম্পাদক পদে ৪ জন প্রতিদ্বন্দ্বীতা করেন এদের মধ্যে মহিতুজ্জামান দুলাল মই প্রতিকে ৩৬৭ ভোট ও শেখ আবুল কালাম আজাদ মাছ প্রতিকে ৩৪৯ ভোট পেয়ে সাংগঠনিক সম্পাদক নির্বাচিত হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদন্ধী শেখ নাহিদুল ইসলাম মোমবাতি প্রতিকে ২৪৫ ভোট ও এ. এস. এম হায়াত উদ্দিন মোরগ প্রতিকে পেয়েছেন মাত্র ২৯ ভোট। নির্বাচনে শাহেদ-হিরক-মহিতুজ্জামান পরিষদ এবং এসকেন্দার-জুয়েল-আজাদ-নাহিদ পরিষদ নামে দুটি প্যানেল প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে। বাগেরহাট পৌরসভার ৯টি ওয়ার্ডের ৬৩৯ জন ভোটার সভাপতি, সাধারণ সম্পাদক ও ২টি সাংগঠনিক সম্পাদক পদের প্রার্থীকে ভোট দিয়ে নির্বাচিত করেন। নির্বাচনের বেলা ১২টার দিকে জাতীয় সংগীত পরিবেশন ও পায়রা উড়িয়ে বাগেরহাট শহরের স্বাধীনতা উদ্যানে পৌর বিএনপির সম্মেলন উদ্ধোধন করে প্রধান অতিথি বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আনিন্দ্য ইসলাম অমিত। সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সাংগঠনিক সম্পাদক আনিন্দ ইসলাম অমিত বলেন, আমাদের ‘রাজনীতির আকাশে কালো মেঘ দেখা যাচ্ছে। আমাদের মধ্যে উদ্বেগ উৎকণ্ঠা কাজ করছে। কিন্তু এই কালো মেঘতো দেখা যাবার কথা ছিল না। ৫ আগস্ট ছাত্র-জনতার গণঅভ্যুথ্যানের মাধ্যমে ফ্যাসিস্ট শেখ হাসিনাকে বাংলাদেশ ছাড়া করা হয়েছে। এর পরে ফ্যাসিব্যাদ বিরোধী সব শক্তি অন্তর্র্বতীকালীন সরকার গঠনে রায় দিয়েছে।



